০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎মণিরামপুরে ২টি হ’ত্যা’কা’ন্ডঃ ‎ভ্যান চালক মিন্টুর পরিবারে উৎকন্ঠা,আ’লীগ নেতা হ’ত্যা’কা’ন্ডে সবুজ গ্রে*ফ*তা*র ‎

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৭ Time View
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল,মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

গত মাসের শেষ সপ্তাহে যশোরের মণিরামপুর পৌরশহরে ভ্যান চালক মিন্টুকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ও উপজেলার ঝাপা ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের সাবেক ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা আশরাফুলকে  ধারালো চাকু দিয়ে হত্যা করে দূর্বীত্তরা।

‎পরপর আলোচিত ২টি হত্যাকান্ডে আলাদা ২টি ঘঠনায় মিন্টু হত্যায় সাব্বির (বড়) ও আশরাফুল হত্যায় সবুজ হোসেনকে প্রধান আসামি করে  মামলা দায়ের করে তাদের পরিবার। এর মধ্য মণিরামপুর পৌরশহরের ভ্যানচালক মিন্টু হত্যাকান্ডে ৫ জন ও রাজগন্জে আশরাফুল হত্যা মামলায় ৪ জনকে আসামি করা হয় বলে জানা গেছে।

‎মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর )আশরাফুল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি মনিরামপুর উপজেলা মোবারকপুর গ্রামের গনি মোসলেমের ছেলে সবুজকে গ্রেফতারের পর সবুজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাজগঞ্জ বাজার বাদশার চায়ের দোকানে সামনে রাজগঞ্জ পুলেরহাট সড়কে খেজুর গাছের পাশ থেকে এগারোটার দিকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে সাবেক আ’লীগ নেতা আশরাফুল হত্যাকান্ডে ৭২ ঘন্টার মধ্য প্রধান আসামি সবুজ গ্রেফতার হলেও! মণিরামপুর পৌরশহরের হাকোবা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে ২ সন্তানের জনক নীরিহ ভ্যান চালক মিন্টুকে কুপিয়ে হত্যার ঘঠনার প্রধান আসামী একই গ্রামের জৈনক সাদেক হালদারের ছেলে মোঃ সাব্বির হালদার এ ঘঠনার ৫দিন,বলা যায় প্রায় ১ সপ্তাহ পার হলেও গ্রেফতার না হওয়ায় নিহতের পরিবারের সদস্যদের মধ্য দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা।

‎মণিরামপুর থানা পুলিশের তৎপরতায় মিন্টু হত্যাকান্ডের দুই আসামি ছোট সাব্বির ও ফারুক গ্রেফতার হলেও এখনো পর্যন্ত মাস্টারমাইন্ড সাবেক বিএনপি কর্মী সাব্বির হালদার ওরফে বড় সাব্বির প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় মিন্টুর পরিবারের উৎকন্ঠার পাশাপাশি সর্বমহলে বেড়ে চলেছে সমালোচনার ঝড়।

‎তথ্যচিত্র বলছে,ঘঠনার পরেরদিন মিন্টুর লাশ আশার সময় হতে এখনো পর্যন্ত বড় সাব্বির বিএনপির কর্মী হওয়ায় প্রশাসন তাকে গ্রেফতার না করে টালবাহানা করছে! পরিবার সুবিচার পাচ্ছেনা! মিন্টুর ২টি সন্তান বাবার হত্যার বিচারের আক্ষেপের সাথে অনাগত ভবিষ্যৎ হবে কি! এ সমস্ত সমালোচনায় ভ্যান চালক মিন্টু হত্যাকান্ড বর্তমানে “টক অব দ্যা টাইম” হয়ে দাড়িয়েছে।

‎তবে গত ৪ দিনের চলতি অনুসন্ধানে এ সমস্ত তথ্য সংগ্রহে মিন্টু হত্যাকান্ডের মুল হোতা বড় সাব্বিরের গ্রেফতার নিয়ে বিএনপিকে দোষারোপের বিপরীতে দেখা গেছে এ হত্যা কান্ডের স্বীকার হওয়া নিহত মিন্টুর পরিবারের প্রতি মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সহমর্মিতার দৃশ্য। হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারনে সাব্বিরকে বহিষ্কারের সাথে হত্যাকান্ডের ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন,জানাযার নামাজে অংশগ্রহণে লাশ দাফনের পরবর্তীতে মিন্টুর দুই সন্তানের দায়ভার নিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু,সিঃ সহ-সভাপতি মোঃ মফিজুর রহমান মফিজ সহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও সহমর্মিতার সাথে সাথে আসামীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবীও জানিয়েছে। সোস্যাল মিডিয়াতে একাধিক নেতাকর্মীদের ভ্যারিফায়েড ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করতে দেখা গেছে ” খুনী কোন দলের না,মিন্টু হত্যার প্রধান আসামী সাব্বিরকে গ্রেফতার দেখতে চাই” শিরোনামীয় পোস্ট।

‎উপজেলা বিএনপির সূত্র মাধ্যম বলছে,দল কাউকে খুন করতে বলে দেয়না। কারো হত্যার শিক্ষা বিএনপি দেয়না,তাই অপরাধীর কোন ঠাই বিএনপিতে নাই। তা ছাড়া মিন্টু-সেন্টু বিএনপির দুঃসময়েও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক পোস্টারিং করেছে। মিন্টুকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, যে কোন মূল্যে হত্যাকারী সাব্বিরকে গ্রেফতার দেখতে চাই।
‎সর্বশেষ খবর জানতে চাইলে সহকারি পুলিশ সুপার মণিরামপুর সার্কেল (এএসপি) ইমদাদুল হক জানান,প্রশাসনের অভিযান এখনো চলমান আছে।সাব্বিরকে গ্রেফতার করতে মণিরামপুর থানা সহ কয়েকটি স্তরের প্রশাসন টিম ভিত্তিক কাজ করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

‎মণিরামপুরে ২টি হ’ত্যা’কা’ন্ডঃ ‎ভ্যান চালক মিন্টুর পরিবারে উৎকন্ঠা,আ’লীগ নেতা হ’ত্যা’কা’ন্ডে সবুজ গ্রে*ফ*তা*র ‎

Update Time : ০৪:২৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল,মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

গত মাসের শেষ সপ্তাহে যশোরের মণিরামপুর পৌরশহরে ভ্যান চালক মিন্টুকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ও উপজেলার ঝাপা ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের সাবেক ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা আশরাফুলকে  ধারালো চাকু দিয়ে হত্যা করে দূর্বীত্তরা।

‎পরপর আলোচিত ২টি হত্যাকান্ডে আলাদা ২টি ঘঠনায় মিন্টু হত্যায় সাব্বির (বড়) ও আশরাফুল হত্যায় সবুজ হোসেনকে প্রধান আসামি করে  মামলা দায়ের করে তাদের পরিবার। এর মধ্য মণিরামপুর পৌরশহরের ভ্যানচালক মিন্টু হত্যাকান্ডে ৫ জন ও রাজগন্জে আশরাফুল হত্যা মামলায় ৪ জনকে আসামি করা হয় বলে জানা গেছে।

‎মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর )আশরাফুল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি মনিরামপুর উপজেলা মোবারকপুর গ্রামের গনি মোসলেমের ছেলে সবুজকে গ্রেফতারের পর সবুজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাজগঞ্জ বাজার বাদশার চায়ের দোকানে সামনে রাজগঞ্জ পুলেরহাট সড়কে খেজুর গাছের পাশ থেকে এগারোটার দিকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে সাবেক আ’লীগ নেতা আশরাফুল হত্যাকান্ডে ৭২ ঘন্টার মধ্য প্রধান আসামি সবুজ গ্রেফতার হলেও! মণিরামপুর পৌরশহরের হাকোবা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে ২ সন্তানের জনক নীরিহ ভ্যান চালক মিন্টুকে কুপিয়ে হত্যার ঘঠনার প্রধান আসামী একই গ্রামের জৈনক সাদেক হালদারের ছেলে মোঃ সাব্বির হালদার এ ঘঠনার ৫দিন,বলা যায় প্রায় ১ সপ্তাহ পার হলেও গ্রেফতার না হওয়ায় নিহতের পরিবারের সদস্যদের মধ্য দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা।

‎মণিরামপুর থানা পুলিশের তৎপরতায় মিন্টু হত্যাকান্ডের দুই আসামি ছোট সাব্বির ও ফারুক গ্রেফতার হলেও এখনো পর্যন্ত মাস্টারমাইন্ড সাবেক বিএনপি কর্মী সাব্বির হালদার ওরফে বড় সাব্বির প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় মিন্টুর পরিবারের উৎকন্ঠার পাশাপাশি সর্বমহলে বেড়ে চলেছে সমালোচনার ঝড়।

‎তথ্যচিত্র বলছে,ঘঠনার পরেরদিন মিন্টুর লাশ আশার সময় হতে এখনো পর্যন্ত বড় সাব্বির বিএনপির কর্মী হওয়ায় প্রশাসন তাকে গ্রেফতার না করে টালবাহানা করছে! পরিবার সুবিচার পাচ্ছেনা! মিন্টুর ২টি সন্তান বাবার হত্যার বিচারের আক্ষেপের সাথে অনাগত ভবিষ্যৎ হবে কি! এ সমস্ত সমালোচনায় ভ্যান চালক মিন্টু হত্যাকান্ড বর্তমানে “টক অব দ্যা টাইম” হয়ে দাড়িয়েছে।

‎তবে গত ৪ দিনের চলতি অনুসন্ধানে এ সমস্ত তথ্য সংগ্রহে মিন্টু হত্যাকান্ডের মুল হোতা বড় সাব্বিরের গ্রেফতার নিয়ে বিএনপিকে দোষারোপের বিপরীতে দেখা গেছে এ হত্যা কান্ডের স্বীকার হওয়া নিহত মিন্টুর পরিবারের প্রতি মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সহমর্মিতার দৃশ্য। হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারনে সাব্বিরকে বহিষ্কারের সাথে হত্যাকান্ডের ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন,জানাযার নামাজে অংশগ্রহণে লাশ দাফনের পরবর্তীতে মিন্টুর দুই সন্তানের দায়ভার নিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু,সিঃ সহ-সভাপতি মোঃ মফিজুর রহমান মফিজ সহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও সহমর্মিতার সাথে সাথে আসামীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবীও জানিয়েছে। সোস্যাল মিডিয়াতে একাধিক নেতাকর্মীদের ভ্যারিফায়েড ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করতে দেখা গেছে ” খুনী কোন দলের না,মিন্টু হত্যার প্রধান আসামী সাব্বিরকে গ্রেফতার দেখতে চাই” শিরোনামীয় পোস্ট।

‎উপজেলা বিএনপির সূত্র মাধ্যম বলছে,দল কাউকে খুন করতে বলে দেয়না। কারো হত্যার শিক্ষা বিএনপি দেয়না,তাই অপরাধীর কোন ঠাই বিএনপিতে নাই। তা ছাড়া মিন্টু-সেন্টু বিএনপির দুঃসময়েও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক পোস্টারিং করেছে। মিন্টুকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, যে কোন মূল্যে হত্যাকারী সাব্বিরকে গ্রেফতার দেখতে চাই।
‎সর্বশেষ খবর জানতে চাইলে সহকারি পুলিশ সুপার মণিরামপুর সার্কেল (এএসপি) ইমদাদুল হক জানান,প্রশাসনের অভিযান এখনো চলমান আছে।সাব্বিরকে গ্রেফতার করতে মণিরামপুর থানা সহ কয়েকটি স্তরের প্রশাসন টিম ভিত্তিক কাজ করছে।