
সাইফুল ইসলাম, রাজশাহী :
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাট্টা আন্তঃজেলা ফেরীঘাটে জনসাধারণের উঠানামায় বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মহানন্দা নদীর এ ফেরীঘাটটি ব্রিটিশ আমল থেকে অদ্যবধি চালু রয়েছে।
এখনও নদীর উভয় তীরবর্তীর জনসাধারণের পারাপারের জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে বহু বছর ধরে।
ফেরীঘাটটির পশ্চিমাংশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর অনুপনগর ইউনিয়নের চরবালিয়াঘাট্টা গ্রাম, ইসলামপুর ইউনিয়ন, দেবীনগর ইউনিয়ন সহ অন্যান্য এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতের একটি সহজ পথ।
জনবহুল এ ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-, বৃদ্ধসহ নানান পেশাজীবি মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। ইসলামপুর ইউনিয়ন সহ আশেপাশের জনসাধারণের রাজশাহী যাতায়াতের একটি সহজ পথ এই ফেরিঘাটটি বলে এলাকাবাসি দের অভিমত।
তবে ফেরীঘাটটি অনেক ঢালু হওয়ায় বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের নৌকা থেকে নেমে তীরে উঠতে বেশ বেগ পেতে হয়
মোটরসাইকেল ও বাই সাইকেল নিয়েত উঠায় যায়না। প্রায় সময় বৃদ্ধরা পা ফসকে পড়েও যায় বলে জানান একাধিক ব্যক্তি।
এঘাটটিতে উঠানামার জন্য রেলিংসহ সিঁড়ি নির্মাণ করে দিলে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের উঠানামায় অনেক সহজতর হতো বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
বর্তমান ঘাটের ইজারাদার খাইরুল ইসলাম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, আগত বর্ষাকালের আগেই যদি ঘাটটি সংস্কার এবং সিঁড়িসহ রেলিং করে দেয়া হতো তাহলে এলাকার মানুষের যাতায়াতে কষ্ট হ্রাস পেত। এছাড়া তিনি ঘাটটিতে একটি টোলঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্যও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান।











