০৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুদের ভয়াবহ পরিণতি

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৩৯ Time View
blank
blank

মাওঃমো.এমরুল ইসলাম,ধর্মীয় শিক্ষক,খিদিরপুর কিন্ডারগার্টেন এণ্ড হাই স্কুল খিদিরপুর,মনোহরদী,নরসিংদীঃ

সুদ শব্দটি উর্দু। আরবি প্রতিশব্দ ‘রিবা’। সুদকে ইংরেজিতে বলা হয় ইন্টারেস্ট (interest)।

‘রিবা’ অর্থ বেশি হওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া,অতিরিক্ত, সম্প্রসারণ, মূল থেকে বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

সুদ ও ব্যবসার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হলো, ব্যবসাতে পণ্যের বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা এক জাতের পণ্যের বিপরীতে ভিন্ন জাতের পণ্য আদান-প্রদান হয়।

কোরআনের অনেক জায়গায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুদ হারাম বলে ঘোষণা করেছেন। রাসুল (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে অভিশাপ দিয়েছেন।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেও না। আল্লাহকে ভয় করো। তাহলে তোমরা সফল হতে পারবে।(সুরা: আল ইমরান,আয়াত: ১৩০)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন,
মানুষের সম্পদ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তোমরা যে সুদ দিয়ে থাকো আল্লাহর দৃষ্টিতে তা সম্পদ বৃদ্ধি করে না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তোমরা যে জাকাত দিয়ে থাকো তা তোমাদের সম্পদ বৃদ্ধি করে। প্রকৃতপক্ষে জাকাত প্রদানকারীরাই সমৃদ্ধি আনে। (সুরা: রূম, আয়াত: ৩৯)

মহানবী (সা.) সুদের শাস্তির ভয়াবহতা নিয়ে বলেন, মেরাজের রাতে আমি এমন একটি দল অতিক্রম করেছি যাদের পেট ঘরের মতো (বড়)। ভেতরে অনেক সাপ। যা পেটের বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছিল। আমি বললাম, হে জিবরাইল! এরা কারা? তিনি উত্তর দিলেন, এরা আপনার উম্মতের সুদখোর লোক। (ইবনে মাজাহ ২২৭৩)

নবী সা. আরো বলেন, আমরা (আমি, জিবরাইল (আ.) ও মিকাইল (আ.) চলতে চলতে একটি রক্ত নদীর পাড়ে পৌঁছলাম। নদীর মাঝে এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। তীরে দাঁড়িয়ে আছে আর একজন। তার কাছে কিছু পাথর আছে। নদীর ভেতরের লোকটি তীরে এসে যখনই পাড়ে উঠার চেষ্টা করে তখনই তীরের লোকটি তার মুখ বরাবর পাথর ছুড়ে তাকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেয়। যতবার উঠার জন্য অগ্রসর হচ্ছে ততবারই মুখের ওপর পাথর ছুড়ে পূর্বের জায়গায় ফিরিয়ে দিচ্ছে। আমি বললাম, এ কে? তারা (জিবরাইল (আ.) ও মিকাইল(আ.) উত্তর দিলেন, নদীর ভেতরের লোকটি একজন সুদখোর। (বোখারি ২০৮৫)

শুধু তাই নয়, রাসুল (সা.) সুদখোরকে, সুদ দাতাকে, সুদের লেখককে, সাক্ষীকে অভিশাপ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এরা সবাই সমান অপরাধী। (মুসলিম ৪১৭৭)

‘যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতোই। অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৫) আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং সদকাহকে বৃদ্ধি দেন। (সুরা: বাকারা, আয়াত ২৭৬)

সুদ কেন হারাম

শরিয়তের পরিভাষায় সুদের সংজ্ঞা হলো, একই শ্রেণিভুক্ত দুটি জিনিসের পরস্পর আদান-প্রদান করার সময় একজনের অপরজনের কাছ এমন বেশি নেয়া যাতে এ বেশি অংশের বিনিময়ে কোনো জিনিস থাকে না। (আল বুনূকুল ইসলামিয়্যাহ বাইনান নাযারিয়্যাতি অত্তাত্ববীক্ব ৪৪ পৃষ্ঠা)

ফিকহে ইসলামির গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ ‘ফতোয়া আলামগিরি’তে সুদের সংজ্ঞা এভাবে দিয়েছে, এক মালের বদলে অন্য মালের আদান-প্রদানকালে সেই অতিরিক্ত (নেয়া) মালকে সুদ বলা হয়; যার কোন বিনিময় থাকে না।

ফিকহের আরেকটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ‘হেদায়া’ তে সুদের সংজ্ঞা এইভাবে করা হয়েছে, ‘লেন-দেন করার সময় সেই অতিরিক্ত মালকে সুদ বলা হয়; যা কোনো একপক্ষ শর্ত অনুসারে কোনো বিনিময় ছাড়াই লাভ করে থাকে।’

মূল থেকে যে পরিমাণ অংশ বেশি নেয়া বা দেয়া হবে সেটাকেই সুদ বলা হবে। সুতরাং সুদের সংজ্ঞা সহজে বলতে পারি, ঋণে দেয়া মূল অর্থের চেয়ে সময়ের বিনিময়ে যে অতিরিক্ত অর্থ শর্ত ও নির্দিষ্টরূপে নেয়া হয় তার নাম হলো সুদ।

মূল অর্থ থেকে কিছু বৃদ্ধি, সময়ের দৈর্ঘ্য অনুসারে বৃদ্ধির পরিমাণ নির্ধারণ এবং এই লেন-দেনে বৃদ্ধি শর্ত হওয়া, এই তিন উপাদানে গঠিত বস্তুর নাম সুদ। আর প্রত্যেক সেই ঋণের আদান-প্রদান যার মধ্যে উক্ত তিন প্রকার৬ উপাদান পাওয়া যাবে তাকে সুদি আদান-প্রদান বা কারবার বলা হবে।

এখানে দেখার বিষয় এ নয় যে, সে ঋণ ব্যবসার জন্য নেয়া হয়েছে অথবা ব্যক্তিগত প্রয়োজন বা অভাব পূরণ করার উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে। সেই ঋণগ্রহীতা ব্যক্তি গরিব নাকি ধনী, কোম্পানি নাকি সরকার। সে যাই হোক না কেন, অনুরূপ ঋণের কারবার সুদের কারবার বলে গণ্য হবে।

সুদ ও ব্যবসার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হলো, ব্যবসাতে পণ্যের বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা এক জাতের পণ্যের বিপরীতে ভিন্ন জাতের পণ্য আদান-প্রদান হয়। কিন্তু সুদের কারবারে মুদ্রার বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা স্বজাতের পণ্য আদান-প্রদান করা হয়। ব্যবসাতে বিনিময় সুনির্দিষ্ট হয় এবং পরবর্তীতে সময়ের তারতম্যে বিনিময়ের পরিমাণে কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি পায় না। কিন্তু সুদের কারবারে বিনিময় সুনির্দিষ্ট হয় না বরং হার নির্দিষ্ট হয়। সময়ের তারতম্যে বিনিময়ের মোট পরিমাণে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।

সুদ বর্জন করে ব্যবসা ও উন্নয়নের গতিকে বহমান রাখার জন্য ইসলাম অনুমোদিত পন্থাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পন্থা হলো, মুজারাবা, মুশারাকা, আকদে ইজারা, আকদে ইসতিসনা, বাইয়ে সলম, বাইয়ে মুরাবাহা ও মুআজ্জাল।

সুদের ব্যাপারে ইসলাম যত বেশি কঠোর কথা বলেছে অন্য কোনো গুনাহর ব্যাপারে তত বেশি কঠোর কথা বলেনি।

আল্লাহ্ তা,য়ালা সকলকে সুদ বর্জন করে কুরআন-সুন্নাহ্ মোতাবেক চলার তৌফিক দান করুক। আমিন

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

সুদের ভয়াবহ পরিণতি

Update Time : ০৫:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

মাওঃমো.এমরুল ইসলাম,ধর্মীয় শিক্ষক,খিদিরপুর কিন্ডারগার্টেন এণ্ড হাই স্কুল খিদিরপুর,মনোহরদী,নরসিংদীঃ

সুদ শব্দটি উর্দু। আরবি প্রতিশব্দ ‘রিবা’। সুদকে ইংরেজিতে বলা হয় ইন্টারেস্ট (interest)।

‘রিবা’ অর্থ বেশি হওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া,অতিরিক্ত, সম্প্রসারণ, মূল থেকে বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

সুদ ও ব্যবসার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হলো, ব্যবসাতে পণ্যের বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা এক জাতের পণ্যের বিপরীতে ভিন্ন জাতের পণ্য আদান-প্রদান হয়।

কোরআনের অনেক জায়গায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুদ হারাম বলে ঘোষণা করেছেন। রাসুল (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে অভিশাপ দিয়েছেন।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেও না। আল্লাহকে ভয় করো। তাহলে তোমরা সফল হতে পারবে।(সুরা: আল ইমরান,আয়াত: ১৩০)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন,
মানুষের সম্পদ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তোমরা যে সুদ দিয়ে থাকো আল্লাহর দৃষ্টিতে তা সম্পদ বৃদ্ধি করে না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তোমরা যে জাকাত দিয়ে থাকো তা তোমাদের সম্পদ বৃদ্ধি করে। প্রকৃতপক্ষে জাকাত প্রদানকারীরাই সমৃদ্ধি আনে। (সুরা: রূম, আয়াত: ৩৯)

মহানবী (সা.) সুদের শাস্তির ভয়াবহতা নিয়ে বলেন, মেরাজের রাতে আমি এমন একটি দল অতিক্রম করেছি যাদের পেট ঘরের মতো (বড়)। ভেতরে অনেক সাপ। যা পেটের বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছিল। আমি বললাম, হে জিবরাইল! এরা কারা? তিনি উত্তর দিলেন, এরা আপনার উম্মতের সুদখোর লোক। (ইবনে মাজাহ ২২৭৩)

নবী সা. আরো বলেন, আমরা (আমি, জিবরাইল (আ.) ও মিকাইল (আ.) চলতে চলতে একটি রক্ত নদীর পাড়ে পৌঁছলাম। নদীর মাঝে এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। তীরে দাঁড়িয়ে আছে আর একজন। তার কাছে কিছু পাথর আছে। নদীর ভেতরের লোকটি তীরে এসে যখনই পাড়ে উঠার চেষ্টা করে তখনই তীরের লোকটি তার মুখ বরাবর পাথর ছুড়ে তাকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেয়। যতবার উঠার জন্য অগ্রসর হচ্ছে ততবারই মুখের ওপর পাথর ছুড়ে পূর্বের জায়গায় ফিরিয়ে দিচ্ছে। আমি বললাম, এ কে? তারা (জিবরাইল (আ.) ও মিকাইল(আ.) উত্তর দিলেন, নদীর ভেতরের লোকটি একজন সুদখোর। (বোখারি ২০৮৫)

শুধু তাই নয়, রাসুল (সা.) সুদখোরকে, সুদ দাতাকে, সুদের লেখককে, সাক্ষীকে অভিশাপ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এরা সবাই সমান অপরাধী। (মুসলিম ৪১৭৭)

‘যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতোই। অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৫) আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং সদকাহকে বৃদ্ধি দেন। (সুরা: বাকারা, আয়াত ২৭৬)

সুদ কেন হারাম

শরিয়তের পরিভাষায় সুদের সংজ্ঞা হলো, একই শ্রেণিভুক্ত দুটি জিনিসের পরস্পর আদান-প্রদান করার সময় একজনের অপরজনের কাছ এমন বেশি নেয়া যাতে এ বেশি অংশের বিনিময়ে কোনো জিনিস থাকে না। (আল বুনূকুল ইসলামিয়্যাহ বাইনান নাযারিয়্যাতি অত্তাত্ববীক্ব ৪৪ পৃষ্ঠা)

ফিকহে ইসলামির গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ ‘ফতোয়া আলামগিরি’তে সুদের সংজ্ঞা এভাবে দিয়েছে, এক মালের বদলে অন্য মালের আদান-প্রদানকালে সেই অতিরিক্ত (নেয়া) মালকে সুদ বলা হয়; যার কোন বিনিময় থাকে না।

ফিকহের আরেকটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ‘হেদায়া’ তে সুদের সংজ্ঞা এইভাবে করা হয়েছে, ‘লেন-দেন করার সময় সেই অতিরিক্ত মালকে সুদ বলা হয়; যা কোনো একপক্ষ শর্ত অনুসারে কোনো বিনিময় ছাড়াই লাভ করে থাকে।’

মূল থেকে যে পরিমাণ অংশ বেশি নেয়া বা দেয়া হবে সেটাকেই সুদ বলা হবে। সুতরাং সুদের সংজ্ঞা সহজে বলতে পারি, ঋণে দেয়া মূল অর্থের চেয়ে সময়ের বিনিময়ে যে অতিরিক্ত অর্থ শর্ত ও নির্দিষ্টরূপে নেয়া হয় তার নাম হলো সুদ।

মূল অর্থ থেকে কিছু বৃদ্ধি, সময়ের দৈর্ঘ্য অনুসারে বৃদ্ধির পরিমাণ নির্ধারণ এবং এই লেন-দেনে বৃদ্ধি শর্ত হওয়া, এই তিন উপাদানে গঠিত বস্তুর নাম সুদ। আর প্রত্যেক সেই ঋণের আদান-প্রদান যার মধ্যে উক্ত তিন প্রকার৬ উপাদান পাওয়া যাবে তাকে সুদি আদান-প্রদান বা কারবার বলা হবে।

এখানে দেখার বিষয় এ নয় যে, সে ঋণ ব্যবসার জন্য নেয়া হয়েছে অথবা ব্যক্তিগত প্রয়োজন বা অভাব পূরণ করার উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে। সেই ঋণগ্রহীতা ব্যক্তি গরিব নাকি ধনী, কোম্পানি নাকি সরকার। সে যাই হোক না কেন, অনুরূপ ঋণের কারবার সুদের কারবার বলে গণ্য হবে।

সুদ ও ব্যবসার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হলো, ব্যবসাতে পণ্যের বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা এক জাতের পণ্যের বিপরীতে ভিন্ন জাতের পণ্য আদান-প্রদান হয়। কিন্তু সুদের কারবারে মুদ্রার বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা স্বজাতের পণ্য আদান-প্রদান করা হয়। ব্যবসাতে বিনিময় সুনির্দিষ্ট হয় এবং পরবর্তীতে সময়ের তারতম্যে বিনিময়ের পরিমাণে কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি পায় না। কিন্তু সুদের কারবারে বিনিময় সুনির্দিষ্ট হয় না বরং হার নির্দিষ্ট হয়। সময়ের তারতম্যে বিনিময়ের মোট পরিমাণে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।

সুদ বর্জন করে ব্যবসা ও উন্নয়নের গতিকে বহমান রাখার জন্য ইসলাম অনুমোদিত পন্থাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পন্থা হলো, মুজারাবা, মুশারাকা, আকদে ইজারা, আকদে ইসতিসনা, বাইয়ে সলম, বাইয়ে মুরাবাহা ও মুআজ্জাল।

সুদের ব্যাপারে ইসলাম যত বেশি কঠোর কথা বলেছে অন্য কোনো গুনাহর ব্যাপারে তত বেশি কঠোর কথা বলেনি।

আল্লাহ্ তা,য়ালা সকলকে সুদ বর্জন করে কুরআন-সুন্নাহ্ মোতাবেক চলার তৌফিক দান করুক। আমিন