০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরে কলা ব্যবসায়ী বাবু হ*ত্যা*র ঘটনায় দুই ডাকা*ত গ্রে*প্তার

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৫২ Time View
blank
blank

মো. জাকির হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহাসড়কে বস্তা ফেলে ডাকাতিকালে কলা ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক বাবু (৪৫) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গল ও বুধবার রাতে সদরের পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলা সদরের পুষ্টকামুরী সওদাগর পাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং একই গ্রামের মঞ্জু সওদাগরের ছেলে সোহাগ সওদাগর (২৬)। নিহত তোজাম্মেল হক বাবু (৪৫) জয়পুরহাট জেলা সদরের নাজিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (১৫ ডিসেম্বর) কলা ব্যবসায়ী তোফাম্মেল হক বাবু নওগা জেলার পত্নীতলা থেকে পিকআপ যোগে কলা নিয়ে ঢাকার আশুলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকার পুষ্টকামুরী ব্রিজের কাছে পৌঁছালে পিকআপের চালক জুয়েল মহাসড়কের ওপর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন।

এসময় চালক গাড়ি থামিয়ে মহাসড়ক থেকে বস্তা তুলতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সহস্র ডাকাত দল গাড়িতে বসে থাকা কলা ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক বাবুর ওপর হামলা চালায়। এসময় ডাকাতরা তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করার চেষ্টা চালায়। তিনি বাধা দিলে ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তোজাম্মেল হক বাবু গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পিকআপে থাকা নিহত বাবুর চাচাতো ভাই মো. নাহিদ হোসেন ঘটনার পর দিন ১৬ ডিসেম্বর অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনকে আসামী করে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার একদিন পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়া থেকে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করা হলে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। বিল্লালের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামী একই এলাকার সোহাগ সওদাগরকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার সোহাগকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঘটনা ঘটার ১৭ ঘন্টার ব্যবধানে অভিযান চালিয়ে দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তার দেয়া তথ্যে অপর আসামী সোহাগকে গ্রেপ্তার করে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

মির্জাপুরে কলা ব্যবসায়ী বাবু হ*ত্যা*র ঘটনায় দুই ডাকা*ত গ্রে*প্তার

Update Time : ০৫:০১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

মো. জাকির হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহাসড়কে বস্তা ফেলে ডাকাতিকালে কলা ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক বাবু (৪৫) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গল ও বুধবার রাতে সদরের পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলা সদরের পুষ্টকামুরী সওদাগর পাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং একই গ্রামের মঞ্জু সওদাগরের ছেলে সোহাগ সওদাগর (২৬)। নিহত তোজাম্মেল হক বাবু (৪৫) জয়পুরহাট জেলা সদরের নাজিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (১৫ ডিসেম্বর) কলা ব্যবসায়ী তোফাম্মেল হক বাবু নওগা জেলার পত্নীতলা থেকে পিকআপ যোগে কলা নিয়ে ঢাকার আশুলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকার পুষ্টকামুরী ব্রিজের কাছে পৌঁছালে পিকআপের চালক জুয়েল মহাসড়কের ওপর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন।

এসময় চালক গাড়ি থামিয়ে মহাসড়ক থেকে বস্তা তুলতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সহস্র ডাকাত দল গাড়িতে বসে থাকা কলা ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক বাবুর ওপর হামলা চালায়। এসময় ডাকাতরা তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করার চেষ্টা চালায়। তিনি বাধা দিলে ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তোজাম্মেল হক বাবু গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পিকআপে থাকা নিহত বাবুর চাচাতো ভাই মো. নাহিদ হোসেন ঘটনার পর দিন ১৬ ডিসেম্বর অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনকে আসামী করে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার একদিন পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়া থেকে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করা হলে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। বিল্লালের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামী একই এলাকার সোহাগ সওদাগরকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার সোহাগকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঘটনা ঘটার ১৭ ঘন্টার ব্যবধানে অভিযান চালিয়ে দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তার দেয়া তথ্যে অপর আসামী সোহাগকে গ্রেপ্তার করে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।