০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরা বুধহাটায় ব্রিজের রড ও সড়কের গাছ কেটে আত্ম*সাতের প্রতিকারে সংবাদ সম্মেলন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • ৩৩ Time View
blank
blank

 

শেখ ইয়াসির আরাফাত,সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের কামালকাটি-কুঁন্দুড়িয়া ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ায় ব্রীজের রড কেটে নিয়ে চুরি ও সাঁকো করার কথা বলে সড়কের মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান, মেম্বার ও বর্তমান মেম্বারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি প্রতিকার প্রার্থনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে বুধহাটা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান জানান, নদী খননের পর কামালকাটি-কুন্দুড়িয়া ব্রীজ ধ্বসে পড়ে। ফলে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী, এলাকার মানুষ ও দুরবর্তী এলাকার মানুষ যানবাহন বা পায়ে হেটে নদী পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। তখন অস্থায়ী সাঁকো নির্মান করে চলাচল ব্যবস্থা অটুট রাখা ও নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য এলাকার মানুষ দাবী জানাতে থাকে। জনদাবীর সুযোগ নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান সাঁকো নির্মানের কথা বলে পাইথালী বাজারের কাছে মূল্যবান ২টি শিশুগাছ কেটে নেন, কিন্তু সাঁকোর কাজে না লাগিয়ে লক্ষাধিক টাকার গাছ দু’টি আত্মসাৎ করেন। এক পর্যায়ে সরকারি বরাদ্দ ও এলাকার মানুষের সহায়তায় কিছু কাজ করা হয়। আমরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে জানানোর পর ৭/৮ দিন পূর্বে ঘটনাস্থলে সরেজমিন পরিদর্শনে যান। এর পরদিন থেকে মেম্বার মতিয়ারের নেতৃত্বে কুন্দুড়িয়ার জালালের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, রহমানের ছেলে বাবু, হাজীডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে মহসিন, মফিজুলের ছেলে মোফাজ্জেল ও কুন্দুড়িয়ার সিরাজ সরদারের ছেলে মামুন ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজের প্রায় ১৫/২০ মন রড খুলে/কেটে নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। আমরা বিষয়টি মোবাইলে পিআইও সাহেবকে বললে তিনি বলেন, ধ্বসে যাওয়া ব্রীজ ভেঙ্গে ফেলান ও রড নেওয়ার কথা আমার জানানেই। সোমবার (৫ মে) আমি ইউএনও মহোদয়ের অফিসে গিয়ে পিআইও সাহেবকে ব্রীজ ভেঙ্গে রড খুলে/কেটে নিয়ে আত্মসাতের কথা পুনরায় জানতে চাই। তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান। আমার সন্দেহ রড আত্মসাতের সাথে পিআইও সাহেবের যোগসুত্র থাকতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায় তখন পিআইও সাহেবকে বিষয়টি দেখতে নির্দেশ প্রদান করেন।
সাবেক মেম্বার রুহুল কুদ্দুছ জানান, আমার গ্রামে কুন্দুড়িয়া-কামালকাটি ব্রীজ থেকে এক সপ্তাহ আগে মেম্বার মতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে তার লোকজন ১৫/২০ মন রড কেটে নিয়ে গেছে। সাঁকোতে কাজে লাগানোর কথা বলে ১ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের দুটি বৃহৎ আকারের শিশু গাছ কেটে কাজে না লাগিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। তারা তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। এসময় মেম্বার আলতাফ হোসেন, আঃ হামিদ, শেখ আছাফুর রহমান, মিজানুর রহমান মিল্লাহ, মহব্বত আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

সাতক্ষীরা বুধহাটায় ব্রিজের রড ও সড়কের গাছ কেটে আত্ম*সাতের প্রতিকারে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৪:০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
blank
blank

 

শেখ ইয়াসির আরাফাত,সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের কামালকাটি-কুঁন্দুড়িয়া ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ায় ব্রীজের রড কেটে নিয়ে চুরি ও সাঁকো করার কথা বলে সড়কের মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান, মেম্বার ও বর্তমান মেম্বারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি প্রতিকার প্রার্থনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে বুধহাটা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান জানান, নদী খননের পর কামালকাটি-কুন্দুড়িয়া ব্রীজ ধ্বসে পড়ে। ফলে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী, এলাকার মানুষ ও দুরবর্তী এলাকার মানুষ যানবাহন বা পায়ে হেটে নদী পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। তখন অস্থায়ী সাঁকো নির্মান করে চলাচল ব্যবস্থা অটুট রাখা ও নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য এলাকার মানুষ দাবী জানাতে থাকে। জনদাবীর সুযোগ নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান সাঁকো নির্মানের কথা বলে পাইথালী বাজারের কাছে মূল্যবান ২টি শিশুগাছ কেটে নেন, কিন্তু সাঁকোর কাজে না লাগিয়ে লক্ষাধিক টাকার গাছ দু’টি আত্মসাৎ করেন। এক পর্যায়ে সরকারি বরাদ্দ ও এলাকার মানুষের সহায়তায় কিছু কাজ করা হয়। আমরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে জানানোর পর ৭/৮ দিন পূর্বে ঘটনাস্থলে সরেজমিন পরিদর্শনে যান। এর পরদিন থেকে মেম্বার মতিয়ারের নেতৃত্বে কুন্দুড়িয়ার জালালের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, রহমানের ছেলে বাবু, হাজীডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে মহসিন, মফিজুলের ছেলে মোফাজ্জেল ও কুন্দুড়িয়ার সিরাজ সরদারের ছেলে মামুন ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজের প্রায় ১৫/২০ মন রড খুলে/কেটে নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। আমরা বিষয়টি মোবাইলে পিআইও সাহেবকে বললে তিনি বলেন, ধ্বসে যাওয়া ব্রীজ ভেঙ্গে ফেলান ও রড নেওয়ার কথা আমার জানানেই। সোমবার (৫ মে) আমি ইউএনও মহোদয়ের অফিসে গিয়ে পিআইও সাহেবকে ব্রীজ ভেঙ্গে রড খুলে/কেটে নিয়ে আত্মসাতের কথা পুনরায় জানতে চাই। তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান। আমার সন্দেহ রড আত্মসাতের সাথে পিআইও সাহেবের যোগসুত্র থাকতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায় তখন পিআইও সাহেবকে বিষয়টি দেখতে নির্দেশ প্রদান করেন।
সাবেক মেম্বার রুহুল কুদ্দুছ জানান, আমার গ্রামে কুন্দুড়িয়া-কামালকাটি ব্রীজ থেকে এক সপ্তাহ আগে মেম্বার মতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে তার লোকজন ১৫/২০ মন রড কেটে নিয়ে গেছে। সাঁকোতে কাজে লাগানোর কথা বলে ১ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের দুটি বৃহৎ আকারের শিশু গাছ কেটে কাজে না লাগিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। তারা তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। এসময় মেম্বার আলতাফ হোসেন, আঃ হামিদ, শেখ আছাফুর রহমান, মিজানুর রহমান মিল্লাহ, মহব্বত আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।