১২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনিরামপুরে প্রাইমারি স্কুল ছাত্রীকে ওয়াশরুম থেকে উদ্ধার,এড়িয়ে যাওয়ার পাইতারা প্রধান শিক্ষকের

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • ৩৮ Time View
blank

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

blank

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর এক ছাত্রী বাথরুমে আটকা পড়ে ২ ঘন্টা পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ভিকটিমের পরিবার এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুবিচারের আশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন,এদিকে এ ঘঠনা জানাজানি হলে বিভিন্ন মহলে নিজের দায় এড়িয়ে এটা একটি সামান্য বিষয় বলে দাবি করে চলেছেন দাম্ভিক প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল।

অভিযোগ ভিত্তিতে জানা যায়,উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর ছাত্রী নওশীন ঐ এলাকার অভিযোগ কারী বিল্লাল হোসেনের মেয়ে( ৯ এপ্রিল) বুধবার সকালে ৩য় শ্রেণীর ১ম ক্লাস হওয়ার পর নওশীন সহ ২/৩শিক্ষার্থী বাথরুমে যায়।

পরবর্তীতে বাকিরা ক্লাসে ফিরলেও নওশীন শ্রেনী কক্ষে না আসলেও এ বিষয়টি ক্লাস শিক্ষিকা,প্রধান শিক্ষক,এমনকি প্রতিষ্ঠানের কেউ বিষয়টি লক্ষ্য করেননি,এরপর প্রায় ১টার দিকে বিদ্যালয়ের গাঁ ঘেষে ধানী জমিতে চাষকাজ করা কৃষকেরা নওশীনের চিৎকার শুনে কর্তৃপক্ষকে অবগত করলে মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।

ভিকটিমের(নওশীন) দেওয়া ভিডিওতে জানাই,১ম ক্লাসের পর সে তার সহপাঠিদের সাথে বাথরুমে যায়,কিন্তু বাইরে থেকে দরজার লক করে দেওয়াতে সে আটকা পড়ে,বাথরুম থেকে বের হতে চিৎকার,চেঁচামেচি এক পর্যায়ে ভেন্টিলেটার বরাবর উঠতে চেষ্টা করলে পড়ে গিয়ে ডান হাত,মাথা ও সমস্ত শরীরে আঘাত পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় বাথরুমে অচেতন হয়ে পড়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যনেজ করে দৌড়ঝাপ শুরু করে,খোঁজ নিতে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় ৮জনের মধ্য ৭জনই শিক্ষিকা!প্রধান শিক্ষক ও একজন শিক্ষিকা প্রতিষ্ঠানে নাই!বাকি শিক্ষিকারা প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডলের পক্ষ নিয়ে ঘটনার বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ভিকটিমের বক্তব্য ও অভিযোগ হওয়াতে নিরব হয়ে তারা জানান,প্রধান শিক্ষক ফোন ধরছেনা।

তিনি ও এক মেডাম অফিসিয়াল কাজে মণিরামপুরে গেছে,
বুধবার দুপুরেই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযোগটি আমলে নিয়ে জরুরী মিটিংয়ে শিক্ষক,অভিভাবক ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তলব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

মিটিং পরবর্তী স্বাক্ষাতকারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুত্তালিব জানান,অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত শেষে জানানো হবে।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল নিজেকে ক্লিন দাবি করে বলেন এটা একটি সামান্য বিষয় কয়েক মিনিট হয়তো আটকা ছিলো,এটা এমন কোন জরুরী কিছু না বলে প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল এড়িয়ে গেছেন।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এহেন কর্মকান্ডে কিভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায় এড়িয়ে দাম্ভির্যকতা প্রকাশ করে চলেছেন?এবং এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার চেয়ে সাংবদিকদের দারস্থ হয়েছেন ভিকটিমের পরিবার।

বিষয়টি অতিব গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে আমলে নিয়ে ব্যাবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আসরাফুল ইসলাম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

মনিরামপুরে প্রাইমারি স্কুল ছাত্রীকে ওয়াশরুম থেকে উদ্ধার,এড়িয়ে যাওয়ার পাইতারা প্রধান শিক্ষকের

Update Time : ০৫:২৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর এক ছাত্রী বাথরুমে আটকা পড়ে ২ ঘন্টা পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ভিকটিমের পরিবার এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুবিচারের আশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন,এদিকে এ ঘঠনা জানাজানি হলে বিভিন্ন মহলে নিজের দায় এড়িয়ে এটা একটি সামান্য বিষয় বলে দাবি করে চলেছেন দাম্ভিক প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল।

অভিযোগ ভিত্তিতে জানা যায়,উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর ছাত্রী নওশীন ঐ এলাকার অভিযোগ কারী বিল্লাল হোসেনের মেয়ে( ৯ এপ্রিল) বুধবার সকালে ৩য় শ্রেণীর ১ম ক্লাস হওয়ার পর নওশীন সহ ২/৩শিক্ষার্থী বাথরুমে যায়।

পরবর্তীতে বাকিরা ক্লাসে ফিরলেও নওশীন শ্রেনী কক্ষে না আসলেও এ বিষয়টি ক্লাস শিক্ষিকা,প্রধান শিক্ষক,এমনকি প্রতিষ্ঠানের কেউ বিষয়টি লক্ষ্য করেননি,এরপর প্রায় ১টার দিকে বিদ্যালয়ের গাঁ ঘেষে ধানী জমিতে চাষকাজ করা কৃষকেরা নওশীনের চিৎকার শুনে কর্তৃপক্ষকে অবগত করলে মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।

ভিকটিমের(নওশীন) দেওয়া ভিডিওতে জানাই,১ম ক্লাসের পর সে তার সহপাঠিদের সাথে বাথরুমে যায়,কিন্তু বাইরে থেকে দরজার লক করে দেওয়াতে সে আটকা পড়ে,বাথরুম থেকে বের হতে চিৎকার,চেঁচামেচি এক পর্যায়ে ভেন্টিলেটার বরাবর উঠতে চেষ্টা করলে পড়ে গিয়ে ডান হাত,মাথা ও সমস্ত শরীরে আঘাত পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় বাথরুমে অচেতন হয়ে পড়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যনেজ করে দৌড়ঝাপ শুরু করে,খোঁজ নিতে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় ৮জনের মধ্য ৭জনই শিক্ষিকা!প্রধান শিক্ষক ও একজন শিক্ষিকা প্রতিষ্ঠানে নাই!বাকি শিক্ষিকারা প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডলের পক্ষ নিয়ে ঘটনার বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ভিকটিমের বক্তব্য ও অভিযোগ হওয়াতে নিরব হয়ে তারা জানান,প্রধান শিক্ষক ফোন ধরছেনা।

তিনি ও এক মেডাম অফিসিয়াল কাজে মণিরামপুরে গেছে,
বুধবার দুপুরেই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযোগটি আমলে নিয়ে জরুরী মিটিংয়ে শিক্ষক,অভিভাবক ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তলব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

মিটিং পরবর্তী স্বাক্ষাতকারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুত্তালিব জানান,অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত শেষে জানানো হবে।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল নিজেকে ক্লিন দাবি করে বলেন এটা একটি সামান্য বিষয় কয়েক মিনিট হয়তো আটকা ছিলো,এটা এমন কোন জরুরী কিছু না বলে প্রধান শিক্ষক শিশির মন্ডল এড়িয়ে গেছেন।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এহেন কর্মকান্ডে কিভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায় এড়িয়ে দাম্ভির্যকতা প্রকাশ করে চলেছেন?এবং এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার চেয়ে সাংবদিকদের দারস্থ হয়েছেন ভিকটিমের পরিবার।

বিষয়টি অতিব গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে আমলে নিয়ে ব্যাবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আসরাফুল ইসলাম।