০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীত মৌসুমের নতুন সবজিতে বাজার ছয়লাভ হলেও এখনো কমেনি সবজির দাম

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৪৪ Time View
blank
blank

এস এম এ গোফরান,স্টাফ রিপোর্টার:-

শীত মৌসুমের নতুন সবজিতে বাজার ছয়লাভ হলেও এখনো কমেনি সবজির দাম, একটি প্রবাদ আছে আগের দিনে পকেট ভরে টাকা নিয়ে বাজরে গিয়ে বস্থাভরে বাজার কিনতেন,
আর এখন দেখছি, বস্থায় ভরে টাকা নিয়ে, বাজারে গেলে পকেট ভর্তি মালামল কিনতে হয় ক্রেতাদের। আমারা জানি বছরের এই সময়ে দেশের গ্রাম গঞ্জের  সবখানেই তরি তরকারির চাষাবাদ চলে পাশাপাশি বাজারেও দেখামিলে প্রচুর তরকারি তবুও কমছেনা দাম। আগের তুলনায় দু- থেকে তিন গুন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রতিটি তরকারির মুল্য যেমন আলু কেজি ৮০ থেকে ১০০ টমেটো কেজি ১৪০ টাকা গাজর ১২০ টাকা সিম ১৫০ মিষ্টি কুমড়ো ৬০ টাকা লাউয়ের পিছ ৮০ থেকে ১০০ টাকা এরকম অন্য সব কাচামাল সহ সবকিছুরই দাম বৃদ্ধিতে বাজার করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হছে সাধারণ ক্রেতাদের। এদের মধ্যে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মধ্যোবিত্ব ও নিম্ম আয়ের পরিবার গুলোর। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে দিনমজুর যে-মন গার্মেন্টস শ্রমিক নির্মান শ্রমিক গাড়িচালক সহ বিভিন্ন পেসার খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষ গুলো। সরজমিনে দেখা মিলেছে আশুলিয়ার এলাকার একটি বাজার এখানে দেখা যায় অন্য সব বাজারের তুলনায় ভিন্নচিত্র এর কারন যেমন এখন বিকেল ৫ টায় একসাথে এলাকার কয়েকটি গার্মেন্টসের ছুটি হয়েছে এজন্য বাজারটিতে ক্রেতাদের সংখ্যা প্রচুর তবে বাজারটিতে পুরুষ ক্রেতার তুলনায় মহিলাই একটু বেশি এবং সবাই এখন অনেক ব্যাস্ত কেনাকাটায় ব্যাস্ত এর মাঝেও কথাহয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে এরা হলো মেরিনা মৌসুমি ও মরিয়ম সবাই গার্মেন্টস কর্মী ইয়ারপুর এলাকার ডেকো, মেডলার, হামিম সার্মিন সহ বিভিন্ন গার্মেন্টসের শ্রমিক তারা সবাই। বাজারে দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে কথা বলেন একজন প্রথমেই বলেন কি আর বলবো মাস শেষে আমরা যে বেতন পাচ্ছি তাতে কিভাবে চলবো জানিনা! মাস গেলে আমারা যে বেতন পাচ্ছি তা-দিয়ে ঘরভাড়া দিয়ে সামান্য টাকা হাতে থাকে এতে আমাদেরই চলতে কষ্ট হয় বাড়িতে টাকা পাঠাতেও পারিনা, সব জিনিসপত্রের দাম এতো বৃদ্ধিপেয়েছে। আপনারাই দেখছেন একটা লাউয়ের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করল্লার দাম কেজিতে ৮০ ভেকে ১০০ টাকা, ভেন্ডি ১০০ টাকা পোটোল পেপে বেগুন সহ সব শাক সবজির একই অবস্থা অন্যদিকে আলু পেয়াজ সোয়াভিন তৈল মশুরের ডাউল সহ সবকিছুই আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বহিরে। আর একজনে বলেন এতো দিন বাজারের সবচাইতে সস্তায় পাইতাম  পাঙ্গাশ মাছ রাক্ষস মাগুর, নয়তো পল্টি মুর্গী অথবা ডিম তারও দাম বৃদ্ধির কারনে আর কিনতে  হবেনা তারও দাম দেড়গুন হয়েছে। এরা সকলেই বলেন আমাদের মাসিক আয়ের চেয়ে সব কিছুরই ক্রয় মুল্য বেশি তাই সবকিছুই আমাদের ক্রয়ে ক্ষমতার বাহিরে। আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ীয়েরা সরকার পরিবর্তনের দোহাই দিয়ে, অতি মুনাফার লোভে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে, সবকিছুরই দাম বাড়াচ্ছে! এসব দেখার বা মনিটরিং করার দরকার। আপনারাই একবার ভাবুন তো? এখনই বাজারের এ অবস্থা আগামীতে কি হবে? । সিন্ডিকেট তৈয়ারি সাথে যাহারাই জড়িত এদেরকে আইনের আওতায় আনতে না পারলে আগামীতে আরো ভয়াবহ হবে আমরা মনে করি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

শীত মৌসুমের নতুন সবজিতে বাজার ছয়লাভ হলেও এখনো কমেনি সবজির দাম

Update Time : ১১:২৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

এস এম এ গোফরান,স্টাফ রিপোর্টার:-

শীত মৌসুমের নতুন সবজিতে বাজার ছয়লাভ হলেও এখনো কমেনি সবজির দাম, একটি প্রবাদ আছে আগের দিনে পকেট ভরে টাকা নিয়ে বাজরে গিয়ে বস্থাভরে বাজার কিনতেন,
আর এখন দেখছি, বস্থায় ভরে টাকা নিয়ে, বাজারে গেলে পকেট ভর্তি মালামল কিনতে হয় ক্রেতাদের। আমারা জানি বছরের এই সময়ে দেশের গ্রাম গঞ্জের  সবখানেই তরি তরকারির চাষাবাদ চলে পাশাপাশি বাজারেও দেখামিলে প্রচুর তরকারি তবুও কমছেনা দাম। আগের তুলনায় দু- থেকে তিন গুন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রতিটি তরকারির মুল্য যেমন আলু কেজি ৮০ থেকে ১০০ টমেটো কেজি ১৪০ টাকা গাজর ১২০ টাকা সিম ১৫০ মিষ্টি কুমড়ো ৬০ টাকা লাউয়ের পিছ ৮০ থেকে ১০০ টাকা এরকম অন্য সব কাচামাল সহ সবকিছুরই দাম বৃদ্ধিতে বাজার করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হছে সাধারণ ক্রেতাদের। এদের মধ্যে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মধ্যোবিত্ব ও নিম্ম আয়ের পরিবার গুলোর। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে দিনমজুর যে-মন গার্মেন্টস শ্রমিক নির্মান শ্রমিক গাড়িচালক সহ বিভিন্ন পেসার খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষ গুলো। সরজমিনে দেখা মিলেছে আশুলিয়ার এলাকার একটি বাজার এখানে দেখা যায় অন্য সব বাজারের তুলনায় ভিন্নচিত্র এর কারন যেমন এখন বিকেল ৫ টায় একসাথে এলাকার কয়েকটি গার্মেন্টসের ছুটি হয়েছে এজন্য বাজারটিতে ক্রেতাদের সংখ্যা প্রচুর তবে বাজারটিতে পুরুষ ক্রেতার তুলনায় মহিলাই একটু বেশি এবং সবাই এখন অনেক ব্যাস্ত কেনাকাটায় ব্যাস্ত এর মাঝেও কথাহয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে এরা হলো মেরিনা মৌসুমি ও মরিয়ম সবাই গার্মেন্টস কর্মী ইয়ারপুর এলাকার ডেকো, মেডলার, হামিম সার্মিন সহ বিভিন্ন গার্মেন্টসের শ্রমিক তারা সবাই। বাজারে দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে কথা বলেন একজন প্রথমেই বলেন কি আর বলবো মাস শেষে আমরা যে বেতন পাচ্ছি তাতে কিভাবে চলবো জানিনা! মাস গেলে আমারা যে বেতন পাচ্ছি তা-দিয়ে ঘরভাড়া দিয়ে সামান্য টাকা হাতে থাকে এতে আমাদেরই চলতে কষ্ট হয় বাড়িতে টাকা পাঠাতেও পারিনা, সব জিনিসপত্রের দাম এতো বৃদ্ধিপেয়েছে। আপনারাই দেখছেন একটা লাউয়ের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করল্লার দাম কেজিতে ৮০ ভেকে ১০০ টাকা, ভেন্ডি ১০০ টাকা পোটোল পেপে বেগুন সহ সব শাক সবজির একই অবস্থা অন্যদিকে আলু পেয়াজ সোয়াভিন তৈল মশুরের ডাউল সহ সবকিছুই আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বহিরে। আর একজনে বলেন এতো দিন বাজারের সবচাইতে সস্তায় পাইতাম  পাঙ্গাশ মাছ রাক্ষস মাগুর, নয়তো পল্টি মুর্গী অথবা ডিম তারও দাম বৃদ্ধির কারনে আর কিনতে  হবেনা তারও দাম দেড়গুন হয়েছে। এরা সকলেই বলেন আমাদের মাসিক আয়ের চেয়ে সব কিছুরই ক্রয় মুল্য বেশি তাই সবকিছুই আমাদের ক্রয়ে ক্ষমতার বাহিরে। আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ীয়েরা সরকার পরিবর্তনের দোহাই দিয়ে, অতি মুনাফার লোভে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে, সবকিছুরই দাম বাড়াচ্ছে! এসব দেখার বা মনিটরিং করার দরকার। আপনারাই একবার ভাবুন তো? এখনই বাজারের এ অবস্থা আগামীতে কি হবে? । সিন্ডিকেট তৈয়ারি সাথে যাহারাই জড়িত এদেরকে আইনের আওতায় আনতে না পারলে আগামীতে আরো ভয়াবহ হবে আমরা মনে করি।