
এনামুল কবীর সুমন,বদলগাছী নওগাঁ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসুচি দলের ৩৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর নির্দেশনা থাকলে ও পালনে নেই কোন নেতা।
কতিপয় স্বচেতন নেতা ও ব্যাক্তির সাথে কথা বলে অনুরাগ অনুসুচনা আপসোসের বেদনা প্রকাশ পায় বাক্যে। লোকমান,বাচ্চু, বেলাল সহ কতিপয ব্যাক্তির সাথে বল্লে তারা জানান, র্স্বাধীন দেশের মানুষ যখন অভাব অনটনে জীবন জীবিকা নির্বাহের আপপ্রাণ চেষ্টায় দিনআতীপাত করত, তখনই এদেশের মানুষের সুখের জন্য অবিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে স্বচেষ্টায় ব্যাস্হ ছিল এরশাদ।
দেশের মানুষের জন্য সেবার মান উন্নয়নের। দেশের ৪২ টি মহকুমার কে ভেঙ্গে ৬৪টি জেলায় রূপান্তর করেন এরশাদ ।
১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর-এর মধ্যে ৪৬০ টি উপজেলা পরিষদ সৃষ্টি করে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করেছেন এরশাদএদেশের সাধারণ মানুষের জন্য।
সব রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা ও বাধা অপেক্ষা করে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে সেনাবানী পাঠিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বদুয়ারে উজ্জ্বল করেন এরশাদ, দেশের উন্নয়নের চলার পথ সহজ হয়েছে।
এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের আগে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে ও রবিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। তিনি গরিবের হজ ‘জুমার নামাজ’ কে প্রাধান্য দিয়ে শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঘোষণা করেন।আজও তার নজির।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের জন্য বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা দেন পল্লীবন্ধু এরশাদ।সেই সাথে অন্যাঅন্য ধর্মের মূল্য মর্যাদার নিতিমালা করেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা সহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করেছিলেন।
বাঙালির জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ। এ ছুটির পরই বাঙালিরা এ দিনকে আরও বর্ণিলভাবে উদযাপন করতে শুরু করে।
বিচারব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, রংপুর, যশোর, কুমিল্লা, বরিশাল, সিলেট এবং চট্টগ্রাম সহ ৬টি হাইকোর্টে ব্রেঞ্চ সম্প্রসারণ করেন এরশাদ।
বিচারব্যবস্থা দ্রুত করতে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি দণ্ডবিধি এবং ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করেন পল্লীবন্ধু।
বিচারব্যবস্থাকে আরও বেগবান করতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মুনসেফ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন এরশাদ।
চট্টগ্রাম পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তার এমন পদক্ষেপের পরই বাণিজ্যিক ভাবে শহরে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বেগবান হয়।
নানাসময়ে পাবর্ত্য উপজাতিদের কেউ কেউ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদ্রোহী কাজে জড়িয়ে পড়েছিল। পরে তাদের অনেকেই আত্মসমর্পণ করে। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এসব আত্মসমর্পণকারী পার্বত্য উপজাতিদের সাধারণ ক্ষমা এবং পুনর্বাসনে বিশ্বেষ সুবিধার ব্যবস্থা করেছিলেন।
গণমাধ্যম সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় প্রেস কমিশন গঠন করেন এরশাদ। এ ছাড়া রেডিও ও টেলিভিশন একত্রীকরণের মাধ্যমে জাতীয় সম্প্রচার সেল ও গঠন করেন।
গনমাধ্যম কে সরকার নিয়ন্ত্রিত দি বাংলাদেশ অবজারভার ও চিত্রালীতে পূর্বতন মালিকানায় ফিরিয়ে দেন এরশাদ।
গণমাধ্যমের জন্য
দৈনিক বাংলা, বিচিত্রা এবং বাংলাদেশ টাইমসের স্বাধীন ব্যবস্থাপনার জন্য ‘দৈনিক বাংলা ট্রাস্ট’ ও ‘বাংলাদেশ টাইমস ট্রাস্ট’ নামে দুটি ট্রাস্ট গঠন করেন।
দেশের সড়ক সহ উন্নয়ন গতি বাড়ানোর লক্ষে এলজিডি দপ্তর প্রষ্ঠিত করেন। তিনি যমুনা সেতুর নাম দিয়েছিলেন যমুনা বহুমূখী সেতু। দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে ততকালীন মহকূমার আলী ইমামের পরিকল্পনার অন্যতম চেতনা বরেন্দ্র প্রকল্পের সার্বিক উপকারিতা মহান সংসদে নওগাঁর সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এস এ হুমায়ুন কবির চৌধুরী উপস্থাপন করেন, তিনি বরেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্হাপন করে কৃষকের ভাগ্য বদল করে মূখে হাসি ফুটিয়েছেন।
দেশের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য টনকে টন গম চার বরাদ্দের মাধ্যমে জেলা থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে ইউনিয়ন, ইউনিয়ন থেকে গ্রাম পাড়া মহল্লার রাস্তা গুলি নির্মান করে পল্লী বন্ধু উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ৪৬০ টি উপজেলার ন্যায় বদলগাছী সরকারি ডিগ্রি কলেজ করেছিলেন, নৌকায় পারারে দূর্ভোগের হাত থেকে উপজেলা বাসী কে রক্ষার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বেলি ব্রিজ নির্মান করেন। দেশের মহাসড়ক গুলো তার হাতে গড়া অবদান। বদলগাছী উপজেলার পাহাড় পুর বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নে প্রথম বাউন্ডারি সহ যাদুঘর সহ সরকারি কোয়ার্টার তৈরি করেছেন।
তিনি কৃষি উন্নয়নে প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষি উপসহকারী কেন্দ্র ও বি,এস, কোয়ার্টার স্হাপন করেন। বিনা জামানতে কৃষি লোন চালু করেছিলেন।
আজকে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার জাতীয় পার্টি নেতারা নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন দলে গেছে। ১৯৯৪ সালে বদলগাছী উপজেলার জাতীয় পার্টির সুদক্ষ সাহসিক নেতা হাসেম রেজা টগর কে উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় জমি সংক্রান্ত জেরে দিবালোকে গুলি করে হত্যা করার পর থেকে অধিকাংশ নেতারা নিজেকে গুটিয়ে দল ছুট হন।
উপজেলার কতিপয় স্বচেতন মহল জানান এউপজেলায় জাতীয় পার্টির ব্যাপক শক্তি শালী সংগঠন ছিল। বড় বড় নেতাদেরকে সাবেক ডেপুটি স্পীকার আক্তার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কোলাকৌশলে এবং মামলায় জারানোর হয়রানি থেকে বিভিন্ন নেতা বিভিন্ন দলে চলে যান।ফলে জাতীয় পার্টি নেতারা ১৯৯৭ সালের পর আর কোন কাউন্সিল অধিবেশন করতে পারে নাই। উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে কোন প্রকার কমিটি নেই, নামে মাএ দু-চারজন। উপজেলা কমিটির কথা নেই, উপজেলা কমিটি করার মতো কোন ভালো মুখ বা সাহসী নেতা নেই বলে জাতীয় পার্টির কিছু সমর্থক সুএে জানা যায়। জাতীয় কর্মসুচি পালন বিষয়ে উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা বাচ্চু সহ কযজন জানান সাংগঠিন শক্ত লোক না থাকায় এলোমেলো সব নেতারা। সাবেক উপজেলা সাধারণ সম্পাদক বেলাল জানান জেলা কমিটির সঠিক সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বের অবহেলা।
পাহাড় পুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন,সহ সভাপতি নূর ইসলাম বলেন জেলার সাংগঠনিক অবস্থা শক্তিশালী না থাকায় উপজেলায় ভালো নেতা শুন্য।
উপজেলার কতিপয় স্বচেতন মহল জানান সারাদেশের ন্যায় বদলগাছী উপজেলায় এরশাদের অনেক অনেক অবদান স্মৃতি কিন্তু সাবেক নেতারা বা ভালো মুখ এমপি প্রার্থী হিসেবে আসলে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক অবস্থা শক্তিশালী হবে আশাবাদী।
উক্ত বিষয়ে জেলার আহবায়ক এ্যাডঃ তোফাজ্জল হোসেনের কাছে জানতে বদলগাছী মডেল প্রেসক্লাবের যুগ্নসাধারন সম্পাদক ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।











