০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপথ্যে মা*দ*ক ও ক্যাসিনো⏭️ ‎মণিরামপুরে ইউপি সদস্য সহ তিন ভাইয়ের বি*রু*দ্ধে গৃ’হ’ব’ধূ’কে নি’র্যা’ত’নে’র অ’ভি’যো’গ, নীরব প্রশাসন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭৫ Time View
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুরে দীর্ঘ ১০ বছর যাবত মধ্যযুগীয় কায়দায় টুম্পা বেগম (২৫) নামের এক গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে,নিজের বোনকে মারধরের খবর শুনে টুম্পার ছোট ভাই ইমন গাজী ও স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে কপালিয়া গ্রামে গেলে জনসম্মুখে তার উপরও হামলা করে অভিযুক্তরা।

‎ভুক্তভোগী দুই সন্তানের জননী মনোহরপুর গ্রামের সালাম গাজীর মেয়ে টুম্পা বেগম(২৫) আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া গ্রামের সরোয়ার শিকদারের ছোট ছেলে আফসার শিকদার,মেঝো ছেলে গফফার শিকদার ও বড় ছেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আনিচুর শিকদারকে অভিযুক্ত করে মণিরামপুর থানায় চলতি মাসের (৮ই সেপ্টেম্বর) সোমবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড বা ঘঠনাস্থল পরিদর্শন না করাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী টুম্পা বেগম ও তার ছোট ভাই ইমন হোসেন।

‎অভিযুক্ত আফসার শিকদার,গফফার শিকদার ও মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া ওয়ার্ডের চলমান দায়িত্বে থাকা ইউপি সদস্য আনিচুর শিকদার পারিবারিক ভাবে বিত্তশালী এবং ক্ষমতাধর হওয়ায় প্রায় এক যুগ ধরে গৃহবধূর উপর এ অমানবিক নির্যাতনের ব্যাপারটি প্রতিবেশি ও স্থানীয়দের কাছে,’ওপেন সিক্রেট’ হয়ে দাড়িয়েছে। তথ্য সংগ্রহে এমনই চিত্র ফুটে উঠেছে যে,আফসার শিকদার ও তার পরিবার কর্তৃক  টুম্পার উপর নির্যাতনের ঘঠনা প্রাইয় ঘঠার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে প্রতিবেশিরা। কয়েক জন প্রতিবেশি এমনও জানান যে, কলহ প্রাইয় হয়। মারধর আর বিচার সবই তো তারায় করে।

এইতো মাঝেও একবার বউডা(টুম্পা) গলাই ফাঁস দিয়ে মরতে মরতে বাঁচে গেছে। রাতে কি আর দিনে কি! ভোর ৪টা ৫টার সময়েও ঐ গৃহবধূর অস্পষ্ট আর্তনাথ মাঝে মধ্য শুনতে পাওয়া যায় বলে পরিচয় গোপন রাখা এক প্রতিবেশী এক নারী ঘটনাস্থল থেকে এ তথ্য দিয়েছে।

‎তবে দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা বলছে, আফসার ও টুম্পার প্রায় একযুগের সংসারে দুই সন্তানের ৯ বছরের তারিন ৬ বছরের ছেলের চোখে পিতা-মাতার স্নেহ বঞ্চিত হতাশার ছাপ আইনের নীরবতায় আরো ঘনীভূত রূপে দেখা গেছে শুক্রবার (১২ই সেপ্টেম্বর)  দুপুরে টুম্পার ৯ বছরের মেয়ে তারিনের সাথে মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অনুসন্ধানী টিমের কথোপকথনে। মায়ের কথা বলতেই মেয়েটির ঝাপসা চোখের টলমল ভাব এ প্রতিবেদকের বিবেক’কে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ!

‎দীর্ঘ ১০ বছর ধরে শিকদার বংশের একক নির্যাতনের স্বীকার ভুক্তভোগী টুম্পা বেগমের (২৫)  মণিরামপুর থানায় (৮ই সেপ্টেম্বর) উপজেলার কপালিয়া গ্রামের সরোয়ার শিকদারের ছেলে  আফসার শিকদার, আরেক ভাই গফফার শিকদার, বড় ভাই ইউপি সদস্য আনিচুর শিকদারকে অভিযুক্ত করে সোমবার দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্র ও দুই পরিবারকেন্দ্রীক সংগৃহীত প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক,১০ বছরের সংসার জীবনে অসংখ্য বার ভুক্তভোগী মারপিটের স্বীকার হয়েছে। তার স্বামী আফসার শিকদার প্রতিদিনিই মাদকাসক্ত অবস্থায় গভীর রাতে বাড়িতে এসে মাতলামো করে,সারাক্ষণ অনলাইনে জুয়া খেলে,জুয়ায় টাকা নষ্ট করে টুম্পাকে(বউ) অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ এলোপাতাড়ি মারপিট করে বিভিন্ন সময়ে এক এক অংকের যৌতুক দাবি করে আসছে।

আগেও কয়েকবার ভুক্তভোগী বাবার বাড়ি হতে অর্থ যোগান দিলেও সে টাকা জুয়া খেলে এবং পার্শ্ববর্তী কুমারঘাটা বাজারের নিকটস্থ্য জৈনক শাহজালালের স্ত্রী জেসমিনের সাথে পরকীয়ায় নষ্ট করেছে। এ সংক্রান্ত অপরাধের প্রতিবাদ ও বিরত থাকার কথা বলতে গেলেই দিগবিদিক হয়ে টুম্পার উপর অমানবিক নির্যাতন করে আসছে আফসার শিকদার।

‎ঘঠনার দিন সোমবার সকাল ১১টার দিকে টুম্পা বাবার বাড়ি হতে টাকা আনতে ব্যার্থ হলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ঘরে তালা বদ্ধ করে বাঁশ দিয়ে মারধর,ব্যবহারিক ওড়না দিয়ে শাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করলে আসপাশের লোকজন ছুটে আসাতে টুম্পা প্রানে বেঁচে গেলেও ততক্ষনে শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে টুম্পার ছোট ভাই ইমন গাজী স্থানীয়দের সাথে নিয়ে কপালিয়া গ্রামে বোনের বাড়িতে গেলে আফসার তাকেও মারধর করে,পরে ইমনকে দেখে নিবে বলে প্রকাশ্যে জীবননাশের হুমকি দেয়।

‎ইতিহাস বলছে,টুম্পার শরীরের বিভিন্ন স্থানের ক্ষত হওয়া নির্মমতার অসংখ্য পুরাতন ছাপ বলে দেই দক্ষিনাঞ্চলের ত্রাশ খুলনার এরশাদ শিকদারের (খুনী শিকদার) চেয়ে কোন অংশে কম নাই মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের ভাই আফসার শিকদার।

‎টুম্পা বেগমের দেওয়া তথ্য বলছে,মাঝে মধ্য ঘরের তালা বদ্ধ করে মুখের ভিতর কাপড় ভরে দিয়ে চার হাত-পা বেঁধে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করে নিথর দেহ ফেলে রাখতো এই আফসার শিকদার,‎এদিকে তথ্য বলছে,১০ বছর পূর্বে টুম্পা বেগম দেখতে সুন্দরী হওয়ায় আফসার তার ভাই আনিচুর শিকদারের মেম্বারের ক্ষমতা ও পরিবার বিত্তশালী হওয়ায় জোরপূর্বক ভাবে নাবালিকা টুম্পাকে বিয়ে করে আফসার,প্রকৃতপক্ষে এই টুম্পা দেখতে সুন্দরী হওয়ায় আফসারের লালসার লোলুপ দৃষ্টি প্রেক্ষাপটের ভিন্নতায় আজ ভুক্তভোগীর জীবনে এখন ঘোর অমানিশা সৃষ্টি করেছে।

‎সরাসরি কথা বলতে গেলে, নিজেকে অনেক বড় কিছু উপস্থাপন করে অপরাধী ছোট ভাই আফসার শিকদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন ও এ বেপারে আর কোন কিছু জানতে যোগাযোগ না করা কথা জানালেও অভিযোগকারী টুম্পার দাবি,আফসারের জুয়া খেলা,পরকীয়া,মাদকসেবন ও স্ত্রী নির্যাতনের সমস্ত বিচারিক ক্ষমতায় নিজের ভাইয়ের অপরাধের শাস্তি না দিয়ে আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠার পেছনে একমাত্র ইন্দন দাতা হয়ে ভাইকে অপরাধের দিকে এগিয়ে দিয়েছে আরেক অভিযুক্ত অপরাধী পরামর্শক ইউপি সদস্য মেম্বার আনিচুর শিকদার।

‎এ বেপারে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যেয়ে,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আখতার ফারখ মিন্টু মুঠোফোনে জানান,আমি এখন বাইরে আছি।তবে  অসংখ্যবার আমরা এর শালিস করেছি।এবারও একটা বসাবসির কথা ছিলো তার মধ্য থানায় অভিযোগ করেছে,‎নির্যাতন কারী এ অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আফসার শিকদার সাংবাদিক দেখে দাম্ভিক কন্ঠে বলে উঠেন,ভাই আপনাদের কারা পাঠায়ছে! জেলখানা মানুষের জন্য,গরু ছাগলের জন্য না,কাবিননামা

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

কেশবপুরে জমি দখলের চেষ্টায় সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর, ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নেপথ্যে মা*দ*ক ও ক্যাসিনো⏭️ ‎মণিরামপুরে ইউপি সদস্য সহ তিন ভাইয়ের বি*রু*দ্ধে গৃ’হ’ব’ধূ’কে নি’র্যা’ত’নে’র অ’ভি’যো’গ, নীরব প্রশাসন

Update Time : ০৫:২১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুরে দীর্ঘ ১০ বছর যাবত মধ্যযুগীয় কায়দায় টুম্পা বেগম (২৫) নামের এক গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে,নিজের বোনকে মারধরের খবর শুনে টুম্পার ছোট ভাই ইমন গাজী ও স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে কপালিয়া গ্রামে গেলে জনসম্মুখে তার উপরও হামলা করে অভিযুক্তরা।

‎ভুক্তভোগী দুই সন্তানের জননী মনোহরপুর গ্রামের সালাম গাজীর মেয়ে টুম্পা বেগম(২৫) আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া গ্রামের সরোয়ার শিকদারের ছোট ছেলে আফসার শিকদার,মেঝো ছেলে গফফার শিকদার ও বড় ছেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আনিচুর শিকদারকে অভিযুক্ত করে মণিরামপুর থানায় চলতি মাসের (৮ই সেপ্টেম্বর) সোমবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড বা ঘঠনাস্থল পরিদর্শন না করাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী টুম্পা বেগম ও তার ছোট ভাই ইমন হোসেন।

‎অভিযুক্ত আফসার শিকদার,গফফার শিকদার ও মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া ওয়ার্ডের চলমান দায়িত্বে থাকা ইউপি সদস্য আনিচুর শিকদার পারিবারিক ভাবে বিত্তশালী এবং ক্ষমতাধর হওয়ায় প্রায় এক যুগ ধরে গৃহবধূর উপর এ অমানবিক নির্যাতনের ব্যাপারটি প্রতিবেশি ও স্থানীয়দের কাছে,’ওপেন সিক্রেট’ হয়ে দাড়িয়েছে। তথ্য সংগ্রহে এমনই চিত্র ফুটে উঠেছে যে,আফসার শিকদার ও তার পরিবার কর্তৃক  টুম্পার উপর নির্যাতনের ঘঠনা প্রাইয় ঘঠার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে প্রতিবেশিরা। কয়েক জন প্রতিবেশি এমনও জানান যে, কলহ প্রাইয় হয়। মারধর আর বিচার সবই তো তারায় করে।

এইতো মাঝেও একবার বউডা(টুম্পা) গলাই ফাঁস দিয়ে মরতে মরতে বাঁচে গেছে। রাতে কি আর দিনে কি! ভোর ৪টা ৫টার সময়েও ঐ গৃহবধূর অস্পষ্ট আর্তনাথ মাঝে মধ্য শুনতে পাওয়া যায় বলে পরিচয় গোপন রাখা এক প্রতিবেশী এক নারী ঘটনাস্থল থেকে এ তথ্য দিয়েছে।

‎তবে দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা বলছে, আফসার ও টুম্পার প্রায় একযুগের সংসারে দুই সন্তানের ৯ বছরের তারিন ৬ বছরের ছেলের চোখে পিতা-মাতার স্নেহ বঞ্চিত হতাশার ছাপ আইনের নীরবতায় আরো ঘনীভূত রূপে দেখা গেছে শুক্রবার (১২ই সেপ্টেম্বর)  দুপুরে টুম্পার ৯ বছরের মেয়ে তারিনের সাথে মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অনুসন্ধানী টিমের কথোপকথনে। মায়ের কথা বলতেই মেয়েটির ঝাপসা চোখের টলমল ভাব এ প্রতিবেদকের বিবেক’কে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ!

‎দীর্ঘ ১০ বছর ধরে শিকদার বংশের একক নির্যাতনের স্বীকার ভুক্তভোগী টুম্পা বেগমের (২৫)  মণিরামপুর থানায় (৮ই সেপ্টেম্বর) উপজেলার কপালিয়া গ্রামের সরোয়ার শিকদারের ছেলে  আফসার শিকদার, আরেক ভাই গফফার শিকদার, বড় ভাই ইউপি সদস্য আনিচুর শিকদারকে অভিযুক্ত করে সোমবার দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্র ও দুই পরিবারকেন্দ্রীক সংগৃহীত প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক,১০ বছরের সংসার জীবনে অসংখ্য বার ভুক্তভোগী মারপিটের স্বীকার হয়েছে। তার স্বামী আফসার শিকদার প্রতিদিনিই মাদকাসক্ত অবস্থায় গভীর রাতে বাড়িতে এসে মাতলামো করে,সারাক্ষণ অনলাইনে জুয়া খেলে,জুয়ায় টাকা নষ্ট করে টুম্পাকে(বউ) অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ এলোপাতাড়ি মারপিট করে বিভিন্ন সময়ে এক এক অংকের যৌতুক দাবি করে আসছে।

আগেও কয়েকবার ভুক্তভোগী বাবার বাড়ি হতে অর্থ যোগান দিলেও সে টাকা জুয়া খেলে এবং পার্শ্ববর্তী কুমারঘাটা বাজারের নিকটস্থ্য জৈনক শাহজালালের স্ত্রী জেসমিনের সাথে পরকীয়ায় নষ্ট করেছে। এ সংক্রান্ত অপরাধের প্রতিবাদ ও বিরত থাকার কথা বলতে গেলেই দিগবিদিক হয়ে টুম্পার উপর অমানবিক নির্যাতন করে আসছে আফসার শিকদার।

‎ঘঠনার দিন সোমবার সকাল ১১টার দিকে টুম্পা বাবার বাড়ি হতে টাকা আনতে ব্যার্থ হলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ঘরে তালা বদ্ধ করে বাঁশ দিয়ে মারধর,ব্যবহারিক ওড়না দিয়ে শাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করলে আসপাশের লোকজন ছুটে আসাতে টুম্পা প্রানে বেঁচে গেলেও ততক্ষনে শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে টুম্পার ছোট ভাই ইমন গাজী স্থানীয়দের সাথে নিয়ে কপালিয়া গ্রামে বোনের বাড়িতে গেলে আফসার তাকেও মারধর করে,পরে ইমনকে দেখে নিবে বলে প্রকাশ্যে জীবননাশের হুমকি দেয়।

‎ইতিহাস বলছে,টুম্পার শরীরের বিভিন্ন স্থানের ক্ষত হওয়া নির্মমতার অসংখ্য পুরাতন ছাপ বলে দেই দক্ষিনাঞ্চলের ত্রাশ খুলনার এরশাদ শিকদারের (খুনী শিকদার) চেয়ে কোন অংশে কম নাই মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের ভাই আফসার শিকদার।

‎টুম্পা বেগমের দেওয়া তথ্য বলছে,মাঝে মধ্য ঘরের তালা বদ্ধ করে মুখের ভিতর কাপড় ভরে দিয়ে চার হাত-পা বেঁধে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করে নিথর দেহ ফেলে রাখতো এই আফসার শিকদার,‎এদিকে তথ্য বলছে,১০ বছর পূর্বে টুম্পা বেগম দেখতে সুন্দরী হওয়ায় আফসার তার ভাই আনিচুর শিকদারের মেম্বারের ক্ষমতা ও পরিবার বিত্তশালী হওয়ায় জোরপূর্বক ভাবে নাবালিকা টুম্পাকে বিয়ে করে আফসার,প্রকৃতপক্ষে এই টুম্পা দেখতে সুন্দরী হওয়ায় আফসারের লালসার লোলুপ দৃষ্টি প্রেক্ষাপটের ভিন্নতায় আজ ভুক্তভোগীর জীবনে এখন ঘোর অমানিশা সৃষ্টি করেছে।

‎সরাসরি কথা বলতে গেলে, নিজেকে অনেক বড় কিছু উপস্থাপন করে অপরাধী ছোট ভাই আফসার শিকদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন ও এ বেপারে আর কোন কিছু জানতে যোগাযোগ না করা কথা জানালেও অভিযোগকারী টুম্পার দাবি,আফসারের জুয়া খেলা,পরকীয়া,মাদকসেবন ও স্ত্রী নির্যাতনের সমস্ত বিচারিক ক্ষমতায় নিজের ভাইয়ের অপরাধের শাস্তি না দিয়ে আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠার পেছনে একমাত্র ইন্দন দাতা হয়ে ভাইকে অপরাধের দিকে এগিয়ে দিয়েছে আরেক অভিযুক্ত অপরাধী পরামর্শক ইউপি সদস্য মেম্বার আনিচুর শিকদার।

‎এ বেপারে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যেয়ে,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আখতার ফারখ মিন্টু মুঠোফোনে জানান,আমি এখন বাইরে আছি।তবে  অসংখ্যবার আমরা এর শালিস করেছি।এবারও একটা বসাবসির কথা ছিলো তার মধ্য থানায় অভিযোগ করেছে,‎নির্যাতন কারী এ অভিযোগের প্রধান অভিযুক্ত আফসার শিকদার সাংবাদিক দেখে দাম্ভিক কন্ঠে বলে উঠেন,ভাই আপনাদের কারা পাঠায়ছে! জেলখানা মানুষের জন্য,গরু ছাগলের জন্য না,কাবিননামা