১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৬ Time View
blank
blank

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট-২৬) বিকেল ৪ টায় সম্মেলনে কেশবপুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর জনাব মোঃ সাইদুর রহমান সাইদ-এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ তবিবুর রহমান-এর সঞ্চালনা অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জনাব গোলাম কুদ্দুস।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জনাব বেলাল হোসাইন ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব মাওলানা আব্দুস সামাদ।
প্রধান অতিথি ১ মাসব্যাপী গণসংযোগ ও দাওয়াতি পক্ষ সফল করতে দায়িত্বশীলদের পরিকল্পিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণসংযোগ কার্যক্রম শুধু সাংগঠনিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ইউনিট ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের নিজ নিজ এলাকায় মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, মতবিনিময় ও দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যারা এখনো ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হননি, তাদের কাছেও দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। কোনো পরিবার বা সদস্য যেন দাওয়াতি কার্যক্রমের বাইরে না থাকে, সেদিকে দায়িত্বশীলদের বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্তদের সহযোগী ফরম পূরণে উৎসাহিত করার কথাও বলেন তিনি।
সম্মেলনে বিভিন্ন দায়িত্বশীলরা গণসংযোগ ও দাওয়াতি কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা বলেন, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী, বন্ধু, সহকর্মী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ বাড়াতে হবে। যারা চাকরি করেন, তাদের কর্মস্থলের সহকর্মীদের কাছেও ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দায়িত্বশীলরা বিশেষভাবে যুবসমাজকে দাওয়াতি কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, তরুণরাই সমাজের বড় একটি শক্তি। তাই তাদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি করে নৈতিকতা, আদর্শ ও ইসলামী মূল্যবোধের বিষয়ে দাওয়াতি কাজ আরও বিস্তৃত করতে হবে।
এ সময় কর্মীদের বই উপহারের মাধ্যমে মানুষের কাছে জ্ঞান ও আদর্শভিত্তিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। প্রত্যেক কর্মীকে অন্তত একটি করে বই উপহার দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে বলা হয়। এছাড়া খোলা ময়দানে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে দাওয়াতি কার্যক্রম, ছোট ছোট বৈঠক, মতবিনিময় ও গণসংযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা। তারা বলেন, মানুষের সমস্যার কথা শুনতে হবে, তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশা জানতে হবে এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।সম্মেলনে ১ মাসব্যাপী গণসংযোগ ও দাওয়াতি পক্ষ সফল করতে ইউনিট, ওয়ার্ড ও উপজেলা পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৬:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
blank
blank

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট-২৬) বিকেল ৪ টায় সম্মেলনে কেশবপুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর জনাব মোঃ সাইদুর রহমান সাইদ-এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ তবিবুর রহমান-এর সঞ্চালনা অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জনাব গোলাম কুদ্দুস।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জনাব বেলাল হোসাইন ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব মাওলানা আব্দুস সামাদ।
প্রধান অতিথি ১ মাসব্যাপী গণসংযোগ ও দাওয়াতি পক্ষ সফল করতে দায়িত্বশীলদের পরিকল্পিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণসংযোগ কার্যক্রম শুধু সাংগঠনিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ইউনিট ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের নিজ নিজ এলাকায় মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, মতবিনিময় ও দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যারা এখনো ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হননি, তাদের কাছেও দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। কোনো পরিবার বা সদস্য যেন দাওয়াতি কার্যক্রমের বাইরে না থাকে, সেদিকে দায়িত্বশীলদের বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্তদের সহযোগী ফরম পূরণে উৎসাহিত করার কথাও বলেন তিনি।
সম্মেলনে বিভিন্ন দায়িত্বশীলরা গণসংযোগ ও দাওয়াতি কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা বলেন, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী, বন্ধু, সহকর্মী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ বাড়াতে হবে। যারা চাকরি করেন, তাদের কর্মস্থলের সহকর্মীদের কাছেও ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দায়িত্বশীলরা বিশেষভাবে যুবসমাজকে দাওয়াতি কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, তরুণরাই সমাজের বড় একটি শক্তি। তাই তাদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি করে নৈতিকতা, আদর্শ ও ইসলামী মূল্যবোধের বিষয়ে দাওয়াতি কাজ আরও বিস্তৃত করতে হবে।
এ সময় কর্মীদের বই উপহারের মাধ্যমে মানুষের কাছে জ্ঞান ও আদর্শভিত্তিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। প্রত্যেক কর্মীকে অন্তত একটি করে বই উপহার দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে বলা হয়। এছাড়া খোলা ময়দানে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে দাওয়াতি কার্যক্রম, ছোট ছোট বৈঠক, মতবিনিময় ও গণসংযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা। তারা বলেন, মানুষের সমস্যার কথা শুনতে হবে, তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশা জানতে হবে এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।সম্মেলনে ১ মাসব্যাপী গণসংযোগ ও দাওয়াতি পক্ষ সফল করতে ইউনিট, ওয়ার্ড ও উপজেলা পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।