০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সরকারি জায়গা দখলের অ’ভি’যো’গ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯১ Time View
blank
blank

সাইফুল ইসলাম,রাজশাহী প্রতিনিধি :

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া গোল চত্বর সংলগ্ন সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় গোল চত্তরের চতুর্পাশের সরকারি জায়গাগুলো অবৈধভাবে অনেকেই দখল করে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। রাজশাহী গোদাগাড়ী বাস স্টান্ড থেকে শুরু করে ফায়ার সার্ভিস মোড় পর্যন্ত, এছাড়া বিদ্যুৎ অফিস থেকে রেজিষ্ট্রি অফিস পর্যন্ত, রোড্স এন্ড হাইওয়ের জায়গা অবৈধভাবে অনেকেই দখল করে রেখেছে। সম্প্রতি জায়গা গুলো চায়না কম্পানী তাদের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার সময় দখলদারগণ নিজ উদ্যোগে দোকানঘরগুলো ভেঙ্গে নেয়। বর্তমানে চায়না প্রোজেক্টের পাইপ লাইনের কাজ শেষ হতে না হতেই পুন:রায় দখলদারগণ অবৈধভাবে নতুনকরে ইট বালু দিয়ে পাকা দোকানঘর নির্মাণ শুরু করেছে।
কয়েক মাস পূর্বে দোকানঘর গুলো ভাঙ্গার ফলে পথচারীরা অবাধে, নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছিল, গাড়ী পার্কিং করতেও হচ্ছিল নানান সুবিধা। কিন্তু পুন:রায় দোকান ঘর নির্মাণের ফলে যাত্রী, পথচারী ও গাড়ী পার্কিং এর সমস্যা পূর্বের মতোই রয়ে গেল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
রাজশাহী গোদাগাড়ী বাসষ্ট্যান্ড এর স্থানে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করার কথা থাকলেও কেন হচ্ছেনা তা কারো জানা নেই।
নেসকো অফিস থেকে রেজি: অফিস পর্যন্ত বিভিন্ন পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করার ফলে। পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছে।এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ,সদর থেকে ও নওগার পোরশা, নিয়ামতপুর , আড্ডা, নাচোল,সহ একাধিক স্থান থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসগুলো গোদাগাড়ী পৌঁছালে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এসব জায়গা যদি অবমুক্ত করা হয় তাহলে সেগুলোতে অটো, রিক্সা, নশিমন, করিমণ নির্বিঘ্নে পার্কিং করতে পারবে। এর ফলে হাইওয়ে রোড থাকবে নিরাপদ এবং যাত্রী হয়রানীমুক্ত।
এছাড়াও জায়গাটিতে যদি দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান, যাত্রী ছাউনি, পুলিশ বক্স ইত্যদি করা হয় তাহলে সকলের জন্য সুবিধা হয় বলে জানান সচেতন মহল ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন এই মোড়টি অবৈধ দখলমুক্ত থাকা খুবই জরুরী। অবৈধ দখলের কারনে সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়াও অন্যান্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে। স্থায়ী বা অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করার পূর্বে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন। এরকম কোন অনুমতি আছে কি না তা আমার জানা নেই। অবৈধ দখলের এরকম অনেক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেছি। এ বিষয়ে তারাই ব্যবস্থা নিবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সরকারি জায়গা দখলের অ’ভি’যো’গ

Update Time : ১২:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
blank
blank

সাইফুল ইসলাম,রাজশাহী প্রতিনিধি :

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া গোল চত্বর সংলগ্ন সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় গোল চত্তরের চতুর্পাশের সরকারি জায়গাগুলো অবৈধভাবে অনেকেই দখল করে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। রাজশাহী গোদাগাড়ী বাস স্টান্ড থেকে শুরু করে ফায়ার সার্ভিস মোড় পর্যন্ত, এছাড়া বিদ্যুৎ অফিস থেকে রেজিষ্ট্রি অফিস পর্যন্ত, রোড্স এন্ড হাইওয়ের জায়গা অবৈধভাবে অনেকেই দখল করে রেখেছে। সম্প্রতি জায়গা গুলো চায়না কম্পানী তাদের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার সময় দখলদারগণ নিজ উদ্যোগে দোকানঘরগুলো ভেঙ্গে নেয়। বর্তমানে চায়না প্রোজেক্টের পাইপ লাইনের কাজ শেষ হতে না হতেই পুন:রায় দখলদারগণ অবৈধভাবে নতুনকরে ইট বালু দিয়ে পাকা দোকানঘর নির্মাণ শুরু করেছে।
কয়েক মাস পূর্বে দোকানঘর গুলো ভাঙ্গার ফলে পথচারীরা অবাধে, নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছিল, গাড়ী পার্কিং করতেও হচ্ছিল নানান সুবিধা। কিন্তু পুন:রায় দোকান ঘর নির্মাণের ফলে যাত্রী, পথচারী ও গাড়ী পার্কিং এর সমস্যা পূর্বের মতোই রয়ে গেল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
রাজশাহী গোদাগাড়ী বাসষ্ট্যান্ড এর স্থানে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করার কথা থাকলেও কেন হচ্ছেনা তা কারো জানা নেই।
নেসকো অফিস থেকে রেজি: অফিস পর্যন্ত বিভিন্ন পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করার ফলে। পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছে।এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ,সদর থেকে ও নওগার পোরশা, নিয়ামতপুর , আড্ডা, নাচোল,সহ একাধিক স্থান থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসগুলো গোদাগাড়ী পৌঁছালে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এসব জায়গা যদি অবমুক্ত করা হয় তাহলে সেগুলোতে অটো, রিক্সা, নশিমন, করিমণ নির্বিঘ্নে পার্কিং করতে পারবে। এর ফলে হাইওয়ে রোড থাকবে নিরাপদ এবং যাত্রী হয়রানীমুক্ত।
এছাড়াও জায়গাটিতে যদি দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান, যাত্রী ছাউনি, পুলিশ বক্স ইত্যদি করা হয় তাহলে সকলের জন্য সুবিধা হয় বলে জানান সচেতন মহল ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন এই মোড়টি অবৈধ দখলমুক্ত থাকা খুবই জরুরী। অবৈধ দখলের কারনে সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়াও অন্যান্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে। স্থায়ী বা অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করার পূর্বে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন। এরকম কোন অনুমতি আছে কি না তা আমার জানা নেই। অবৈধ দখলের এরকম অনেক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেছি। এ বিষয়ে তারাই ব্যবস্থা নিবে।