
বাগমারা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
আসছে আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বাগমারা উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ জিল্লুর রহমান আলোচনার শীর্ষে। আগামী ইউপি নির্বাচনে শুভডাঙ্গা ইউনিয়নবাসির সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক জিল্লুর রহমান। নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি বাগমারা উপজেলার ৯নং শুভডাঙ্গা ইউনিয়নবাসির সকলের কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। একটি সুখী-সুন্দর দেশ ও সমাজ নির্মাণে সর্বপ্রথম ইউনিয়ন পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন। তাই শুভডাঙ্গা ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমর্থন ও ভোট তাকে দেওয়ার জন্য সকলকে আহবান জানান। সমাজের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে ও সুখে দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এ বছর ইউপি নির্বাচনে শুভডাঙ্গা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন জিল্লুর রহমান । তিনি আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে চান বলে জানান। এদিকে ইউনিয়নের প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে ধর্ম, বর্ণ, দল, মত নির্বিশেষে সর্ব মহলে জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আমার কোনো রাজনৈতিক পদবীর প্রয়োজন নেই। আমি ইউনিয়নের মানুষের সাথে থাকতে চাই। তাদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকতে চাই। আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সকলের উপকার করতে চাই। আমাদের ইউনিয়নের মা মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।’
তিনি আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে ইউনিয়নের সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের সেবা করতে চান। ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে প্রতিনিয়ত ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মোড়ে, চায়ের দোকানে ও বিভিন্ন রাস্তাঘাটে ও পাড়া মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন ও দিনরাত ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করছেন। এর মধ্যে তিনি এলাকায় মুরব্বিদের সাথে কুশল বিনিময় ও নানান সমস্যা নিয়ে তরুনদের সাথে মতবিনিময় করছেন। এই প্রতিবেদকের সাথে একান্তকারী এক সাক্ষাতে তিনি জানান, ৯নং শুভডাঙ্গা ইউনিয়নকে উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে দারিদ্র মুক্ত, সু-শিক্ষাবান্ধব বৈষম্যহীন আদর্শ ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলার নিমিত্তে আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছি। এর জন্য আমি আমার গ্রামের মুরব্বী, ভাই, বন্ধু, মা, বোনসহ ইউনিয়নবাসির নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।
উল্লেখ্য, করনাকালীন সময়ে সমাজের মানুষ যখন মানবেতর জীবন যাপন করেছিল, মানুষ যখন খেতে পারছিল না ঠিক তখনই জিল্লুর রহমান সবার আগে মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান, ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেন, অসুস্থ রোগীকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেন।











