১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতের আগমনে রাজাপুরে পিঠা বিক্রির ধুম

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩৬ Time View
blank
blank

ছাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টার:রাজাপুরে শীতের আমেজ শুরু হতেই অলিগলি, পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমি পিঠা ব্যবসায়ীরা। বাহারি সব পিঠাপুলি নজর কাড়ছে পিঠাপ্রেমীদের। বিকেল সন্ধ্যা হলেই পিঠাপুলির দোকানগুলোতে বিক্রির ধুম পড়ে।

সন্ধ্যার পর থেকেই উপজেলায় জনবহুল অলিগলি ও রাস্তার পাশের দোকানগুলোতে দাঁড়িয়ে বা বসে লাইন দিয়ে পিঠা খেতে দেখা যায় অনেককেই। শীত মৌসুমে প্রতিটি বাড়িতে পিঠাপুলি বানানোর অয়োজন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের পবিবর্তনে ঘরে ঘরে পিঠাপুলি তৈরির আয়োজন এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। ব্যস্ততা ও পারিপার্শ্বিক সমস্যায় নিজ হাতে পিঠাপুলি তৈরির আয়োজন কমে গেলেও পিঠাপ্রীতি ও ভোজন কিন্তু থেমে নেই। পিঠা প্রেমীরা এখন দোকানের পিঠার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

বাড়িতে পিঠা বানানোর ঝামেলা এড়াতে অনেকেই দোকান থেকে পিঠা ক্রয় করে স্বাদ মেটাচ্ছেন। আর এ পিঠা বিক্রি করেই জীবিকা চালাচ্ছেন অনেকে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চুলার অল্প আঁচে ধোঁয়া উঠছে। তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু চিতই, ভাপাসহ অন্যান্য পিঠা। আর চুলা থেকে নামানোর পর মুহূর্তেই তা চলে যাচ্ছে অপেক্ষমাণ ক্রেতার হাতে। দোকানে ভাপা ও চিতই পিঠা পাওয়া যায়। চিতই পিঠার সঙ্গে সরিষা ভর্তা, মরিচ ভর্তা ও ধনিয়াপাতা ভর্তা দেওয়া হয়। ভাপা পিঠা ১০ টাকা, চিতই পিঠা ১০ টাকায় বিক্রি হয়। ক্রেতারা রাস্তার পাশে দোকানে বসে সেই পিঠা খাচ্ছেন। কেউবা নিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের জন্য। রাজাপুর শহরের বাইপাস মোড়ের পিঠা বিক্রেতা মো: আব্দুস সালাম বলেন, বছরের এই সময়টা শীতকালীন পিঠা বিক্রি বেশি হয়। বর্তমানে চিতই ও ভাপা পিঠা তৈরি করছি। আর চিতই ও ভাপা পিঠা খাওয়ার জন্য থাকছে অনেক পদের ভর্তা আর এই ব্যবসায় আগে ভালো লাভ পাওয়া গেলেও এখন সবকিছুর দাম অতিরিক্ত হ‌ওয়ায় লাভ তেমন নেই ওই মিল মিল হয় আর কি। চিতই পিঠা খেতে আসা পাশের একটি বাস কাউন্টারের পরিচালক মো. বলেন, শীতে চুলার পাশে বসে পিঠা খাওয়ার যে ছবি আমাদের চোখের ভেসে ওঠে, এখন তার দেখা পাওয়া সম্ভব নয়। রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি হওয়ার কারণে পিঠা খাওয়ার একটু সুযোগ পাওয়া যায়।

রাজাপুর উপজেলার বাঘরি বাজারের পিঠা বিক্রেতা মো. পান্নু হাওলাদার বলেন, আগে প্যাডেল চালিত রিকশা চালাতাম। পাঁচ বছর যাবত এখানে পিঠা বিক্রি করছি। প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ পিস পিঠা বিক্রি হয়। সব খরচ বাদে প্রতিদিন গড়ে ৭শ টাকা লাভ হয়। এতেই সংসার চলে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

শীতের আগমনে রাজাপুরে পিঠা বিক্রির ধুম

Update Time : ০১:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

ছাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টার:রাজাপুরে শীতের আমেজ শুরু হতেই অলিগলি, পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমি পিঠা ব্যবসায়ীরা। বাহারি সব পিঠাপুলি নজর কাড়ছে পিঠাপ্রেমীদের। বিকেল সন্ধ্যা হলেই পিঠাপুলির দোকানগুলোতে বিক্রির ধুম পড়ে।

সন্ধ্যার পর থেকেই উপজেলায় জনবহুল অলিগলি ও রাস্তার পাশের দোকানগুলোতে দাঁড়িয়ে বা বসে লাইন দিয়ে পিঠা খেতে দেখা যায় অনেককেই। শীত মৌসুমে প্রতিটি বাড়িতে পিঠাপুলি বানানোর অয়োজন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের পবিবর্তনে ঘরে ঘরে পিঠাপুলি তৈরির আয়োজন এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। ব্যস্ততা ও পারিপার্শ্বিক সমস্যায় নিজ হাতে পিঠাপুলি তৈরির আয়োজন কমে গেলেও পিঠাপ্রীতি ও ভোজন কিন্তু থেমে নেই। পিঠা প্রেমীরা এখন দোকানের পিঠার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

বাড়িতে পিঠা বানানোর ঝামেলা এড়াতে অনেকেই দোকান থেকে পিঠা ক্রয় করে স্বাদ মেটাচ্ছেন। আর এ পিঠা বিক্রি করেই জীবিকা চালাচ্ছেন অনেকে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চুলার অল্প আঁচে ধোঁয়া উঠছে। তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু চিতই, ভাপাসহ অন্যান্য পিঠা। আর চুলা থেকে নামানোর পর মুহূর্তেই তা চলে যাচ্ছে অপেক্ষমাণ ক্রেতার হাতে। দোকানে ভাপা ও চিতই পিঠা পাওয়া যায়। চিতই পিঠার সঙ্গে সরিষা ভর্তা, মরিচ ভর্তা ও ধনিয়াপাতা ভর্তা দেওয়া হয়। ভাপা পিঠা ১০ টাকা, চিতই পিঠা ১০ টাকায় বিক্রি হয়। ক্রেতারা রাস্তার পাশে দোকানে বসে সেই পিঠা খাচ্ছেন। কেউবা নিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের জন্য। রাজাপুর শহরের বাইপাস মোড়ের পিঠা বিক্রেতা মো: আব্দুস সালাম বলেন, বছরের এই সময়টা শীতকালীন পিঠা বিক্রি বেশি হয়। বর্তমানে চিতই ও ভাপা পিঠা তৈরি করছি। আর চিতই ও ভাপা পিঠা খাওয়ার জন্য থাকছে অনেক পদের ভর্তা আর এই ব্যবসায় আগে ভালো লাভ পাওয়া গেলেও এখন সবকিছুর দাম অতিরিক্ত হ‌ওয়ায় লাভ তেমন নেই ওই মিল মিল হয় আর কি। চিতই পিঠা খেতে আসা পাশের একটি বাস কাউন্টারের পরিচালক মো. বলেন, শীতে চুলার পাশে বসে পিঠা খাওয়ার যে ছবি আমাদের চোখের ভেসে ওঠে, এখন তার দেখা পাওয়া সম্ভব নয়। রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি হওয়ার কারণে পিঠা খাওয়ার একটু সুযোগ পাওয়া যায়।

রাজাপুর উপজেলার বাঘরি বাজারের পিঠা বিক্রেতা মো. পান্নু হাওলাদার বলেন, আগে প্যাডেল চালিত রিকশা চালাতাম। পাঁচ বছর যাবত এখানে পিঠা বিক্রি করছি। প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ পিস পিঠা বিক্রি হয়। সব খরচ বাদে প্রতিদিন গড়ে ৭শ টাকা লাভ হয়। এতেই সংসার চলে।