
স্টাফ রিপোটারঃ
কলিগঞ্জ উপজেলার চাকদাহ এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মারধরের ঘটনায় ১ জন আহত হয়েছেন। গত রবিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ভুক্তভোগি হয়ে মাহমুদ হোসেন কালিগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
১। মোঃ আব্দুর রশিদ (২৮) ২। মোঃ সুরাত আলী (৪০)৩। মোছাঃ জেসমিন বেগম (৫০) ৪। মোছাঃ নাজমা পারজ্ঞান (৩৫) চাকদাহ,থানা-কালিগঞ্জ,জেলা-সাতক্ষীরা সহ অজ্ঞাতনামা এর বিরুদ্ধে রোমানা আক্তার এ অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বিবাদীরা অত্যান্ত হিংস্র, পরসম্পদলোভী, আইন অমান্যকারী প্রকৃতির ব্যক্তি হইতেছে। ১নং বিবাদী একজন সেনা সদস্য। সেই দাপটে বিবাদীরা পরস্পর যোগসাজোসে আমাদের আমাদের সহিত জমি জমার বিষয় নিয়া বিরোধ পোষন করিয়া আসিতেছে। ১নং বিবাদী ছুটিতে বাড়ী আসিয়া প্রায় সময় আমাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতঃ হুমকি প্রদান করে। সম্প্রতি ২নং বিবাদীর একটি ছাগল আমাদের বাড়ীতে আসিয়া বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি করে। যাহা ২নং বিবাদীকে অবহিত করিলে তাহারা ইহার কোন সুরাহা না করিয়া উপরন্তু আমাদের হুমকি প্রদান করে। ইং-০৯/০৩/২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ০৪,২০ ঘটিকার সময় বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পীতভাবে বে-আইনী জনতাবদ্ধে হাতে ধারালো দা, শাবল, বাঁশের লাঠি ইত্যাদি লইয়া অনধিকারভাবে আমার বসতবাড়ীতে প্রবেশ করিয়া অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। আমি ইহার প্রতিবাদ করিলে ২নং বিবাদীর হুকুমে সকল বিবাদীরা শাবল, বাঁশের লাঠি দিয়া এলোপাতাড়ি মারপিট করিয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা জখম করে। ১নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় কোপ মারিলে উক্ত কোপ আমার কপালে লাগিয়া গুরুতর হাড় কাটা রক্তাক্ত জখম করে। আমি ডাক চিৎকারে আমার স্ত্রী মোছাঃ মুসলিমা খাতুন (২৬) ঠেকাইতে আসিলে সকল বিবাদীরা শাবল, বাঁশের লাঠি দিয়া এলোপাতাড়ি মারপিট করিয়া তাহারও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা জখম করে। তখন আমাদের ডাক চিৎকারে স্বাক্ষী- ১। মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, পিতা-শাহাদাৎ আলী, ২। মোঃ শাহাজান আলী, ৩। মোঃ সাজ্জাদ আলী, উভয় পিতা-সমছের টাপালি, সর্ব সাং-চাকদাহ, থানা-কালিগঞ্জ, জেলা-সাতক্ষীরা সহ অনেকে আসিয়া বিবাদীদের কবল হইতে আমাদের উদ্ধার করে। তখন বিবাদীরা প্রকাশ্য হুমকি দিয়া বলে, ‘আমাদের পুনরায় মারপিট করিবে, খুন জখম করিবে, আমার স্ত্রীকে ধর্ষন করিবে সহ বিভিন্নভাবে ক্ষতি করিবে’। স্বাক্ষীদের সহায়তায় পথচলতি মোটরভ্যান যোগে আমি কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাইয়া চিকিৎসার জন্য ভর্তি হই এবং আমার স্ত্রী প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করে। আমি চিকিৎসা ধীন থাকায় অত্র অভিযোগ আমার স্ত্রী মোছাঃ মুসলিমা খাতুন এর মাধ্যমে দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।











