০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামের অনুশাসন মেনে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান: রামু মাহফিলে ভি.পি বাহাদুর

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৩৪ Time View
blank
blank

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী,কক্সবাজার থেকেঃ

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পূর্ব জুমছড়ি ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ১২ ডিসেম্বর রাত ১১টায় অনুষ্ঠিত হয় ২য় তাফসিরুল কোরান মাহফিল। মাহফিলটি পূর্ব জুমছড়ি তাফসীর ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এক হাজারেরও বেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং সদর জামায়াত ইসলামী নেতা শহীদুল আলম বাহাদুর। তিনি মাহফিলের উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ইসলামই একমাত্র ধর্ম, যা সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। ইসলামের শিক্ষার উপর ভিত্তি করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাই সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার কোন বিকল্প নেই।

এছাড়া, বাহাদুর ইসলামিক নীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ইসলামী শিক্ষার আলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ইসলামের পথ অনুসরণ করলেই ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত হবে।

বিশিষ্ট মুফাস্সিরে কোরান, হাফেজ মাওলানা এমদাদুল হক সুলতানী তার বক্তব্যে বলেন, ইমান ও আমলের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুসলিমের জীবনে সঠিক আক্বিদা ও আমল অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি আল্লাহর কাছে নৈকট্য লাভের পথ প্রশস্ত করে। পাশাপাশি, ইমান ও আমলের চর্চা মানব সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে, যা সমাজে শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।’’

মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা সৈয়দ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গর্জনিয়া এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম হাজী ইসলামের পুত্র শাহীনুর রহমান শাহীন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল জব্বার আল মামুন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম আজাদী এবং মাওলানা আব্দুল মোমেন আল আজাদ। বক্তারা ইসলামের শিক্ষা, আধ্যাত্মিক উন্নতি এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন।

এছাড়া, মাহফিলের বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পর্দার আড়ালে অসংখ্য মা-বোনেরা ওয়াজ শুনতে পেরেছেন। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে মাহফিল শেষে উপস্থিত সকল মুসল্লিদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ কামনা করে শুভেচ্ছা জানানো হয়। মুসল্লিরা মাহফিলের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি, শৃঙ্খলা ও ইসলামী শিক্ষার প্রতি আরো একধাপ এগিয়ে যেতে সংকল্পবদ্ধ হন।

এটি শুধু ধর্মীয় আলোচনা নয়, বরং সামাজিক উন্নতির এবং ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার এক বড় উদাহরণ হয়ে রইল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

ইসলামের অনুশাসন মেনে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান: রামু মাহফিলে ভি.পি বাহাদুর

Update Time : ০৯:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী,কক্সবাজার থেকেঃ

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পূর্ব জুমছড়ি ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ১২ ডিসেম্বর রাত ১১টায় অনুষ্ঠিত হয় ২য় তাফসিরুল কোরান মাহফিল। মাহফিলটি পূর্ব জুমছড়ি তাফসীর ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এক হাজারেরও বেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং সদর জামায়াত ইসলামী নেতা শহীদুল আলম বাহাদুর। তিনি মাহফিলের উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ইসলামই একমাত্র ধর্ম, যা সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। ইসলামের শিক্ষার উপর ভিত্তি করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাই সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার কোন বিকল্প নেই।

এছাড়া, বাহাদুর ইসলামিক নীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ইসলামী শিক্ষার আলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ইসলামের পথ অনুসরণ করলেই ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত হবে।

বিশিষ্ট মুফাস্সিরে কোরান, হাফেজ মাওলানা এমদাদুল হক সুলতানী তার বক্তব্যে বলেন, ইমান ও আমলের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুসলিমের জীবনে সঠিক আক্বিদা ও আমল অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি আল্লাহর কাছে নৈকট্য লাভের পথ প্রশস্ত করে। পাশাপাশি, ইমান ও আমলের চর্চা মানব সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে, যা সমাজে শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।’’

মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা সৈয়দ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গর্জনিয়া এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম হাজী ইসলামের পুত্র শাহীনুর রহমান শাহীন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল জব্বার আল মামুন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম আজাদী এবং মাওলানা আব্দুল মোমেন আল আজাদ। বক্তারা ইসলামের শিক্ষা, আধ্যাত্মিক উন্নতি এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন।

এছাড়া, মাহফিলের বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পর্দার আড়ালে অসংখ্য মা-বোনেরা ওয়াজ শুনতে পেরেছেন। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে মাহফিল শেষে উপস্থিত সকল মুসল্লিদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ কামনা করে শুভেচ্ছা জানানো হয়। মুসল্লিরা মাহফিলের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি, শৃঙ্খলা ও ইসলামী শিক্ষার প্রতি আরো একধাপ এগিয়ে যেতে সংকল্পবদ্ধ হন।

এটি শুধু ধর্মীয় আলোচনা নয়, বরং সামাজিক উন্নতির এবং ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার এক বড় উদাহরণ হয়ে রইল।