০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামী ভোট নিশ্চিত করতে ভেট কেন্দ্রে একটি ব্যালট বাক্স রাখতে চাই: জামায়াতের নায়েবে আমির

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৭:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৯ Time View
blank
blank

 

মোঃ সাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঝালকাঠি জেলা শাখার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি শহরের ঈদগাহ মাঠে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ২২ বছর পর খোলা ময়দানে প্রকাশ্যে আয়োজিত সম্মেলনে অসংখ্য কর্মীর জমায়েত দেখা গেছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রকাশ্য দলীয় কোন কর্মকাণ্ড চালাতে পারেনি দলটি। বন্ধ ছিল তাদের দলীয় সকল কার্যালয়। জামায়াতের ঝালকাঠি জেলা শাখার আমীর এড. হাফিজুর রহমান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর জেনারেল অধ্যাপক. মুজিবুর রহমান। নায়েবে আমীর বলেন, দীর্ঘ ৫৪ বছরে দেশের যত সরকার এসেছে তারা কেউই এদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, আমরা আন্দোলন করে জালেমকে তাড়াতে পেরেছি কিন্তু জুলুমকে তাড়াতে পারিনি। এখনো দেশের মানুষের সাথে একটি গোষ্ঠী জুলুম করছে। এই জুলুমকে তাড়াতে হলে দেশে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। সিনিয়র নায়েব আর‌ও বলেন , ১৯৭১ সালে আমরা একটি ভূখণ্ড পেয়েছি, একটি স্বাধীন পতাকা পেয়েছি। কিন্তু স্বাধীন হওয়ার জন্য যে সুফল হওয়ার কথা ছিল, তা আমরা পাইনি। আমরা চেয়েছিলাম ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার। কিন্তু ভোট ও ভাতের অধিকার আমরা পাইনি। দিনে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়েছিল রাতে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো নজির নেই যে, রাতে ভোট হয়। বাইরের কূটনীতিকেরা মন্তব্য করেছিলেন যে, আমাদের ইতিহাসে কোনো দিন শুনিনি দিনের ভোট রাতে শেষ করে যায়। ২০২৪ সালে ভোট এতটাই খারাপ অবস্থায় গেল যে তখন গণতন্ত্রকে হত্যা করা হলো। মুজিবুর রহমান বলেন, বিগত দিনে এখানে যে সরকার ছিল, তারা আমাদের অনেক কষ্ট দিয়ে গিয়েছে। তারা জামায়াতে ইসলামী এবং শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু নিষিদ্ধ করার পঞ্চম দিনের মাথায় স্বৈরাচারীকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ফকরুদ্দিন খান রাজি, মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ও শেখ নিয়ামুল করিম। উক্ত কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযম হোসাইন হেলাল ও কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এছাড়াও জেলা ও উপজেলার নেতৃস্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। ২২ বছর পর প্রকাশ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া এই কর্মী সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

ইসলামী ভোট নিশ্চিত করতে ভেট কেন্দ্রে একটি ব্যালট বাক্স রাখতে চাই: জামায়াতের নায়েবে আমির

Update Time : ০৬:০৭:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ সাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঝালকাঠি জেলা শাখার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি শহরের ঈদগাহ মাঠে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ২২ বছর পর খোলা ময়দানে প্রকাশ্যে আয়োজিত সম্মেলনে অসংখ্য কর্মীর জমায়েত দেখা গেছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রকাশ্য দলীয় কোন কর্মকাণ্ড চালাতে পারেনি দলটি। বন্ধ ছিল তাদের দলীয় সকল কার্যালয়। জামায়াতের ঝালকাঠি জেলা শাখার আমীর এড. হাফিজুর রহমান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর জেনারেল অধ্যাপক. মুজিবুর রহমান। নায়েবে আমীর বলেন, দীর্ঘ ৫৪ বছরে দেশের যত সরকার এসেছে তারা কেউই এদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, আমরা আন্দোলন করে জালেমকে তাড়াতে পেরেছি কিন্তু জুলুমকে তাড়াতে পারিনি। এখনো দেশের মানুষের সাথে একটি গোষ্ঠী জুলুম করছে। এই জুলুমকে তাড়াতে হলে দেশে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। সিনিয়র নায়েব আর‌ও বলেন , ১৯৭১ সালে আমরা একটি ভূখণ্ড পেয়েছি, একটি স্বাধীন পতাকা পেয়েছি। কিন্তু স্বাধীন হওয়ার জন্য যে সুফল হওয়ার কথা ছিল, তা আমরা পাইনি। আমরা চেয়েছিলাম ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার। কিন্তু ভোট ও ভাতের অধিকার আমরা পাইনি। দিনে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়েছিল রাতে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো নজির নেই যে, রাতে ভোট হয়। বাইরের কূটনীতিকেরা মন্তব্য করেছিলেন যে, আমাদের ইতিহাসে কোনো দিন শুনিনি দিনের ভোট রাতে শেষ করে যায়। ২০২৪ সালে ভোট এতটাই খারাপ অবস্থায় গেল যে তখন গণতন্ত্রকে হত্যা করা হলো। মুজিবুর রহমান বলেন, বিগত দিনে এখানে যে সরকার ছিল, তারা আমাদের অনেক কষ্ট দিয়ে গিয়েছে। তারা জামায়াতে ইসলামী এবং শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু নিষিদ্ধ করার পঞ্চম দিনের মাথায় স্বৈরাচারীকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ফকরুদ্দিন খান রাজি, মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ও শেখ নিয়ামুল করিম। উক্ত কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযম হোসাইন হেলাল ও কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এছাড়াও জেলা ও উপজেলার নেতৃস্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। ২২ বছর পর প্রকাশ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া এই কর্মী সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।