১০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলিস্তানে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ায় একজনকে গণপিটুনি

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩৪ Time View
blank
blank

ছাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টারঃ

রাজধানী গুলিস্তানে ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দেওয়ায় একজনকে পিটুনি দিয়েছে বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতা-কর্মীরা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

আজ রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুরে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। তিনি এখন পুলিশ হেফাজতেই আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র-জনতা জানান, ‘‘শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বিরোধী বিক্ষোভের মাঝে ওই ব্যক্তি হঠাৎ এসে বলেন- ‘শেখ হাসিনা চলে আসবেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা’। এরপর তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপরই বিক্ষোভকারীরা তাকে মারধর করে।’’

উপস্থিত শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘‘কেউ এসে নিজেকে ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ বললেই মারা ঠিক হবে না। আগে যাচাই করা উচিত। প্রকৃত আওয়ামী লীগ গোপনে ষড়যন্ত্র করছে। আর মাঠে নিরীহ লোকদের পাঠাচ্ছে। আর কাউকে পেলেই মারতে হবে কেন? পুলিশে দিলেই ভালো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

গুলিস্তানে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ায় একজনকে গণপিটুনি

Update Time : ১১:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

ছাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টারঃ

রাজধানী গুলিস্তানে ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দেওয়ায় একজনকে পিটুনি দিয়েছে বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতা-কর্মীরা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

আজ রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুরে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। তিনি এখন পুলিশ হেফাজতেই আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র-জনতা জানান, ‘‘শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বিরোধী বিক্ষোভের মাঝে ওই ব্যক্তি হঠাৎ এসে বলেন- ‘শেখ হাসিনা চলে আসবেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা’। এরপর তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপরই বিক্ষোভকারীরা তাকে মারধর করে।’’

উপস্থিত শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘‘কেউ এসে নিজেকে ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ বললেই মারা ঠিক হবে না। আগে যাচাই করা উচিত। প্রকৃত আওয়ামী লীগ গোপনে ষড়যন্ত্র করছে। আর মাঠে নিরীহ লোকদের পাঠাচ্ছে। আর কাউকে পেলেই মারতে হবে কেন? পুলিশে দিলেই ভালো।