
স্টাপ রিপোর্টার,
ঝালকাঠির রাজাপুরের মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার দুপুরে উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বাগড়ি (১ নং ওয়ার্ড) গ্রামের মোঃ মধু খানের ছেলে মোঃ কবির সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন। এদিকে একের পর এক অভিযোগের ঘটনায় ইউএনও ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করে সতর্ক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছেন। এদিকে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদেই জন্মসনদ পেতে ও সংশোধণ করতে পদে পদে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীয় কবির খান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানান, এলাকায় না থাকার কারনে তিনি এর আগে কোথাও জন্ম নিবন্ধন করা হয়নি। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের অঙ্গীকারনামা, প্রত্যয়নপত্র, নাগরিকসনদ, ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দিয়ে মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের আবেদন পত্র জমা দেন। কিন্তু মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তার কাছে মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অযুহাতে টালবাহানা শুরু করে। পরে নিরুপায় হয়ে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে জন্মসনদ নেই। যেদিন ঘুষের টাকা দিয়েছি, সেদিনই সনদ দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান পরিষদের যোগদারের পর থেকেই ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করেন না। ঘুষ না দিলে তিনি নানাভাবে মানুষকে হয়রানি করে। অভিযোগের বিষয়ে মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, মোঃ কবিরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে দিতে না পারায় তার জন্মসনদ প্রস্তুত করতে বিলম্ব হয়েছে। বিলস্ব হওয়ার কারনে তিনি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও ইউএনও মহোদয় অবগত হয়েছে, তাদের কাছে বিস্তারিত খুলে বলা হয়েছে। তারা পরিষদে গিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছে। ইউএনও রাহুল চন্দ জানান, একের পর এক অভিযোগ আসার পর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করে তাকে সতর্ক করা হয়েছিলো। যেহেতু সতর্ক হয়নি তাই যে সব অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তা তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।











