০৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে ইসলামী ফাউন্ডেশনে চাকরির অভিযোগে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০৫ Time View
blank
blank

কেশবপুর,যশোর প্রতিনিধিঃ

যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাত্র পাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন এর কোরআন শিক্ষা কেন্দ্রে জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন তাসলিমা খাতুন নামে এক শিক্ষিকা, উপ-পরিচালক ইসলামী ফাউন্ডেশন যশোর ও কেশবপুর  ইউএনও অফিসের অভিযোগে বিভিন্ন চ্যানেল ও পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হলে নজর পড়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের
,বিষয়টা সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় ইসলামী ফাউন্ডেশনকে নির্দেশ দিয়ে বাদী ও বিবাদী কে চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে কেশবপুর উপজেলার মোছাঃ তাসলিমা খাতুন পাত্র পাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক মক্তবে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে একই ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন জন্মতারিখ ব্যবহার করে চাকরি করার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে অভিযোগের বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।, তবে চিঠি পাওয়ার পর কেশবপুর ইসলামী ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার আশিকুর রহমান তার চাকরি বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন বলে সুত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য
তাসলিমা খাতুন ১৯৮৯ সালে বড়েঙ্গা সম্মিলন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে  ১৬-১০-১৯৭৩ জন্ম দেখিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন যার রেজিঃ নং ১১১১৬ রোল নং – ম-৫৩২ বিভাগ তৃতীয় ।  তার পর থেকে সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে বিভিন্ন গণকেন্দ্রে চাকরি করেন তিনি । পরবর্তীতে তিনি ৩-০৭-১৯৮৪ দ্বিতীয় জন্ম সনদ তৈরি করে বারইহাটি পাত্র পাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা হতে ২০০১ সালে জিপিএ ২.৬৭ পেয়ে দাখিল পাস করেন। সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশনে চাকরি নেন, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে মাত্র ১২ জন ছাত্র ছাত্রী, ।
তথ্য অনুসন্ধানে
আরো জানা যায় তার একটা মেয়ে আছে তার নাম শারমিন আক্তার তিনি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্রে আলতাপোল  বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রের নাম দেখিয়ে ভালুকঘর দপ্তরী পাড়া কেন্দ্রে চাকরি করেন। তাসলিমা তার নিজের বয়স জাল জালিয়াতি করতে গিয়ে  মা এবং মেয়ের বয়সের ভিতরে তফাৎ করে ফেলেছেন ৮ বছর। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কেয়ার টেকারসহ যারা চাকরি করেন তাদের একাধিক পরিবার থেকে ৩/৪ জন পর্যন্ত চাকরি করে থাকেন যা নিয়মের বাইরে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে ইসলামী ফাউন্ডেশনে চাকরির অভিযোগে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের

Update Time : ১০:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
blank
blank

কেশবপুর,যশোর প্রতিনিধিঃ

যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাত্র পাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন এর কোরআন শিক্ষা কেন্দ্রে জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন তাসলিমা খাতুন নামে এক শিক্ষিকা, উপ-পরিচালক ইসলামী ফাউন্ডেশন যশোর ও কেশবপুর  ইউএনও অফিসের অভিযোগে বিভিন্ন চ্যানেল ও পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হলে নজর পড়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের
,বিষয়টা সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় ইসলামী ফাউন্ডেশনকে নির্দেশ দিয়ে বাদী ও বিবাদী কে চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে কেশবপুর উপজেলার মোছাঃ তাসলিমা খাতুন পাত্র পাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক মক্তবে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে একই ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন জন্মতারিখ ব্যবহার করে চাকরি করার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে অভিযোগের বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।, তবে চিঠি পাওয়ার পর কেশবপুর ইসলামী ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার আশিকুর রহমান তার চাকরি বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন বলে সুত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য
তাসলিমা খাতুন ১৯৮৯ সালে বড়েঙ্গা সম্মিলন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে  ১৬-১০-১৯৭৩ জন্ম দেখিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন যার রেজিঃ নং ১১১১৬ রোল নং – ম-৫৩২ বিভাগ তৃতীয় ।  তার পর থেকে সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে বিভিন্ন গণকেন্দ্রে চাকরি করেন তিনি । পরবর্তীতে তিনি ৩-০৭-১৯৮৪ দ্বিতীয় জন্ম সনদ তৈরি করে বারইহাটি পাত্র পাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা হতে ২০০১ সালে জিপিএ ২.৬৭ পেয়ে দাখিল পাস করেন। সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশনে চাকরি নেন, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে মাত্র ১২ জন ছাত্র ছাত্রী, ।
তথ্য অনুসন্ধানে
আরো জানা যায় তার একটা মেয়ে আছে তার নাম শারমিন আক্তার তিনি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্রে আলতাপোল  বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রের নাম দেখিয়ে ভালুকঘর দপ্তরী পাড়া কেন্দ্রে চাকরি করেন। তাসলিমা তার নিজের বয়স জাল জালিয়াতি করতে গিয়ে  মা এবং মেয়ের বয়সের ভিতরে তফাৎ করে ফেলেছেন ৮ বছর। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কেয়ার টেকারসহ যারা চাকরি করেন তাদের একাধিক পরিবার থেকে ৩/৪ জন পর্যন্ত চাকরি করে থাকেন যা নিয়মের বাইরে।