০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের উদ্যোগে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১২৫ Time View
blank
blank

 

রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামালঃ

কেশবপুর উপজেলার বগায় মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় বগা নতুন বাজারস্থ গ্রন্থাগারে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের সভাপতি মোঃ ইলিয়াছুর রহমান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকির হোসেন।

মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগা আর এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ কুদ্দুস, সাগরদাঁড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোস্তফা কামাল, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নূরনবী ছামদানী, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আরফাজুল ইসলাম, সাগরদাঁড়ী ডাকবাংলোর শাহাজান আলী মোড়ল।

এ সময় আরো উপস্থিতি ছিলেন  মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের, সহ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ সুবাস চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক-মুনতাজুর ইসলাম, উপদেষ্টা লুৎফর রহমান, মাও: আঃ হাকিম, মাষ্টার আঃ হাকিম, সঞ্জয় চৌধুরী, আঃ রহমান, মাজিদুল ইসলাম, সাফোয়ান, মুকুল হোসেন, পাঠক ইশরাত জাহান, শামীম ইকবাল, ফারুক হোসেন, রেজাউল ইসলাম, শিল্পী তোরাব আলী, সদস্য-সবনম মুস্তারী, আঃ সামাদ গল্দার ও মেহরাব হোসাইন সাগর প্রমুখ।

“সমৃদ্ধ হোক গ্রন্থাগার এই আমাদের অঙ্গীকার”
জ্ঞানসম্ভারের সংরক্ষণ, চর্চা ও বিকাশের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে প্রাচীনকাল থেকে গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১১নং হাসানপুর ইউনিয়নের বগা গ্রামে গড়ে উঠেছে মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগার।

প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারটি। তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে বই পৌঁছে দিচ্ছেন। শিশু-কিশোরদের অনলাইনের পাশাপাশি বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এই আয়োজন। বর্তমান সময়ে বইয়ের পাতায় চোখ কমে গেছে ছাত্র-ছাত্রীদের। পাঠাগারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীরা অবসর সময়ে নতুন নতুন বই পড়ার সুযোগ পাবে। এছাড়াও পাঠাগার থেকে পছন্দের বই বাড়িতে নিয়েও পড়তে পারবেন পাঠকরা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

কেশবপুরে জমি দখলের চেষ্টায় সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর, ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের উদ্যোগে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
blank
blank

 

রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামালঃ

কেশবপুর উপজেলার বগায় মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় বগা নতুন বাজারস্থ গ্রন্থাগারে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের সভাপতি মোঃ ইলিয়াছুর রহমান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকির হোসেন।

মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগা আর এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ কুদ্দুস, সাগরদাঁড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোস্তফা কামাল, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নূরনবী ছামদানী, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আরফাজুল ইসলাম, সাগরদাঁড়ী ডাকবাংলোর শাহাজান আলী মোড়ল।

এ সময় আরো উপস্থিতি ছিলেন  মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারের, সহ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ সুবাস চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক-মুনতাজুর ইসলাম, উপদেষ্টা লুৎফর রহমান, মাও: আঃ হাকিম, মাষ্টার আঃ হাকিম, সঞ্জয় চৌধুরী, আঃ রহমান, মাজিদুল ইসলাম, সাফোয়ান, মুকুল হোসেন, পাঠক ইশরাত জাহান, শামীম ইকবাল, ফারুক হোসেন, রেজাউল ইসলাম, শিল্পী তোরাব আলী, সদস্য-সবনম মুস্তারী, আঃ সামাদ গল্দার ও মেহরাব হোসাইন সাগর প্রমুখ।

“সমৃদ্ধ হোক গ্রন্থাগার এই আমাদের অঙ্গীকার”
জ্ঞানসম্ভারের সংরক্ষণ, চর্চা ও বিকাশের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে প্রাচীনকাল থেকে গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১১নং হাসানপুর ইউনিয়নের বগা গ্রামে গড়ে উঠেছে মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগার।

প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন মুক্তাঙ্গন গণ গ্রন্থাগারটি। তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে বই পৌঁছে দিচ্ছেন। শিশু-কিশোরদের অনলাইনের পাশাপাশি বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এই আয়োজন। বর্তমান সময়ে বইয়ের পাতায় চোখ কমে গেছে ছাত্র-ছাত্রীদের। পাঠাগারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীরা অবসর সময়ে নতুন নতুন বই পড়ার সুযোগ পাবে। এছাড়াও পাঠাগার থেকে পছন্দের বই বাড়িতে নিয়েও পড়তে পারবেন পাঠকরা।