১০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কয়রায় এনসিপির ইফতারের না‌মে ‌বৈবিছা আহ্বায়‌কের বিরু‌দ্ধে চাঁদা আদা‌য়ের অ‌ভি‌যোগ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • ৩৬ Time View
blank
blank

 

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,কয়রা প্রতি‌নি‌ধি

খুলনার কয়রায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ব‌্যানা‌রে ইফতার মাহফিলের না‌মে ব‌্যাপক চাঁদা আদা‌য়ের অ‌ভি‌যোগ পাওয়া গে‌ছে। উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক গোলাম রব্বানী ও তাঁর অনুসারি আব্দুর রউফ নামক এক স্কুল শিক্ষ‌কের বিরু‌দ্ধে এসব অ‌ভি‌যোগ তু‌লে‌ছেন একই সংগঠ‌নের জেলা ও উপ‌জেলার একা‌ধিক নেতৃবৃন্দ। জাতীয় নাগ‌রিক পা‌র্টির ‌কে‌ন্দ্রিয় নেতৃবৃ‌ন্দের উপ‌স্থিত থাকার কথা উল্লেখ ক‌রে চি‌ঠি দি‌য়ে চাঁদা উত্তোলন করা হ‌লেও অনুষ্ঠা‌নে এন‌সি‌পি কিংবা বৈ‌বিছা এর উর্ধ্বতন কোন নেতা উপ‌স্থিত ছি‌লেন না।

জানা যায়, গোলাম রব্বানী ও আঃ রউফের নেতৃ‌ত্বে ২৮ মার্চ কয়রা উপজেলা পরিষদের মাঠে বিশাল প্যান্ডেল করে কয়রা উপজেলা নাগরিক পার্টির ব্যানারে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মো. গোলাম রব্বানী। ইফতার মাহফিলে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাসহ প্রায় দুইশ’ মানুষ অংশ নেয়।

কয়রায় জাতীয় নাগরিক পার্টি’র উদ্যোগে ইফতার মাহাফিলের দাওয়াত পত্রে লেখা দেখা যায়, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কয়রা এর পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা ও বরকত পূর্ণ মুহূর্তগুলোকে সামনে রেখে ইফতার মাহফিল। উক্ত ইফতার মাহফিলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর কেন্দ্রিয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।’ দাওয়াত পত্রে করো নাম না থাকলেও যোগাযোগের জন্য দুটি ফোন নাম্বার লেখা রয়েছে। দুটি নাম্বারের একটি উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. গোলাম রব্বানীর ও অপর নাম্বারটি আব্দুর রউফ নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষ‌কের।

কয়রা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপ‌দেষ্টা শাহারুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মে‌হেদী হাসান, আন্দোল‌নে গু‌লি‌বিদ্ধ আলতাফ মাহমুদ, সদস্য সচিব এস কে গালিবসহ বেশ ক‌য়েকজন নেতা জানান, কয়রায় এনসিপির কমিটি নেই, ত‌বে

সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব‌্যক্তি‌দের সংগ‌ঠিত করার চেষ্টা চ‌ল‌ছে। ইফতার মাহ‌ফিল সম্প‌র্কে বৈষম্য বি‌রোধী ছাত্র আন্দোল‌নের ক‌মি‌টির অন্যান্য ‌নেতৃবৃ‌ন্দের সা‌থে কোন আলোচনা না ক‌রেই গোলাম রব্বানী স্বেচ্ছাচা‌রিতা ক‌রে এ আয়োজন ক‌রেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি’র কেন্দ্রিয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা বলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক গোলাম রব্বানী ও তার অনুসারী আব্দুর রউফ নামে একজন মিলে চাঁদাবাজির মাধ্যমে ইফতারের আয়োজন করে তা‌দের বিব্রত করেছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তাসহ বি‌ভিন্ন সংগঠ‌নের নেতৃবৃন্দের কাছ থে‌কে চাঁদা আদায় করা হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা নেওয়ায় তা‌দের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নিজেকে জাহির করতে গিয়ে চাঁদাবাজি করে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত ক‌রে‌ছে। এতে তারা বিব্রত।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়রা উপজেলা মূখ্য সংগঠক ইমদাদুল হক বলেন, আমরা ৫ আগষ্টের আগে ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থেকেছি আর গোলাম রব্বানী একদিনও আন্দোলনে না গিয়ে ঘরে বসে আহবায়কের পদ পেয়েছেন। এজন্য দলের অন্য তাঁর কোন মায়া নেই। ইফতার মাহফিলের বিষয়ে আমাদের সাথেও আলাপ করেনি। আমি নিজে ইফতারের টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেছে এসব করতে গেলে একটুআধটু চাঁদাবাজি করতে হয়।

এদি‌কে খুলনা জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক মহররম হো‌সেন মা‌হিমসহ ক‌য়েকজন নেতা-কর্মী তা‌দের নি‌জে‌দের ফেসবু‌ক আইডি‌তে এ ইফতার মাহ‌ফি‌লের সমা‌লোচনা ক‌রে নানা ধর‌ণের স্ট‌্যাটাস ও ক‌মেন্ট ক‌রে‌ছেন।

 

কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক গোলাম রব্বানী ও তার সাথে সবসময় থাকে আব্দুর রউফ নামে একজন আমার কাছে এসে নাগরিক পার্টির ইফতারের কথা বললে আমি দশ হাজার টাকা দিয়েছি।

কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, আমার কাছে গোলাম রব্বানী, আঃ রউফসহ কয়েকজন এসে ইফতারের আয়োজনের জন্য ৫০ হাজার টাকা চায়। তারা বলেছিলেন আমি যেন ইফতারির জন্য পুরো মাংস কেনার টাকাটা দেই। তবে আমি পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি এনসিপি কয়রার মূল সংগঠকরা এর সাথে নেই। এজন্য আমি এড়ি‌য়ে চ‌লি।

আব্দুর রউফ কাছে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি কারো কাছ থেকে জোর করে টাকা নেইনি তবে কেউ খুশি মনে টাকা দিলে আমরা নিতে বাধ্য থাকি।

এ বিষ‌য়ে কয়রা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘হিতাকাঙ্ক্ষী এবং নিজেদের অর্থে ইফতারের খরচ চালানো হয়েছে। আমাদের ভালো কাজগুলো দেখে দলের মধ্যে অনেকের হিংসা হয়। তাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করছেন।’

বৈষম্য‌ বি‌রোধী ছাত্র আন্দোলন, খুলনা জেলা শাখার সদস্য স‌চিব সা‌জেদুল ইসলাম বাপ্পী ব‌লেন, আমরা কখনও চাঁদাবা‌জিকে সমর্থন দিব না। অ‌ভি‌যো‌গের সু‌নি‌র্দিষ্ট প্রমাণ পে‌লে অবশ্যই তার বিরু‌দ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়া হ‌বে।

জাতীয় নাগরিক কমিটি খুলনার সংগঠক হামীম আহম্মেদ রাহাত বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির সেটআপই নতুন দল এনসিপির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এখনো খুলনা জেলা কমিটি গঠন হয়নি, উপজেলা কমিটিরতো প্রশ্নই আসে না। ইফতার ইস্যুতে কারও কাছ থেকে টাকা নেওয়া ঠিক নয়। কয়রায় নাগরিক পার্টির সাইনবোর্ড ও নাম ভাঙিয়ে এটা হয়েছে কিনা সেটা জানা নেই। বিষয়‌টি খতিয়ে দেখা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কয়রায় এনসিপির ইফতারের না‌মে ‌বৈবিছা আহ্বায়‌কের বিরু‌দ্ধে চাঁদা আদা‌য়ের অ‌ভি‌যোগ

Update Time : ০২:৫০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,কয়রা প্রতি‌নি‌ধি

খুলনার কয়রায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ব‌্যানা‌রে ইফতার মাহফিলের না‌মে ব‌্যাপক চাঁদা আদা‌য়ের অ‌ভি‌যোগ পাওয়া গে‌ছে। উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক গোলাম রব্বানী ও তাঁর অনুসারি আব্দুর রউফ নামক এক স্কুল শিক্ষ‌কের বিরু‌দ্ধে এসব অ‌ভি‌যোগ তু‌লে‌ছেন একই সংগঠ‌নের জেলা ও উপ‌জেলার একা‌ধিক নেতৃবৃন্দ। জাতীয় নাগ‌রিক পা‌র্টির ‌কে‌ন্দ্রিয় নেতৃবৃ‌ন্দের উপ‌স্থিত থাকার কথা উল্লেখ ক‌রে চি‌ঠি দি‌য়ে চাঁদা উত্তোলন করা হ‌লেও অনুষ্ঠা‌নে এন‌সি‌পি কিংবা বৈ‌বিছা এর উর্ধ্বতন কোন নেতা উপ‌স্থিত ছি‌লেন না।

জানা যায়, গোলাম রব্বানী ও আঃ রউফের নেতৃ‌ত্বে ২৮ মার্চ কয়রা উপজেলা পরিষদের মাঠে বিশাল প্যান্ডেল করে কয়রা উপজেলা নাগরিক পার্টির ব্যানারে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মো. গোলাম রব্বানী। ইফতার মাহফিলে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাসহ প্রায় দুইশ’ মানুষ অংশ নেয়।

কয়রায় জাতীয় নাগরিক পার্টি’র উদ্যোগে ইফতার মাহাফিলের দাওয়াত পত্রে লেখা দেখা যায়, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কয়রা এর পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা ও বরকত পূর্ণ মুহূর্তগুলোকে সামনে রেখে ইফতার মাহফিল। উক্ত ইফতার মাহফিলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর কেন্দ্রিয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।’ দাওয়াত পত্রে করো নাম না থাকলেও যোগাযোগের জন্য দুটি ফোন নাম্বার লেখা রয়েছে। দুটি নাম্বারের একটি উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. গোলাম রব্বানীর ও অপর নাম্বারটি আব্দুর রউফ নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষ‌কের।

কয়রা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপ‌দেষ্টা শাহারুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মে‌হেদী হাসান, আন্দোল‌নে গু‌লি‌বিদ্ধ আলতাফ মাহমুদ, সদস্য সচিব এস কে গালিবসহ বেশ ক‌য়েকজন নেতা জানান, কয়রায় এনসিপির কমিটি নেই, ত‌বে

সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব‌্যক্তি‌দের সংগ‌ঠিত করার চেষ্টা চ‌ল‌ছে। ইফতার মাহ‌ফিল সম্প‌র্কে বৈষম্য বি‌রোধী ছাত্র আন্দোল‌নের ক‌মি‌টির অন্যান্য ‌নেতৃবৃ‌ন্দের সা‌থে কোন আলোচনা না ক‌রেই গোলাম রব্বানী স্বেচ্ছাচা‌রিতা ক‌রে এ আয়োজন ক‌রেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি’র কেন্দ্রিয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা বলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক গোলাম রব্বানী ও তার অনুসারী আব্দুর রউফ নামে একজন মিলে চাঁদাবাজির মাধ্যমে ইফতারের আয়োজন করে তা‌দের বিব্রত করেছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তাসহ বি‌ভিন্ন সংগঠ‌নের নেতৃবৃন্দের কাছ থে‌কে চাঁদা আদায় করা হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা নেওয়ায় তা‌দের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নিজেকে জাহির করতে গিয়ে চাঁদাবাজি করে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত ক‌রে‌ছে। এতে তারা বিব্রত।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়রা উপজেলা মূখ্য সংগঠক ইমদাদুল হক বলেন, আমরা ৫ আগষ্টের আগে ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থেকেছি আর গোলাম রব্বানী একদিনও আন্দোলনে না গিয়ে ঘরে বসে আহবায়কের পদ পেয়েছেন। এজন্য দলের অন্য তাঁর কোন মায়া নেই। ইফতার মাহফিলের বিষয়ে আমাদের সাথেও আলাপ করেনি। আমি নিজে ইফতারের টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেছে এসব করতে গেলে একটুআধটু চাঁদাবাজি করতে হয়।

এদি‌কে খুলনা জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক মহররম হো‌সেন মা‌হিমসহ ক‌য়েকজন নেতা-কর্মী তা‌দের নি‌জে‌দের ফেসবু‌ক আইডি‌তে এ ইফতার মাহ‌ফি‌লের সমা‌লোচনা ক‌রে নানা ধর‌ণের স্ট‌্যাটাস ও ক‌মেন্ট ক‌রে‌ছেন।

 

কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক গোলাম রব্বানী ও তার সাথে সবসময় থাকে আব্দুর রউফ নামে একজন আমার কাছে এসে নাগরিক পার্টির ইফতারের কথা বললে আমি দশ হাজার টাকা দিয়েছি।

কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, আমার কাছে গোলাম রব্বানী, আঃ রউফসহ কয়েকজন এসে ইফতারের আয়োজনের জন্য ৫০ হাজার টাকা চায়। তারা বলেছিলেন আমি যেন ইফতারির জন্য পুরো মাংস কেনার টাকাটা দেই। তবে আমি পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি এনসিপি কয়রার মূল সংগঠকরা এর সাথে নেই। এজন্য আমি এড়ি‌য়ে চ‌লি।

আব্দুর রউফ কাছে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি কারো কাছ থেকে জোর করে টাকা নেইনি তবে কেউ খুশি মনে টাকা দিলে আমরা নিতে বাধ্য থাকি।

এ বিষ‌য়ে কয়রা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘হিতাকাঙ্ক্ষী এবং নিজেদের অর্থে ইফতারের খরচ চালানো হয়েছে। আমাদের ভালো কাজগুলো দেখে দলের মধ্যে অনেকের হিংসা হয়। তাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করছেন।’

বৈষম্য‌ বি‌রোধী ছাত্র আন্দোলন, খুলনা জেলা শাখার সদস্য স‌চিব সা‌জেদুল ইসলাম বাপ্পী ব‌লেন, আমরা কখনও চাঁদাবা‌জিকে সমর্থন দিব না। অ‌ভি‌যো‌গের সু‌নি‌র্দিষ্ট প্রমাণ পে‌লে অবশ্যই তার বিরু‌দ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়া হ‌বে।

জাতীয় নাগরিক কমিটি খুলনার সংগঠক হামীম আহম্মেদ রাহাত বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির সেটআপই নতুন দল এনসিপির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এখনো খুলনা জেলা কমিটি গঠন হয়নি, উপজেলা কমিটিরতো প্রশ্নই আসে না। ইফতার ইস্যুতে কারও কাছ থেকে টাকা নেওয়া ঠিক নয়। কয়রায় নাগরিক পার্টির সাইনবোর্ড ও নাম ভাঙিয়ে এটা হয়েছে কিনা সেটা জানা নেই। বিষয়‌টি খতিয়ে দেখা হবে।