০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮০০ বছর আগে খোঁজ পাওয়া যায়, কপিলমুনি সিদ্ধিনাথ রূপে পাঁশকুড়া যেখানে গুপ্ত সাধনা করেছিলেন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৪৬ Time View
blank
blank

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, পশ্চিমবঙ্গ

আজ ১৪ই জানুয়ারী মঙ্গলবার, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকে অঞ্চলে, কপিলমুনি সিদ্ধিনাথ রূপে পাঁশকুড়ার শ্যামসুন্দরপুর পাটনাতে গুপ্ত সাধনা করেছিলেন, আর তারি খোঁজ পাওয়া যায় ৮০০ বছর আগে।।

কপিল মুনি সাধনা করার সময় পাশে একটি কুন্ড খুলেছিলেন, কথিত আছে সেই কুন্ডে তিনি গঙ্গা দেবীর দর্শন পেয়েছেন, সেই কুন্ডটি সিদ্ধিনাথ কুণ্ডু নামে পরিচিত লাভ পেয়েছে।

প্রচলিত আছে নিঃসন্তান মহিলারা ওই কুণ্ডে স্নান করে পুজো দিলে তাদের সন্তান লাভ হয়, মনস্কামনা পূর্ণ হয়। প্রতিবছর এই সিদ্ধিনাথ মন্দিরে মকর সংক্রান্তি দিন চলে উৎসব। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার শ্যামসুন্দরপুরে।

পাশাপাশি ভিন রাজ্য থেকে উপস্থিত হন সাধু সন্ন্যাসীরা এই সিদ্ধিনাথ মন্দিরে , মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর এই সমস্ত সাধুসন্তরা রওনা হন গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির আশ্রমের পথে,

পাঁশকুড়া ব্লকের অন্তর্গত শ্যামসুন্দরপুর পাটনা গ্রামে এই সিদ্ধিনাথ মন্দির এলাকায় ১৫ দিন ধরে চলবে মেলা, এলাকার বহু মানুষজন উপস্থিত হন এই মেলাতে, উপস্থিত ছিলেন যোগী বিজয়নাথ জী মহারাজ ও যোগী শুকদেব নাথজী।

মন্দির ও মেলায় ভির্জন দাদাকে অগণিত ভক্ত এবং দূর দূরান্ত থেকে সাধু-সন্ততীরা, সাধু সন্ততীরা একে একে পুজো দিয়ে তারা গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন, এছাড়া বহু দূর দূরান্ত থেকে তাহাদের মনস্কামনা পূর্ণ করতে এই মন্দিরে উপস্থিত হয় পুজো দেয়ার জন্য। এবং যে যার মনস্কামনা করে তা পূর্ণ লাভ করে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

৮০০ বছর আগে খোঁজ পাওয়া যায়, কপিলমুনি সিদ্ধিনাথ রূপে পাঁশকুড়া যেখানে গুপ্ত সাধনা করেছিলেন

Update Time : ০৪:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
blank
blank

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, পশ্চিমবঙ্গ

আজ ১৪ই জানুয়ারী মঙ্গলবার, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকে অঞ্চলে, কপিলমুনি সিদ্ধিনাথ রূপে পাঁশকুড়ার শ্যামসুন্দরপুর পাটনাতে গুপ্ত সাধনা করেছিলেন, আর তারি খোঁজ পাওয়া যায় ৮০০ বছর আগে।।

কপিল মুনি সাধনা করার সময় পাশে একটি কুন্ড খুলেছিলেন, কথিত আছে সেই কুন্ডে তিনি গঙ্গা দেবীর দর্শন পেয়েছেন, সেই কুন্ডটি সিদ্ধিনাথ কুণ্ডু নামে পরিচিত লাভ পেয়েছে।

প্রচলিত আছে নিঃসন্তান মহিলারা ওই কুণ্ডে স্নান করে পুজো দিলে তাদের সন্তান লাভ হয়, মনস্কামনা পূর্ণ হয়। প্রতিবছর এই সিদ্ধিনাথ মন্দিরে মকর সংক্রান্তি দিন চলে উৎসব। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার শ্যামসুন্দরপুরে।

পাশাপাশি ভিন রাজ্য থেকে উপস্থিত হন সাধু সন্ন্যাসীরা এই সিদ্ধিনাথ মন্দিরে , মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর এই সমস্ত সাধুসন্তরা রওনা হন গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির আশ্রমের পথে,

পাঁশকুড়া ব্লকের অন্তর্গত শ্যামসুন্দরপুর পাটনা গ্রামে এই সিদ্ধিনাথ মন্দির এলাকায় ১৫ দিন ধরে চলবে মেলা, এলাকার বহু মানুষজন উপস্থিত হন এই মেলাতে, উপস্থিত ছিলেন যোগী বিজয়নাথ জী মহারাজ ও যোগী শুকদেব নাথজী।

মন্দির ও মেলায় ভির্জন দাদাকে অগণিত ভক্ত এবং দূর দূরান্ত থেকে সাধু-সন্ততীরা, সাধু সন্ততীরা একে একে পুজো দিয়ে তারা গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন, এছাড়া বহু দূর দূরান্ত থেকে তাহাদের মনস্কামনা পূর্ণ করতে এই মন্দিরে উপস্থিত হয় পুজো দেয়ার জন্য। এবং যে যার মনস্কামনা করে তা পূর্ণ লাভ করে।