০৩:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমিজমা বিরোধে দ্রুত নিষ্পত্তি, মণিরামপুরে প্রশংসায় এসিল্যান্ড

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৬০ Time View
blank
blank

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৯৩ নং গাংড়া মৌজার পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটেছে। শরিকানা বণ্টন না করে অতিরিক্ত জমি দখলের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুল শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দিয়েছেন মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মাহির দায়ান আমিন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাংড়া মৌজার মূল খতিয়ান নং ১৫৪/১৩৭ ও নামজারি খতিয়ান ১৫৪/১/৩০৮-এর ৩, ৫, ৬ ও ৭ দাগের ৫২ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মৃত আব্দুল খালেকের শরিকানাভুক্ত পৈতৃক সম্পত্তিতে কোনো প্রকার বণ্টননামা ছাড়াই একই এলাকার আ. আজিজ শেখের পুত্র মো. ইসমাইল হোসেন শরিক গণের নিকট থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত জমি ক্রয় করেন। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি অবৈধভাবে জবরদখলে রাখার অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে আদালত নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু এরপরও বিবাদীপক্ষ জমি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে নজরুল ইসলাম মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর রেকর্ড সংশোধন ও নামজারির আবেদন করেন।

উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে মণিরামপুর ভূমি অফিসে বাদী ও বিবাদী পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন জানান, ক্রয় সূত্রে শরিকগণ তাদের প্রাপ্য জমির চেয়ে অতিরিক্ত জমি দলিল করে নিয়েছেন। যে কারণে এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

জমিজমা বিরোধে দ্রুত নিষ্পত্তি, মণিরামপুরে প্রশংসায় এসিল্যান্ড

Update Time : ০৩:৫২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
blank
blank

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৯৩ নং গাংড়া মৌজার পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটেছে। শরিকানা বণ্টন না করে অতিরিক্ত জমি দখলের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুল শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দিয়েছেন মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মাহির দায়ান আমিন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাংড়া মৌজার মূল খতিয়ান নং ১৫৪/১৩৭ ও নামজারি খতিয়ান ১৫৪/১/৩০৮-এর ৩, ৫, ৬ ও ৭ দাগের ৫২ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মৃত আব্দুল খালেকের শরিকানাভুক্ত পৈতৃক সম্পত্তিতে কোনো প্রকার বণ্টননামা ছাড়াই একই এলাকার আ. আজিজ শেখের পুত্র মো. ইসমাইল হোসেন শরিক গণের নিকট থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত জমি ক্রয় করেন। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি অবৈধভাবে জবরদখলে রাখার অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে আদালত নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু এরপরও বিবাদীপক্ষ জমি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে নজরুল ইসলাম মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর রেকর্ড সংশোধন ও নামজারির আবেদন করেন।

উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে মণিরামপুর ভূমি অফিসে বাদী ও বিবাদী পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন জানান, ক্রয় সূত্রে শরিকগণ তাদের প্রাপ্য জমির চেয়ে অতিরিক্ত জমি দলিল করে নিয়েছেন। যে কারণে এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।