১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবহাটায় মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল ও সর্বোত্তম ব্যবহার বিষয়ক সভা অনুষ্ঠত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮০ Time View
blank
blank

আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটাঃ

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ দেবহাটা উপজেলা কমিটির আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে দেবহাটা উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আটশতবিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে ১৯শে আগস্ট রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলার ৫০ জন মৎস্য চাষির সাথে মতবিনিময় সভাঅনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার, আবু বকর সিদ্দিক, মেরিন ফিশারিজ অফিসার মো:সাজ্জাদ হোসেন এই সময় সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন। সাতক্ষীরা জেলার উপকূলীয় উপজেলা দেবহাটা প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এখানে বিস্তীর্ণ জলাশয়, খাল-বিল ও ঘেরভিত্তিক চাষাবাদের কারণে মৎস্য উৎপাদনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে চিংড়ি, সাদা মাছ, কাঁকড়া এবং স্থানীয় প্রজাতির মাছ এ এলাকার মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।কিন্তু অতিরিক্ত আহরণ, অবৈজ্ঞানিক চাষাবাদ, বন্যা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির মতো সমস্যার কারণে মৎস্য সম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। তাই স্থায়িত্বশীলতা ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে কিছু উদ্যোগ প্রয়োজন। সঠিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেবহাটা উপজেলার মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত হলে এখানকার অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় খাদ্য পাবে বলে তিনি মনে করেন।
এই চাষিদের মধ্যে থেকে তাদের মৎস্য চাষের সুবিধার জন্য কিছু সুপারিশ করেন তাদের সুপারিশসমূহ—–
১. পরিবেশবান্ধব চাষ পদ্ধতি: ঘেরে সঠিক লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ, পলি ব্যবস্থাপনা এবং উপযুক্ত প্রজাতির সমন্বিত চাষ।
২. স্থানীয় প্রজাতি সংরক্ষণ: দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা মানা ও প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষা।
৩. প্রযুক্তি ব্যবহার: উন্নত পোনা উৎপাদন, পানি মান নিয়ন্ত্রণ ও রোগ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ।
৪. সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ: চাষিদের প্রশিক্ষণ, সমবায়ভিত্তিক কাজ ও সরকারি সহযোগিতা বৃদ্ধি।
৫. বিকল্প জীবিকা উন্নয়ন: একমাত্র মাছের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি ও গবাদি পশুপালনের মতো পরিপূরক জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

দেবহাটায় মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল ও সর্বোত্তম ব্যবহার বিষয়ক সভা অনুষ্ঠত

Update Time : ১১:১৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
blank
blank

আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটাঃ

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ দেবহাটা উপজেলা কমিটির আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে দেবহাটা উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আটশতবিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে ১৯শে আগস্ট রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলার ৫০ জন মৎস্য চাষির সাথে মতবিনিময় সভাঅনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার, আবু বকর সিদ্দিক, মেরিন ফিশারিজ অফিসার মো:সাজ্জাদ হোসেন এই সময় সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন। সাতক্ষীরা জেলার উপকূলীয় উপজেলা দেবহাটা প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এখানে বিস্তীর্ণ জলাশয়, খাল-বিল ও ঘেরভিত্তিক চাষাবাদের কারণে মৎস্য উৎপাদনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে চিংড়ি, সাদা মাছ, কাঁকড়া এবং স্থানীয় প্রজাতির মাছ এ এলাকার মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।কিন্তু অতিরিক্ত আহরণ, অবৈজ্ঞানিক চাষাবাদ, বন্যা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির মতো সমস্যার কারণে মৎস্য সম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। তাই স্থায়িত্বশীলতা ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে কিছু উদ্যোগ প্রয়োজন। সঠিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেবহাটা উপজেলার মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত হলে এখানকার অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় খাদ্য পাবে বলে তিনি মনে করেন।
এই চাষিদের মধ্যে থেকে তাদের মৎস্য চাষের সুবিধার জন্য কিছু সুপারিশ করেন তাদের সুপারিশসমূহ—–
১. পরিবেশবান্ধব চাষ পদ্ধতি: ঘেরে সঠিক লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ, পলি ব্যবস্থাপনা এবং উপযুক্ত প্রজাতির সমন্বিত চাষ।
২. স্থানীয় প্রজাতি সংরক্ষণ: দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা মানা ও প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষা।
৩. প্রযুক্তি ব্যবহার: উন্নত পোনা উৎপাদন, পানি মান নিয়ন্ত্রণ ও রোগ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ।
৪. সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ: চাষিদের প্রশিক্ষণ, সমবায়ভিত্তিক কাজ ও সরকারি সহযোগিতা বৃদ্ধি।
৫. বিকল্প জীবিকা উন্নয়ন: একমাত্র মাছের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি ও গবাদি পশুপালনের মতো পরিপূরক জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি।