
মোজাহার ইসলাম, মোহনপুর প্রতিনিধি:রাজশাহীর মোহনপুরে ২০২৫ সালে আলু সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরে ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন ও আলোচনা সভা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ০২( ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ ঘটিকার সময় , উপজেলা পরিষদ চত্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে কৃষক প্রতিবাদ সভা, সভায় সভাপতিত্বে করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোহনপুর শাখা আমির অধ্যাপক জি, এ, এম, আব্দুল আওয়াল,এ সময় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মোহনপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীমুল ইসলাম মুন,তানোর পৌর সভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, মোহনপুর উপজেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেন বকুল, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আক্তার শামসুজোহা, সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজেম উদ্দিন,
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াদুদ হাসান পিন্টু, রাজশাহী আলু চাষী সমিতির কোষাধাক্ষ এবং মোহনপুর আলু চাষী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইউনুচ আলী, মোহনপুর আলু চাষী সমিতির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ,উপজেলা সমিতির কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম কারি,বড়গাছী আলু চাষী ইমরান আলী, বায়ার আলু চাষী আনারুল ইসলাম, নওহাটার আলু চাষী গাফফার হোসেন, সাজ্জাদ, তানোর আলু চাষী সমিতির সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান, নওহাটার হাসিবুর রহমান, তানোরের আলু চাষী লিমন, ধুরইলের আলু চাষী হাবিবুর রহমান, শহিদুল, মৌগাছীর আলু চাষী রেজাউল এবং সালাউদ্দিন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, স্টোর কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেট করে আলু চাষীদের জিম্মি করছে। তারা বলেন, গত বছর ষ্টোর গুলোতে প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২’শ ৫৫টাকা।
এ বছর অগ্রীম বুকিং স্লিপ কাটার সময় প্রতি বস্তার রেট ধরা হয়েছে ২’শ ৮৫ টাকা। তারপরও কৃষকরা কোনো প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু এখন স্টোর কর্তৃপক্ষ বলছেন ষ্টোর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। গত বছর ছিলো প্রতি কেজি ৪ টাকা। এ বছরে
যা চাষী ও ব্যবসায়ীদের প্রতি জুলুম ও অন্যায়ের সামিল। প্রতিবাদ সভায় আলু চাষী কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বলেন স্লিপ কাটার সময় যে রেট ধরা হয়েছে তার বেশী করায় আজ, মহাসড়কে অবরোধ করে কৃষকরা আলু ঢেলে কান্না ও রাস্তায় গোড়াগড়ি করে আন্দোলন করেছেন। পরিশেষে বক্তারা জানান দাবি না মানলে কৃষকদের নিয়ে কোল্ড স্টোরেজ ঘেরাও করে কঠোর আন্দোলনে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি প্রদান করেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তানোর আমান কোল্ড স্টোরের ম্যানেজার জালাল উদ্দীন বলেন, গত বছর প্রতি ৫০ কেজির বস্তার ভাড়া ছিলো ৩’শ টাকা এবং লেবার খরচ ১৫ টাকা। কিন্তু আলু চাষী ও ব্যবসারা ৫০ কেজি আলুর পরিবর্তে ৭০ কেজি থেকে ৮০ কেজি করে আলু রাখছে।
যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। এ বছর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ কোল্ড স্টোর এ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আলুর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে (৫০কেজির বস্তা) প্রতি কেজি ৮ টাকা। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই বলে জানান তিনি।















