০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পূ-র্ব শ*ত্রু*তার জেরে প্রতি/পক্ষে/র হামলায় নি’হ’ত ১ পরিবারে শোকের মাতম

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ৫৭ Time View
blank
blank

 

 

সাইফুল ইসলাম, রাজশাহী প্রতিনিধি ;

 

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে দিবালোকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মনিরুল ইসলাম (৪৭) নামের ১ ডেকোরেটর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ৬ই জুলাই) দিনগত রাত ৯টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আইহাই গ্রামের সাগরাম মোড়ে এ জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মনিরুল ইসলাম রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মৃত তসলিম উদ্দিনের পুত্র। নিহত ব্যক্তি স্থানীয়ভাবে ডেকোরেটর ব্যবসাসহ জমি কেনাবেচার কাজও করতেন।
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরে করেছে ।
হত্যা মামলার আসামীরা হলেন, আশরাফুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, গ্রাম : দেলশাদপুর (শিয়ালমারা), মফিজুল ইসলাম (৫০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, গ্রাম: নারায়নপুর, সাদ্দাম হোসেন (৩৭), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, গ্রাম: নারায়নপুর, আকবর আলী (২৮), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, গ্রাম: দেলশাদপুর, বাবর আলী (১৯), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, গ্রাম: দেলশাদপুর, হানিফ (২৯), পিতা- মফিজুল ইসলাম, গ্রাম: নারায়নপুর, রমজান আলী (২০), পিতা- মফিজুল ইসলাম, গ্রাম: নারায়নপুর , এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐদিন বিকেলে জমি সংক্রান্ত কাজে মনিরুল ইসলাম আমনুরায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে কাজ শেষে রাত ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে যোগে বাড়ি ফেরার পথে সাগরাম মোড়ে আব্দুল হাকিমের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের ১০-১২ জন লাঠি, রড ও লোহার পাইপ নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা মনিরুলকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরত্বর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।এ সময়
স্থানীয়রা গুরত্বর আহত মনিরুলকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তার অবস্থা আশংখাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাতেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবার জানায়, মনিরুল ইসলাম এর আগে একটি মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন, যা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে । আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা কর্মকর্তা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পূ-র্ব শ*ত্রু*তার জেরে প্রতি/পক্ষে/র হামলায় নি’হ’ত ১ পরিবারে শোকের মাতম

Update Time : ১১:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
blank
blank

 

 

সাইফুল ইসলাম, রাজশাহী প্রতিনিধি ;

 

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে দিবালোকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মনিরুল ইসলাম (৪৭) নামের ১ ডেকোরেটর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ৬ই জুলাই) দিনগত রাত ৯টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আইহাই গ্রামের সাগরাম মোড়ে এ জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মনিরুল ইসলাম রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মৃত তসলিম উদ্দিনের পুত্র। নিহত ব্যক্তি স্থানীয়ভাবে ডেকোরেটর ব্যবসাসহ জমি কেনাবেচার কাজও করতেন।
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরে করেছে ।
হত্যা মামলার আসামীরা হলেন, আশরাফুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, গ্রাম : দেলশাদপুর (শিয়ালমারা), মফিজুল ইসলাম (৫০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, গ্রাম: নারায়নপুর, সাদ্দাম হোসেন (৩৭), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, গ্রাম: নারায়নপুর, আকবর আলী (২৮), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, গ্রাম: দেলশাদপুর, বাবর আলী (১৯), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, গ্রাম: দেলশাদপুর, হানিফ (২৯), পিতা- মফিজুল ইসলাম, গ্রাম: নারায়নপুর, রমজান আলী (২০), পিতা- মফিজুল ইসলাম, গ্রাম: নারায়নপুর , এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐদিন বিকেলে জমি সংক্রান্ত কাজে মনিরুল ইসলাম আমনুরায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে কাজ শেষে রাত ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে যোগে বাড়ি ফেরার পথে সাগরাম মোড়ে আব্দুল হাকিমের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের ১০-১২ জন লাঠি, রড ও লোহার পাইপ নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা মনিরুলকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরত্বর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।এ সময়
স্থানীয়রা গুরত্বর আহত মনিরুলকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তার অবস্থা আশংখাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাতেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবার জানায়, মনিরুল ইসলাম এর আগে একটি মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন, যা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে । আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা কর্মকর্তা।