০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজাপুরে অসময়ের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে আধাপাকা ধান

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৯৬ Time View
blank
blank

সাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টারঃ

রাজাপুরে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নিচু এলাকার পাকা ও আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে। ধান নষ্টের আশঙ্কায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। যদিও কৃষি বিভাগ বলছে, দু-এক দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে। এদিকে ক্ষেতে ধান তলিয়ে থাকলেও তা কাটার জন্য শ্রমিক মিলছে না। কৈবর্তখালী গ্রামের কৃষক মান্নান জানান, ধান কাঁদা মাটির সঙ্গে লেপটে আছে। নিচু এলাকার ধান পানির নিচে। আবহাওয়ার দ্রুত উন্নতি না হলে ধান কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হবে না। একই গ্রামের ইসা সিকদার ও তামিম বলেন, শ্রমিক সংকটের কারণে তলিয়ে যাওয়া ধান তুলতে বেগ পেতে হচ্ছে। দ্রুত পানি না কমলে ধানের চিটার পরিমাণ বেশি হবে। খড়কুটা পচে যাওয়ায় গরুকেও খাওয়ানো যাবে না। এতে লোকসানের মুখে পড়বেন তারা। ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মনিরুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে প্রতি হেক্টরে আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ দশমিক ৯০ টন। উৎপাদন হয়েছে ৩ টন। ফলন ভালো হয়েছে। বৃষ্টিতে ধানের সামান্য ক্ষতি হতে পারে। তবে আবওহাওয়ার উন্নতি হচ্ছে। দ্রুত পানি সরে গেলে এ ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

কেশবপুরে জমি দখলের চেষ্টায় সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর, ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রাজাপুরে অসময়ের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে আধাপাকা ধান

Update Time : ০৫:৪৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

সাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টারঃ

রাজাপুরে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নিচু এলাকার পাকা ও আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে। ধান নষ্টের আশঙ্কায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। যদিও কৃষি বিভাগ বলছে, দু-এক দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে। এদিকে ক্ষেতে ধান তলিয়ে থাকলেও তা কাটার জন্য শ্রমিক মিলছে না। কৈবর্তখালী গ্রামের কৃষক মান্নান জানান, ধান কাঁদা মাটির সঙ্গে লেপটে আছে। নিচু এলাকার ধান পানির নিচে। আবহাওয়ার দ্রুত উন্নতি না হলে ধান কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হবে না। একই গ্রামের ইসা সিকদার ও তামিম বলেন, শ্রমিক সংকটের কারণে তলিয়ে যাওয়া ধান তুলতে বেগ পেতে হচ্ছে। দ্রুত পানি না কমলে ধানের চিটার পরিমাণ বেশি হবে। খড়কুটা পচে যাওয়ায় গরুকেও খাওয়ানো যাবে না। এতে লোকসানের মুখে পড়বেন তারা। ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মনিরুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে প্রতি হেক্টরে আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ দশমিক ৯০ টন। উৎপাদন হয়েছে ৩ টন। ফলন ভালো হয়েছে। বৃষ্টিতে ধানের সামান্য ক্ষতি হতে পারে। তবে আবওহাওয়ার উন্নতি হচ্ছে। দ্রুত পানি সরে গেলে এ ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।