০২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সখিপুরের বড়চওনা ও বানিয়ারছিট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৬২ Time View
blank
blank

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একই রাতে দুটি বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি বাজারের মোট ১২টি দোকানপাট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের দোকানঘর ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩:৩০ মিনিটে ও রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উপজেলার বড়চওনা ও বানিয়ারছিট বাজারে ঘটে। ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়চওনা বাজারে সোমবার বিকালের দিকে একটি লেপতোষকের দোকান থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। ওই দোকানের আশপাশের আরও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ছড়িয়ে পড়লে তা মূহুর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে সখীপুর ও ঘাটাইল ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা করে নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফায়ার সার্ভিস আসার আগে স্থায়ীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ততক্ষণে বড়চওনা বাজারের ১০টি দোকান ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অন্যদিকে সোমবার রাত ১০টা দিকে উপজেলার বানিয়ারছিট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকানের মালামাল পুড়ে যায়। বড়চওনা বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম বলেন, আগুনে তার ৪টি দোকান ও মালামাল পুড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। হোমিও চিকিৎসক আল শরীফের ৪ লাখ, মজিদ মিয়ার ২লাখ, শাজাহানের খাদ্যপণ্যের দোকানে ১৫ লাখ, ইয়ার মামুদের সাড়ে ৮লাখ, লেপতোষকের দোকানের শাজাহান মিয়ার দুটি দোকান ও মালামাল পুড়ে ১০ লাখ. ঘর মালিক সোহেল রানার মনোহারীর দোকান ও গুদামের মাল পুড়ে প্রায় ২০ লাখ, এনামুলের স্টীলের দোকান পুড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এছাড়াও ওই বাজারের সাইকেল-ইজিবাইক ব্যবসায়ী শাহীন মিয়ার ১০/১২ লাখ ও বিদ্যুতের তার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলামের ৪/৫ লাখ টাকার মালামাল অগ্নিকাণ্ডের সময় লোকজন লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তারা প্রত্যেকেই ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। এখন তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে রাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল রনী তিঁনি পরিদর্শন শেষে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদেরকে যথা সম্ভব সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন এছাড়াও উক্ত অগ্নিকাণ্ড পরিদর্শন করেন পিআইও মো.ওয়াসিম, টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো.শফিকুল ইসলাম ভূইঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সাজু, বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আজহারুল ইসলাম,৬নং কালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম সরকার লাল ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.আশরাফ হোসেন,৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মজিবর রহমান খান,কবি শাহআলম সানি সহ ১০নং বড়চওনা ইউনিয়নের অন্যান্য ইউপি সদস্য সহ এলাকার ও আশে পাশের গ্রামের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন তাঁরা সকলেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মর্মাহত ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

সখিপুরের বড়চওনা ও বানিয়ারছিট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

Update Time : ০৪:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একই রাতে দুটি বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি বাজারের মোট ১২টি দোকানপাট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের দোকানঘর ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩:৩০ মিনিটে ও রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উপজেলার বড়চওনা ও বানিয়ারছিট বাজারে ঘটে। ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়চওনা বাজারে সোমবার বিকালের দিকে একটি লেপতোষকের দোকান থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। ওই দোকানের আশপাশের আরও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ছড়িয়ে পড়লে তা মূহুর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে সখীপুর ও ঘাটাইল ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা করে নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফায়ার সার্ভিস আসার আগে স্থায়ীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ততক্ষণে বড়চওনা বাজারের ১০টি দোকান ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অন্যদিকে সোমবার রাত ১০টা দিকে উপজেলার বানিয়ারছিট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকানের মালামাল পুড়ে যায়। বড়চওনা বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম বলেন, আগুনে তার ৪টি দোকান ও মালামাল পুড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। হোমিও চিকিৎসক আল শরীফের ৪ লাখ, মজিদ মিয়ার ২লাখ, শাজাহানের খাদ্যপণ্যের দোকানে ১৫ লাখ, ইয়ার মামুদের সাড়ে ৮লাখ, লেপতোষকের দোকানের শাজাহান মিয়ার দুটি দোকান ও মালামাল পুড়ে ১০ লাখ. ঘর মালিক সোহেল রানার মনোহারীর দোকান ও গুদামের মাল পুড়ে প্রায় ২০ লাখ, এনামুলের স্টীলের দোকান পুড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এছাড়াও ওই বাজারের সাইকেল-ইজিবাইক ব্যবসায়ী শাহীন মিয়ার ১০/১২ লাখ ও বিদ্যুতের তার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলামের ৪/৫ লাখ টাকার মালামাল অগ্নিকাণ্ডের সময় লোকজন লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তারা প্রত্যেকেই ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। এখন তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে রাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল রনী তিঁনি পরিদর্শন শেষে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদেরকে যথা সম্ভব সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন এছাড়াও উক্ত অগ্নিকাণ্ড পরিদর্শন করেন পিআইও মো.ওয়াসিম, টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো.শফিকুল ইসলাম ভূইঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সাজু, বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আজহারুল ইসলাম,৬নং কালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম সরকার লাল ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.আশরাফ হোসেন,৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মজিবর রহমান খান,কবি শাহআলম সানি সহ ১০নং বড়চওনা ইউনিয়নের অন্যান্য ইউপি সদস্য সহ এলাকার ও আশে পাশের গ্রামের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন তাঁরা সকলেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মর্মাহত ও দুঃখ প্রকাশ করেন।