শেখ মাহতাব হোসেন,ডুমুরিয়া খুলনা
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে ইকোরাইমস ঝর্ণা
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ আল আমিনের প্রচেষ্টায় অপরুপ দৃষ্টিনন্দন অপরুপা দৃশ্য এক নজর দেখার জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন।
জানা গেছে গত ২মাস বিরতিহীন ভাবে ভাস্করা তাদের সুদক্ষ দারা এই ইকোরাইমস ঝর্ণা রং দিয়ে সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন ।
ঝর্ণার নিচে একটি সাবম্যাটাল মোটর দিয়ে ঝর্ণার পানি তুলছে সে যেন এক দৃষ্টিনন্দন এই দেখে মানুষ উপজেলা পরিষদ প্রশংসা ভাসছে।
এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন বিগত দুই মাস ধরে কাজ করছেন এই ঝর্ণা ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ১৫ লক্ষ টাকা।
উল্লেখ্য পৃথিবী জুড়ে পানির ফোয়ারা বা ঝর্ণা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠলেও, আমাদের দেশে এটি এখনও শুধুমাত্র দামী গৃ্হসজ্জা সামগ্রী এবং কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ধনীদের বাড়ী, অতি উন্নত শপিং সেন্টার, বানিজ্যিক ভবন বা সরকারী কিছু কার্যালয়ের শোভা বর্ধনে দেখা যায়।
আমরা জানি পানির ফোয়ারা বা ঝর্ণা সমন্ধে, এ বিষয়ে আরও ভালভাবে জানা প্রয়োজন। ফোয়ারা কত রকম হয়, ঝর্ণার কি কোন উপকার আছে, জীবনে এর প্রভাব কতটুকু যে, পৃথিবী এর জন্য হুমরি খেয়ে পড়ছে, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে, এর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সমন্ধে জানার সুযোগই বা আমাদের কতটুকু আছে।
মানুষের জীবনে প্রকৃতির সংস্পর্শ কতটা প্রয়োজন সে ব্যপারে সচেতন্তা বাড়ছে, আর পৃথিবীতে সময়ের সাথে সাথে ঘরে রাখার মতো হাতে ছোট ছোট ঝর্ণার চাহিদাও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে, যেখানে আমাদের মতো দেশের সুযোগ বাড়ছে হস্ত ও কুটিরশিল্প হিসেবে এসব পণ্য তৈরী ও রফতানির।
সব মিলিয়ে কিছু তথ্য, কিছু চমকপ্রদ জ্ঞান, কিছু সুবিধা ও আরও অনেক কিছু জানা না জানা বিষয় নিয়ে অনালোচিত অথচ উচিৎ বিষয় নিয়ে আমরা নিজেদের জ্ঞানের দরজা খুলে দেবো এমন একটা আড্ডা হয়ে উঠুক ।