০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, কৃষকের মুখে হাসি

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩৭ Time View
blank

oppo_0

blank

রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামালঃ

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর, সাগরদাঁড়ী, সাতবাড়িয়া, ত্রিমোহনীসহ প্রায় সব ইউনিয়নের চারপাশের সরিষা ক্ষেতগুলো শুধু সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে। সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির ষড়ঋতুর এ দেশে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যেমনই প্রকৃতির রূপ বদলায়, তেমনি বদলায় ফসলের মাঠ।

কখনো সবুজ, কখনো সোনালি, কখনো বা হলুদ। এমনই ফসলের মাঠ পরিবর্তনের এ পর্যায়ে হলুদ সরিষা ফুলের চাদরে ঢাকা পড়েছে ফসলের মাঠ। বিকেল হলেই মাঠগুলোতে প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে ছবি তুলে অনেকে। সরিষা প্রধানত আবাদ হয় দোঁআশ ও বেলে-দোঁআশ মাটিতে। বর্তমানে সরিষা একটি লাভজনক ফসলে পরিণত হওয়ায় কেশবপুরে ধীরে ধীরে সরিষা আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বছর কেশবপুর উপজেলায় ১৬ হাজার ৫০০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ভয়াবহ বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে চাষ হয়েছে ১১ হাজার ৪৭৫ বিঘা জমিতে। এর পরেও আশানুরূপ ফলনের আশা করেছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সরকারিভাবে ৪ হাজার ১০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। গত বছর এ উপজেলায় ১৬ হাজার ১২৫ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। সে হিসাবে এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ হাজার ৫০০ বিঘা জমি। কিন্তু ভয়াবহ বন্যা আর দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে চলতি বছর সরিষার আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৪৭৫ বিঘা জমিতে। ফলে লক্ষ্যমাত্রায় চেয়ে এ বছর ৫ হাজার ২৫ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ কম হয়েছে। কৃষকের মাঠে আগাম জাতের বারি সরিষা চাষে ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, চলতি বছরে ১৬ হাজার ৫০০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ভয়াবহ বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৪৭৫ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ অর্জিত হয়েছে। সরিষার চাষ খুব সুন্দর করার জন্য উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি অফিসাররা সার্বক্ষণিক কৃষকের পাশে থেকে সার্বিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। যার ফলে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে সরিষার চাষ খুব সুন্দর হয়েছে। আবহাওয়ার পরিবেশ অনুকূল থাকলে চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি সরিষা উৎপাদন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, কৃষকের মুখে হাসি

Update Time : ১১:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
blank
blank

রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামালঃ

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর, সাগরদাঁড়ী, সাতবাড়িয়া, ত্রিমোহনীসহ প্রায় সব ইউনিয়নের চারপাশের সরিষা ক্ষেতগুলো শুধু সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে। সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির ষড়ঋতুর এ দেশে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যেমনই প্রকৃতির রূপ বদলায়, তেমনি বদলায় ফসলের মাঠ।

কখনো সবুজ, কখনো সোনালি, কখনো বা হলুদ। এমনই ফসলের মাঠ পরিবর্তনের এ পর্যায়ে হলুদ সরিষা ফুলের চাদরে ঢাকা পড়েছে ফসলের মাঠ। বিকেল হলেই মাঠগুলোতে প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে ছবি তুলে অনেকে। সরিষা প্রধানত আবাদ হয় দোঁআশ ও বেলে-দোঁআশ মাটিতে। বর্তমানে সরিষা একটি লাভজনক ফসলে পরিণত হওয়ায় কেশবপুরে ধীরে ধীরে সরিষা আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বছর কেশবপুর উপজেলায় ১৬ হাজার ৫০০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ভয়াবহ বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে চাষ হয়েছে ১১ হাজার ৪৭৫ বিঘা জমিতে। এর পরেও আশানুরূপ ফলনের আশা করেছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সরকারিভাবে ৪ হাজার ১০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। গত বছর এ উপজেলায় ১৬ হাজার ১২৫ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। সে হিসাবে এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ হাজার ৫০০ বিঘা জমি। কিন্তু ভয়াবহ বন্যা আর দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে চলতি বছর সরিষার আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৪৭৫ বিঘা জমিতে। ফলে লক্ষ্যমাত্রায় চেয়ে এ বছর ৫ হাজার ২৫ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ কম হয়েছে। কৃষকের মাঠে আগাম জাতের বারি সরিষা চাষে ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, চলতি বছরে ১৬ হাজার ৫০০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ভয়াবহ বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৪৭৫ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ অর্জিত হয়েছে। সরিষার চাষ খুব সুন্দর করার জন্য উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি অফিসাররা সার্বক্ষণিক কৃষকের পাশে থেকে সার্বিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। যার ফলে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে সরিষার চাষ খুব সুন্দর হয়েছে। আবহাওয়ার পরিবেশ অনুকূল থাকলে চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি সরিষা উৎপাদন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।