১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরের বিশিষ্ট আইনজীবী বদরুজ্জামান মিন্টু’র জানাজার নামাজে হাজারও জনতার ঢল

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩০ Time View
blank
blank

 

রিপোর্ট:শেখ মোস্তফা কামাল

শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় বিদায় নিলেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট বদরুজ্জামান মিন্টু (৬৮)। তাঁর জানাজার নামাজ কেশবপুর পাবলিক ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের দিল্লি রাজ্যের মেডান্তা হাসপাতালে শনিবার মধ্যরাতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর-২৫) দিনগত রাত দেড়টার দিকে তাঁর মরদেহ কেশবপুর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাসভবনে এসে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। সেখানে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মিসহ এলাকার শত-শত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে সেখানে ছুটে যান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারগিস ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) আলহাজ্ব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেশবপুর পাবলিক ময়দানে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শরীফ নেওয়াজ, খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্র ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য কেশবপুর উপজেলার বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মোক্তার আলী, যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপি’র ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, কেশবপুর উপজেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, কেশবপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মশিউর রহমান, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন আলা, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর কবির, কেশবপুর উপজেলার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির সুমন, কেশবপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান, কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ শামসুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির প্রভাষক জাকির হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক তবিবুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ তাজাম্মুল ইসলাম দিপু-সহ কেশবপুর এবং বিভিন্ন উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

 

blank
জানাজার নামাজের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংগঠন ও কেশবপুরের বিভিন্ন প্রেসক্লাব-এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে তার নিজ বাসভবন বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন শেষে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া ও মোনাজাতের করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে, স্ত্রী-সহ বহু গুণগ্রাহী ব্যক্তি রেখে গেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরের বিশিষ্ট আইনজীবী বদরুজ্জামান মিন্টু’র জানাজার নামাজে হাজারও জনতার ঢল

Update Time : ০৪:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
blank
blank

 

রিপোর্ট:শেখ মোস্তফা কামাল

শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় বিদায় নিলেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট বদরুজ্জামান মিন্টু (৬৮)। তাঁর জানাজার নামাজ কেশবপুর পাবলিক ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের দিল্লি রাজ্যের মেডান্তা হাসপাতালে শনিবার মধ্যরাতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর-২৫) দিনগত রাত দেড়টার দিকে তাঁর মরদেহ কেশবপুর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাসভবনে এসে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। সেখানে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মিসহ এলাকার শত-শত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে সেখানে ছুটে যান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারগিস ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) আলহাজ্ব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেশবপুর পাবলিক ময়দানে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শরীফ নেওয়াজ, খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্র ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য কেশবপুর উপজেলার বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মোক্তার আলী, যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপি’র ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, কেশবপুর উপজেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, কেশবপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মশিউর রহমান, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন আলা, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর কবির, কেশবপুর উপজেলার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির সুমন, কেশবপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান, কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ শামসুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির প্রভাষক জাকির হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক তবিবুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ তাজাম্মুল ইসলাম দিপু-সহ কেশবপুর এবং বিভিন্ন উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

 

blank
জানাজার নামাজের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংগঠন ও কেশবপুরের বিভিন্ন প্রেসক্লাব-এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে তার নিজ বাসভবন বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন শেষে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া ও মোনাজাতের করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে, স্ত্রী-সহ বহু গুণগ্রাহী ব্যক্তি রেখে গেছেন।