
মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব,বিশেষ প্রতিনিধি (ক্রাইম)
দীর্ঘ ১বছর যাবত আমরা তদন্তের মাধ্যমে আমারা প্রতিদিন দুর্নীতির তালাশ টিমের সাংবাদিকগন বাংলাদেশের আনাচে-কানাচেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এসিল্যান্ড ভুমি ও সাব-রেজিষ্টার ও তহসিল অফিসের তহসিলদার, সহকারী তহসিলদার, কর্চারী ও সক্রিয় দালাল চক্র এতটা শক্তিশালী এবং সাব-রেজিষ্টার এর দলীল লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ সকল দলিল লেখক সমিতির সাব-রেজিষ্টার এর সাথে রয়েছে ভীষণ সখ্যতা জমি বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সাব-রেজিষ্টার অফিসে ঢুক্তেই জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের স্বরনাপন্ন হতে হয় দলিল লেখক সমিতির সাথে এবং তারাই কোন জমি কার নামে দলিল হবে শুধুমাত্র সেইটুকু জানালেই আপনার নামে দলিল হবে আর প্রতিদিন সাব-রেজিষ্টার অফিসে ঘুশ লেনদেন হয় ত্রিশ লক্ষ টাকার উপরে এবং সাব-রেজিষ্টার অফিসের সাথে এসিল্যান্ড ভুমি অফিসের তহসিলদারদের সাথে কঠিন যোগসাজশ রেয়েছে যার ফলে একজনের জমির দলিল নামের ভুল করে সাব-রেজিষ্টার এর সাথে সরাসরি দলিল নিয়ে যে যার দলিলে স্বাক্ষর করে দিচ্ছেন সাব-রেজিষ্টার মহোদয়। যার ফলে একজনের জমির দলিল অন্য নামে বা নামের ভুলের জন্য এসিল্যান্ড ভুমি অফিসে ও কোর্ট এর হাজিরা দিতে দিতে বছরের পরে বছর ঘুরেফিরেও সমাধান পায়না ভুক্তভোগী গ্রামের সহজ সরল কৃষক, শ্রমিক এবং বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
এই যে, দুর্নীতি চলে আসছে, চলছে এবং চলবে এর থেকে কি কোন মুক্তি পাবে না বাংলাদেশের কৃষক,শ্রমিক, সাধারণ জনগণক ও সকল শ্রেনী পেশার মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই এবং এই ভোগান্তি দেখার কেউ কি নেই নাকি তহসিলদার, এসিল্যান্ড ভুমি, সাব-রেজিষ্টার ও দলিল লেখক সমিতির সাথে সাব-রেজিষ্টার ও তহসিলদার এর সাথে এসিল্যান্ড ভুমি অফিসের যে সখ্যতা সেটা দীর্ঘ ১বছরের তদন্তের মাধ্যমে আমারা এই পর্যন্ত তথ্য প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছি যে তহসিল অফিসে তহসিলদার তার ইচ্ছেমতো অফিসে আসলে আসে না আসলে নেই এবং এই তহসিলদার একটা মিউটেশন করতে সরকারী ফি (১,১৭০) এগারো শত সত্তর টাকা অথচ তার জন্য ভুক্তভোগী ও জমির মালিককে গুনতে হয় (২০,০০০-১,০০,০০০/-) বিশ হাজার টাকা থেকে এক লক্ষ টাকা তারপরও বছরের পরে বছর ঘুরেফিরেও অনেকে কোন প্রকার সহযোগিতা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী ও বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
আমরা বরিশাল বিভাগের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৩নং দাড়িয়াল ইউনিয়নের তহসিল অফিসে গত সপ্তাহ থেকে অদ্য রোজ মংগলবার তারিখ ৩/১২/২০২৪ ডিসেম্বর ইংরেজি তারিখ ৩নং দাড়িয়াল ইউনিয়ন উত্তর কাজলাকাঠী ৭নং ওয়ার্ড এ অবস্থি ভূমি অফিস অফিসে কর্মরত তসিলদার মোঃ জাকির হোসেন তার ৪ জন সহকারী ১ জন অফিসে আসেন নাই বাকি ৩ জন কে নিয়ে বেলা ২ ঘটিকার পরে অফিসে তালা ঝুলিয়ে চলে যায় বিষয় টি এলাকার ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন কানাঘুষা ও আলোচনা সমালোচনা করেন কারণ সকাল ১১:০০ টার পরে অফিসে এসে বেলা ২:০০ ঘটিকায়ে চলে গেল এলাকা বাসী ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে কতটুকু সেবা পাচ্ছেন এভাবে বহুদিন প্রোজন্তো চলে আসছেন এবিষয় বাকেরগঞ্জ উপজেলা সহ সারা বাংলাদেশের সকল এসিল্যান্ড ভুমি, ডিসি রেভনিউ, জেলা প্রশাসক, সহ টিএনও মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
গোবিন্দপুর বাজারে প্রতিটি দোকান থেকে ডি সি আর বাবদ ২৪০-৫২০ টাকার রিসিপ্ট প্রদান করে প্রতিটি দোকান থেকে (২৫,০০০) পঁচিশ হাজার টাকা করে নিয়েছে সার্ভেয়ার ফোরকান ও গোবিন্দপুর তহসিলদার মোঃ মনিরুল ইসলাম, পিয়ন মুসা, এবং বাংলাদেশের জমিজমা নিয়ে যদি এত দুর্নীতি কতদিন? তাই বাংলাদেশের প্রতিটি এসিল্যান্ড ভুমি, তসিলদার মোঃ জাকির হোসেন আরো দূর্নীতি অনিয়ম এর সাথে জড়িত থাকতে পারে বিষয় টি খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করছি সপ্তায় পাঁচ দিন অফিস করছেন শুক্র-শনি দুই দিন বন্ধ তারপরও অফিসে সময় মত আসেন না এবং নির্ধারিত সময় পর্যন্ত থাকেন না এটা সম্পূর্ণ আইন বহির্গত আইনের বাইরে চলছেন এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং এদের বিরুদ্ধে তদারকি জোরদার করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় জনসাধারণ।











