১০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাচোলে ফলক ছাড়াই প্রায় ৬কোটি টাকার বর্জ শোধনাগারের উদ্বোধন,বাইরে ময়লার স্তুুপের দূ’র্গ’ন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • ৫৪ Time View
blank
blank

 

মোঃ ইব্রাহীম, স্টাফ রিপোটার-

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল পৌরসভার নির্মিত বর্জ শোধনাগার নামফলক ছাড়াই উদ্বোধন করা হযয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকায় নির্মিত বর্জ শোধনাগার এর আয়তন প্রায় ১১বিঘা। শোধনাগারের বাইরে বর্জ(ময়লা)’র স্তুুপ। ময়লার দূর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়েপড়েছে। গত ৭ জুলাই উদ্বোধনী ফলক ছাড়াই বর্জ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সাবেক পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলুফা সরকার। পৌরসভার নির্বাহী খায়রুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালের ১২ মার্চ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প ( NMWSSP)’র আওতায় সদর ইউনিয়নের (লক্ষণপুর- দরবেশপুর)গ্রামে খাড়ির ধারে সমন্বিত বর্জ ব্যবস্থাপনা সুবিধা(Integrated Waste Management Facility) স্থাপন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তৎকালীন পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু। নাচোল পৌরসভার বর্জ ওই শোধনাগারে ফেলার জন্য একটি আধুনিক বর্জ শোধনাগার নির্মানের উদ্বোধন করা হয়েছিল। গত ৭ জুলাই ওই শোধনাগারের বর্জ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হলেও উদ্বোধনী ফলক স্থাপন করা হয়নি। ওই শোধনাগারের বাইরে রাস্তাঘেঁষে ময়লার স্তুপ রয়ে গেছে। বর্তমানে ময়লার দুর্গন্ধে ঐ এলাকায় বসবাসকারী ও সদর ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতকারী জনসাধারণের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। শোধনাগারের পার্শবর্তী সাবের আলীর স্ত্রী নীলুফা বেগম, রুবেল আলীর স্ত্রী জবেদা, মইনুদ্দিনের স্ত্রী নাজমা বেগম, জয়নুদ্দিন ও ইনসান আলী তাদের অভিযোগে জানান, পূর্র্বের পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী নিকট অভিযোগ করলে তারা উল্টো আমাদের ওই স্থান থেকে বাড়ি সরিয়ে নিতে বলেন। আমরা অসহায় গরীব, ভুমিহিন মানুষ। এদিকে শোধনাগারের শ্রমিকদের নিদৃষ্ট পোশাক ছাড়াই অস্বাস্থ্যকার পরিবেশে কাজ করতে দেখা গেছে। এবিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলি মাহবুবুল আলম জানান, এই কাজটি পূর্বে ইঞ্জিনিয়ার ইউসুফ আলী শুরুকরেছিলেন। তবে বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ, শ্রমিকদের পোশাক, ময়লার স্তুুপ না সরিয়ে তড়িঘড়ি করে উদ্বোধন করা এবং নির্মানকাজের সাথে উদ্বোধনী ফলকের খরচ ধরা আছে কিনা তা জানা নেই। এ ব্যাপারে সদর ইউপি সদস্য আতাউর রহমান জানান, প্রায় ৬কোটি টাকা ব্যয়েনির্মিত শোধনাগারটি এখন মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ময়লার ¯ু‘প গড়েতুলেছে শোধনাগারের বাইরে, এতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন,এবিষয়ে আমার জানানেই তবে কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

নাচোলে ফলক ছাড়াই প্রায় ৬কোটি টাকার বর্জ শোধনাগারের উদ্বোধন,বাইরে ময়লার স্তুুপের দূ’র্গ’ন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ

Update Time : ০১:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ ইব্রাহীম, স্টাফ রিপোটার-

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল পৌরসভার নির্মিত বর্জ শোধনাগার নামফলক ছাড়াই উদ্বোধন করা হযয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকায় নির্মিত বর্জ শোধনাগার এর আয়তন প্রায় ১১বিঘা। শোধনাগারের বাইরে বর্জ(ময়লা)’র স্তুুপ। ময়লার দূর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়েপড়েছে। গত ৭ জুলাই উদ্বোধনী ফলক ছাড়াই বর্জ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সাবেক পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলুফা সরকার। পৌরসভার নির্বাহী খায়রুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালের ১২ মার্চ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প ( NMWSSP)’র আওতায় সদর ইউনিয়নের (লক্ষণপুর- দরবেশপুর)গ্রামে খাড়ির ধারে সমন্বিত বর্জ ব্যবস্থাপনা সুবিধা(Integrated Waste Management Facility) স্থাপন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তৎকালীন পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু। নাচোল পৌরসভার বর্জ ওই শোধনাগারে ফেলার জন্য একটি আধুনিক বর্জ শোধনাগার নির্মানের উদ্বোধন করা হয়েছিল। গত ৭ জুলাই ওই শোধনাগারের বর্জ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হলেও উদ্বোধনী ফলক স্থাপন করা হয়নি। ওই শোধনাগারের বাইরে রাস্তাঘেঁষে ময়লার স্তুপ রয়ে গেছে। বর্তমানে ময়লার দুর্গন্ধে ঐ এলাকায় বসবাসকারী ও সদর ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতকারী জনসাধারণের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। শোধনাগারের পার্শবর্তী সাবের আলীর স্ত্রী নীলুফা বেগম, রুবেল আলীর স্ত্রী জবেদা, মইনুদ্দিনের স্ত্রী নাজমা বেগম, জয়নুদ্দিন ও ইনসান আলী তাদের অভিযোগে জানান, পূর্র্বের পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী নিকট অভিযোগ করলে তারা উল্টো আমাদের ওই স্থান থেকে বাড়ি সরিয়ে নিতে বলেন। আমরা অসহায় গরীব, ভুমিহিন মানুষ। এদিকে শোধনাগারের শ্রমিকদের নিদৃষ্ট পোশাক ছাড়াই অস্বাস্থ্যকার পরিবেশে কাজ করতে দেখা গেছে। এবিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলি মাহবুবুল আলম জানান, এই কাজটি পূর্বে ইঞ্জিনিয়ার ইউসুফ আলী শুরুকরেছিলেন। তবে বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ, শ্রমিকদের পোশাক, ময়লার স্তুুপ না সরিয়ে তড়িঘড়ি করে উদ্বোধন করা এবং নির্মানকাজের সাথে উদ্বোধনী ফলকের খরচ ধরা আছে কিনা তা জানা নেই। এ ব্যাপারে সদর ইউপি সদস্য আতাউর রহমান জানান, প্রায় ৬কোটি টাকা ব্যয়েনির্মিত শোধনাগারটি এখন মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ময়লার ¯ু‘প গড়েতুলেছে শোধনাগারের বাইরে, এতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন,এবিষয়ে আমার জানানেই তবে কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।