১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে শান্তি ও সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • ৩৬ Time View
blank
blank

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে “সমঝোতা ও সংলাপের মাধ্যমে দেশ গঠন” শীর্ষক এক শান্তি ও সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ পরিচালিত এবং এফসিডিও (FCDO)-এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (MIPS) প্রকল্পের আওতায় ওই সভার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৩০ মে-২৫) বিকেলে সাগরদাঁড়ি আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বানিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের হলরুমে বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সাত্তার-এর সভাপতিত্বে এবং পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর সমন্বয়কারী মোঃ মুনছুর আলী-এর সঞ্চালনায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের যশোর রিজিওনের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মোঃ খোরশেদ আলম এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এমআইপিএস প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মোঃ আশরাফুজ্জামান এবং ওয়াইপিএজি সমন্বয়কারী মোঃ হাসিবুল হোসেন।
বক্তব্য রাখেন, জাহিদুল ইসলাম, জুবায়ের আহম্মেদ (ইসলামি আন্দোলন), শাহিন (স্থানীয় নাগরিক), প্রবির মুখার্জি (পুরোহিত), হাসিনা (সংরক্ষিত মহিলা সদস্য), আলমগীর হোসেন (সম্পাদক, জামায়াতে ইসলাম), মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন (রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক), শফিকুল ইসলাম (ব্যবসায়ী), সুফিয়া পারভিন শিখা (পিস অ্যাম্বাসেডর), সুপ্রভাত কুমার বসু (পিস অ্যাম্বাসেডর, পিএফজি)।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক সহিংসতা বেড়েছে, যা সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে নিরসন করতে হবে। প্রত্যেক ধর্ম ও সম্প্রদায় শান্তি চায়। সেই শান্তিকে টিকিয়ে রাখতে পরিবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে নৈতিকতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা। নারীরা পরিবারের প্রথম শিক্ষক হিসেবে শিশুর মাঝে মূল্যবোধ ও সহনশীলতা গড়ে তুলতে পারেন। পাশাপাশি দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ পরিহার করে সকলকে সমান মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।রাজনৈতিক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের পরিবর্তে জনগণের শান্তি ও কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়া জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের সভাপতি আব্দুস সাত্তার বলেন, “বিভিন্ন ধর্ম ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের একত্রে বসা অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। এই ধরনের আলোচনা ও সমঝোতা সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।” তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে শান্তি ও সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৮:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
blank
blank

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে “সমঝোতা ও সংলাপের মাধ্যমে দেশ গঠন” শীর্ষক এক শান্তি ও সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ পরিচালিত এবং এফসিডিও (FCDO)-এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (MIPS) প্রকল্পের আওতায় ওই সভার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৩০ মে-২৫) বিকেলে সাগরদাঁড়ি আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বানিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের হলরুমে বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সাত্তার-এর সভাপতিত্বে এবং পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর সমন্বয়কারী মোঃ মুনছুর আলী-এর সঞ্চালনায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের যশোর রিজিওনের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মোঃ খোরশেদ আলম এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এমআইপিএস প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মোঃ আশরাফুজ্জামান এবং ওয়াইপিএজি সমন্বয়কারী মোঃ হাসিবুল হোসেন।
বক্তব্য রাখেন, জাহিদুল ইসলাম, জুবায়ের আহম্মেদ (ইসলামি আন্দোলন), শাহিন (স্থানীয় নাগরিক), প্রবির মুখার্জি (পুরোহিত), হাসিনা (সংরক্ষিত মহিলা সদস্য), আলমগীর হোসেন (সম্পাদক, জামায়াতে ইসলাম), মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন (রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক), শফিকুল ইসলাম (ব্যবসায়ী), সুফিয়া পারভিন শিখা (পিস অ্যাম্বাসেডর), সুপ্রভাত কুমার বসু (পিস অ্যাম্বাসেডর, পিএফজি)।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক সহিংসতা বেড়েছে, যা সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে নিরসন করতে হবে। প্রত্যেক ধর্ম ও সম্প্রদায় শান্তি চায়। সেই শান্তিকে টিকিয়ে রাখতে পরিবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে নৈতিকতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা। নারীরা পরিবারের প্রথম শিক্ষক হিসেবে শিশুর মাঝে মূল্যবোধ ও সহনশীলতা গড়ে তুলতে পারেন। পাশাপাশি দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ পরিহার করে সকলকে সমান মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।রাজনৈতিক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের পরিবর্তে জনগণের শান্তি ও কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়া জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের সভাপতি আব্দুস সাত্তার বলেন, “বিভিন্ন ধর্ম ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের একত্রে বসা অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। এই ধরনের আলোচনা ও সমঝোতা সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।” তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।