১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন,স্বস্তি ফিরেছে বানভাসীদের

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ২২ Time View
blank

Oplus_0

blank

 

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি।।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ বন্ধ হয়েছে।
জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।
গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে। বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।

ক্যাপশান:আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন,স্বস্তি ফিরেছে বানভাসীদের

Update Time : ০২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
blank
blank

 

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি।।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ বন্ধ হয়েছে।
জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।
গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে। বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।

ক্যাপশান:আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন।