০২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে চিংড়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জের বিরুদ্ধে বেনামী অভিযোগ; মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবির নিন্দা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৩৮ Time View
blank
blank

রিপোর্ট, শেখ মোস্তফা কামাল

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ২ নম্বর সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া একটি বেনামী অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়দের একাংশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চিংড়া পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় অতীতে বিভিন্ন কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে ক্যাম্প ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এসআই শামীম হোসাইন এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন বলে জানা গেছে। এতে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বেনামী অভিযোগের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান ক্যাম্প ইনচার্জ সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তার এ কার্যক্রমের ফলে স্থানীয় দালাল ও সুবিধাভোগী চক্রের প্রভাব কমে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ একটি মহল তাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দাখিল করেছে।
এ বিষয়ে এসআই শামীম হোসাইন বলেন, “আমি কখনোই অসহায় ও সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি করি না। ত্রিমোহনী ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে আমি অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানি করেছি। আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের সমস্যার কথা শুনি এবং সমাধানের চেষ্টা করি। একটি বিশেষ মহল আমার এই কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট হয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তবে এসব অভিযোগে আমি বিচলিত নই। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বেনামী অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বাস্তব তথ্য সামনে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত হওয়া উচিত, যাতে সত্য উদঘাটিত হয় এবং নির্দোষ কেউ হয়রানির শিকার না হন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে চিংড়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জের বিরুদ্ধে বেনামী অভিযোগ; মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবির নিন্দা

Update Time : ১১:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
blank
blank

রিপোর্ট, শেখ মোস্তফা কামাল

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ২ নম্বর সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া একটি বেনামী অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়দের একাংশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চিংড়া পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় অতীতে বিভিন্ন কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে ক্যাম্প ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এসআই শামীম হোসাইন এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন বলে জানা গেছে। এতে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বেনামী অভিযোগের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান ক্যাম্প ইনচার্জ সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তার এ কার্যক্রমের ফলে স্থানীয় দালাল ও সুবিধাভোগী চক্রের প্রভাব কমে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ একটি মহল তাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দাখিল করেছে।
এ বিষয়ে এসআই শামীম হোসাইন বলেন, “আমি কখনোই অসহায় ও সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি করি না। ত্রিমোহনী ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে আমি অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানি করেছি। আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের সমস্যার কথা শুনি এবং সমাধানের চেষ্টা করি। একটি বিশেষ মহল আমার এই কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট হয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তবে এসব অভিযোগে আমি বিচলিত নই। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বেনামী অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বাস্তব তথ্য সামনে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত হওয়া উচিত, যাতে সত্য উদঘাটিত হয় এবং নির্দোষ কেউ হয়রানির শিকার না হন।