০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ঠিকাদার সুমনকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের নিন্দা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৩ Time View
blank
blank

 

পাভেল ইসলাম মিমুল, স্টাফ রিপোর্টার

সম্প্রতি গত দুইদিন ধরে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ঠিকাদার মোঃ সুমনকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচারিত। এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

ঠিকাদার মোঃ সুমন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়মিতভাবে টেন্ডারের মাধ্যমে আইন ও বিধি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি কখনোই জড়িত নন। একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “সংবাদে আমাকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই-কারাগারে মালামালের সঙ্গে মাদক পাচার কিংবা আমার সঙ্গে সাবেক মেয়র লিটনের কোনো সম্পর্কের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি কোনো রাজনীতির সাথেও জড়িত নই। যদি এ ধরনের কোনো তথ্য কারও কাছে থেকে থাকে, তবে প্রমাণসহ প্রকাশ করার আহ্বান জানাই, অন্যথায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য পরিবেশনকারীদের বিরুদ্ধে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।”

তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করেই আমাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে সংবাদ প্রকাশের পূর্বে সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করছি।”

ঠিকাদার মোঃ সুমন সংশ্লিষ্ট মহল ও সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজশাহী কারাগারের জেল সুপার বলেন, যেহেতু কারগারের মালামাল সরবরাহ ইজিপি টেন্ডারের মাধ্যমে সেহেতু এখানে অনিয়মের কোন প্রশ্ন আসেনা।

আর যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কারাগারে মালামাল সরবরাহ করেন সে মালামালগুলো কারাফটকেই একজন পিআই সদস্য,কারাগারের জেলার ও ডেপুটি জেলারের মাধ্যমে তা যাচাই বাছাই করে ছবি ও ভিডিও ধারেনর মাধ্যমে আইজি প্রিজম বরাবর প্রেরন করা হয়। সেখানে মালামালে অনিয়ম বা মালামালের মধ্যে কোন মাদকদ্রব্য করাঅভ্যান্তরে প্রবেশের কোন সুজগ নেই।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ঠিকাদার সুমনকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের নিন্দা

Update Time : ০৩:১২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
blank
blank

 

পাভেল ইসলাম মিমুল, স্টাফ রিপোর্টার

সম্প্রতি গত দুইদিন ধরে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ঠিকাদার মোঃ সুমনকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচারিত। এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

ঠিকাদার মোঃ সুমন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়মিতভাবে টেন্ডারের মাধ্যমে আইন ও বিধি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি কখনোই জড়িত নন। একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “সংবাদে আমাকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই-কারাগারে মালামালের সঙ্গে মাদক পাচার কিংবা আমার সঙ্গে সাবেক মেয়র লিটনের কোনো সম্পর্কের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি কোনো রাজনীতির সাথেও জড়িত নই। যদি এ ধরনের কোনো তথ্য কারও কাছে থেকে থাকে, তবে প্রমাণসহ প্রকাশ করার আহ্বান জানাই, অন্যথায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য পরিবেশনকারীদের বিরুদ্ধে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।”

তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করেই আমাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে সংবাদ প্রকাশের পূর্বে সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করছি।”

ঠিকাদার মোঃ সুমন সংশ্লিষ্ট মহল ও সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজশাহী কারাগারের জেল সুপার বলেন, যেহেতু কারগারের মালামাল সরবরাহ ইজিপি টেন্ডারের মাধ্যমে সেহেতু এখানে অনিয়মের কোন প্রশ্ন আসেনা।

আর যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কারাগারে মালামাল সরবরাহ করেন সে মালামালগুলো কারাফটকেই একজন পিআই সদস্য,কারাগারের জেলার ও ডেপুটি জেলারের মাধ্যমে তা যাচাই বাছাই করে ছবি ও ভিডিও ধারেনর মাধ্যমে আইজি প্রিজম বরাবর প্রেরন করা হয়। সেখানে মালামালে অনিয়ম বা মালামালের মধ্যে কোন মাদকদ্রব্য করাঅভ্যান্তরে প্রবেশের কোন সুজগ নেই।