১০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাতার টাকা না পাওয়া ও ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর নেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬ Time View
blank
blank

 

শেখ ইয়াসির আরাফাত,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

প্রতিবন্ধী কার্ডের টাকা না পাওয়া এবং ভুল বুঝিয়ে কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার প্রতিকারের দাবীতে আশাশুনি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
গোকুলনগর গ্রামের আঃ সালামের স্ত্রী নারগীছ পারভীন ও তার স্বামী লিখিত বক্তব্যে জানান, নারগিছ একজন প্রতিবন্ধি।২০১৭ সালে তার নামে প্রতিবন্ধি কার্ড হয়। কার্ড পাওয়ার পর থেকে অধ্যবদি কোন ভাতার টাকা তিনি পায়নি। অসংখ্যবার ইউনিয়ন পরিষদের উদোক্তা আসমা খাতুনের কাছে যান তারা। বলা হয় তার একাউন্টে টাকা পৌছায়নি, আসলে জানতে পারবেন।বছরের পর বছর টাকা না পেয়ে তারা উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে বলা হয় প্রতিবন্ধী কার্ডের বিপরিতে যে মোবাইল নম্বর দেওয়া, সেটি রেজিষ্ট্রেশন করা উদ্যোক্তা আসমা খাতুনের মা আকলিমা খাতুনের নামে। যার মোবাইল নম্বর ০১৯১০-২৬১৯৬৬। এব্যাপারে টাকা ফেরত পাওয়া সহ আসমা খাতুনের দৃষ্টান্তমূল শাস্তির আবেদন জানিয়ে আশাশুনি থানায় ১৬-০৯-২০২৫ তারিখে ৭৫৪ নং সাধারণ ডায়েরি করা হয়। একই সাথে আসমা খানুনের অন্যান্য দূর্নীতির বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউনিয়ন বাসী একাধিকবার মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। জেলা প্রশাসক মহোদয় সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আসমার টাকা আত্মসাৎ ও বিভিন্ন দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলাকালীন সময়ে হঠাৎ ১৪ অক্টোবর সকাল ১১ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী, ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন, কামরুল ইসলাম এবং কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সাথে নিয়ে আমার বাড়ি এসে আমাকে টাকা ফেরত দিবে বলে নানা প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। স্বাক্ষরের সময় বিভিন্ন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করায় আমরা ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছি। আমি একজন প্রতিবন্ধী, আমার প্রাপ্য অধিকার টুকু চাওয়া কি আমার কোন অপরাধ? দূর্নীতিবাজ আসমা খাতুনকে রক্ষার জন্য আমার বাড়িতে গিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রতিকারে জেলা প্রশাসক মহোদয়, পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

ভাতার টাকা না পাওয়া ও ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর নেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৫:১৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
blank
blank

 

শেখ ইয়াসির আরাফাত,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

প্রতিবন্ধী কার্ডের টাকা না পাওয়া এবং ভুল বুঝিয়ে কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার প্রতিকারের দাবীতে আশাশুনি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
গোকুলনগর গ্রামের আঃ সালামের স্ত্রী নারগীছ পারভীন ও তার স্বামী লিখিত বক্তব্যে জানান, নারগিছ একজন প্রতিবন্ধি।২০১৭ সালে তার নামে প্রতিবন্ধি কার্ড হয়। কার্ড পাওয়ার পর থেকে অধ্যবদি কোন ভাতার টাকা তিনি পায়নি। অসংখ্যবার ইউনিয়ন পরিষদের উদোক্তা আসমা খাতুনের কাছে যান তারা। বলা হয় তার একাউন্টে টাকা পৌছায়নি, আসলে জানতে পারবেন।বছরের পর বছর টাকা না পেয়ে তারা উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে বলা হয় প্রতিবন্ধী কার্ডের বিপরিতে যে মোবাইল নম্বর দেওয়া, সেটি রেজিষ্ট্রেশন করা উদ্যোক্তা আসমা খাতুনের মা আকলিমা খাতুনের নামে। যার মোবাইল নম্বর ০১৯১০-২৬১৯৬৬। এব্যাপারে টাকা ফেরত পাওয়া সহ আসমা খাতুনের দৃষ্টান্তমূল শাস্তির আবেদন জানিয়ে আশাশুনি থানায় ১৬-০৯-২০২৫ তারিখে ৭৫৪ নং সাধারণ ডায়েরি করা হয়। একই সাথে আসমা খানুনের অন্যান্য দূর্নীতির বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউনিয়ন বাসী একাধিকবার মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। জেলা প্রশাসক মহোদয় সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আসমার টাকা আত্মসাৎ ও বিভিন্ন দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলাকালীন সময়ে হঠাৎ ১৪ অক্টোবর সকাল ১১ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী, ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন, কামরুল ইসলাম এবং কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সাথে নিয়ে আমার বাড়ি এসে আমাকে টাকা ফেরত দিবে বলে নানা প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। স্বাক্ষরের সময় বিভিন্ন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করায় আমরা ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছি। আমি একজন প্রতিবন্ধী, আমার প্রাপ্য অধিকার টুকু চাওয়া কি আমার কোন অপরাধ? দূর্নীতিবাজ আসমা খাতুনকে রক্ষার জন্য আমার বাড়িতে গিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রতিকারে জেলা প্রশাসক মহোদয়, পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।