০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে জন্মতারিখ জালিয়াতি করে ইসলামী ফাউন্ডেশনে চাকরি করছেন তাসলিমা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬১ Time View
blank
blank

 

 

আব্দুস সালাম মুর্শিদী (কেশবপুর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাত্রপাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন এর কোরআন শিক্ষা কেন্দ্রে জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন তাসলিমা খাতুন নামে এক শিক্ষিকা, উপ-পরিচালক ইসলামী ফাউন্ডেশন যশোর ও কেশবপুর  ইউএনও অফিসের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে তাসলিমা খাতুন ১৯৮৯ সালে বড়েঙ্গা সম্মিলন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে  ১৬-১০-১৯৭৩ জন্ম দেখিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন যার রেজিঃ নং ১১১১৬ রোল নং – ম-৫৩২ বিভাগ তৃতীয় ।  তার পর থেকে সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে বিভিন্ন গণকেন্দ্রে চাকরি করেন তিনি । পরবর্তীতে তিনি ৩-০৭-১৯৮৪ দ্বিতীয় জন্ম সনদ তৈরি করে বারইহাটি পাত্র পাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা হতে ২০০১ সালে এসে  জিপিএ ২.৬৭ পেয়ে দাখিল পাস করেন। সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে তিনি ২০১৫ সালে ইসলামী ফাউন্ডেশন এর পাত্র পাড়া কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষা চাকরি নেন রবিবার সকালে গিয়ে দেখা গেছে মাত্র ১২জন ছাত্র ছাত্রী, তথ্য অনুসন্ধানে

আরো জানা যায় তার একটা মেয়ে আছে নাম শারমিন আক্তার তিনি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্রে আলতাপোল  বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রের নাম দেখিয়ে ভালুকঘর দপ্তরীপাড়া কেন্দ্রে চাকরি করেন। তাসলিমা তার নিজের বয়স জাল জালিয়াতি করতে গিয়ে  মা এবং মেয়ের বয়সের ভিতরে তফাৎ মাত্র ৮ বছর করে ফেলেছে,শুধু তাই নয় কেশবপুর ইসলামী ফাউন্ডেশন এর আওতায় কেয়ার টেকার সহ যারা চাকরি করেন তথ্য অনুসন্ধানে  জানা গেছে তাদের অনেকের এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তি চাকরি করে থাকেন যেটা সুষ্ঠু তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।

তবে একটি গোপন সূত্রে জানা গেছে সুপারভাইজার আশিকুর রহমানকে ম্যানেজ করে সব কিছু করা সম্ভব।

সুপার ভাইজার আশিকুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

এ বিষয়ে যশোর ইসলামী ফাউন্ডেশন এর উপ পরিচালক ইকরামুল ইসলাম শাওন বলেন জন্ম নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ার সুযোগ নাই। যদি এ বিষয়ে অভিযোগ সত্যায়িত মেলে  অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে জন্মতারিখ জালিয়াতি করে ইসলামী ফাউন্ডেশনে চাকরি করছেন তাসলিমা

Update Time : ০৫:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
blank
blank

 

 

আব্দুস সালাম মুর্শিদী (কেশবপুর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাত্রপাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন এর কোরআন শিক্ষা কেন্দ্রে জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন তাসলিমা খাতুন নামে এক শিক্ষিকা, উপ-পরিচালক ইসলামী ফাউন্ডেশন যশোর ও কেশবপুর  ইউএনও অফিসের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে তাসলিমা খাতুন ১৯৮৯ সালে বড়েঙ্গা সম্মিলন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে  ১৬-১০-১৯৭৩ জন্ম দেখিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন যার রেজিঃ নং ১১১১৬ রোল নং – ম-৫৩২ বিভাগ তৃতীয় ।  তার পর থেকে সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে বিভিন্ন গণকেন্দ্রে চাকরি করেন তিনি । পরবর্তীতে তিনি ৩-০৭-১৯৮৪ দ্বিতীয় জন্ম সনদ তৈরি করে বারইহাটি পাত্র পাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা হতে ২০০১ সালে এসে  জিপিএ ২.৬৭ পেয়ে দাখিল পাস করেন। সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে তিনি ২০১৫ সালে ইসলামী ফাউন্ডেশন এর পাত্র পাড়া কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষা চাকরি নেন রবিবার সকালে গিয়ে দেখা গেছে মাত্র ১২জন ছাত্র ছাত্রী, তথ্য অনুসন্ধানে

আরো জানা যায় তার একটা মেয়ে আছে নাম শারমিন আক্তার তিনি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্রে আলতাপোল  বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রের নাম দেখিয়ে ভালুকঘর দপ্তরীপাড়া কেন্দ্রে চাকরি করেন। তাসলিমা তার নিজের বয়স জাল জালিয়াতি করতে গিয়ে  মা এবং মেয়ের বয়সের ভিতরে তফাৎ মাত্র ৮ বছর করে ফেলেছে,শুধু তাই নয় কেশবপুর ইসলামী ফাউন্ডেশন এর আওতায় কেয়ার টেকার সহ যারা চাকরি করেন তথ্য অনুসন্ধানে  জানা গেছে তাদের অনেকের এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তি চাকরি করে থাকেন যেটা সুষ্ঠু তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।

তবে একটি গোপন সূত্রে জানা গেছে সুপারভাইজার আশিকুর রহমানকে ম্যানেজ করে সব কিছু করা সম্ভব।

সুপার ভাইজার আশিকুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

এ বিষয়ে যশোর ইসলামী ফাউন্ডেশন এর উপ পরিচালক ইকরামুল ইসলাম শাওন বলেন জন্ম নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ার সুযোগ নাই। যদি এ বিষয়ে অভিযোগ সত্যায়িত মেলে  অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।