এম এ রহমান,কেশবপুর(যশোর)প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুর উপজেলার কেদারপুর গ্রামের এক পরিচিত মুখ নূরমোহাম্মদ গাজী। পেশায় সরকারি চাকরিজীবী এই মানুষটি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের স্টেনোগ্রাফার পদে কর্মরত রয়েছেন। তবে তাঁর পরিচয় এখানেই সীমাবদ্ধ নয় তিনি একাধারে এলাকায় মাদ্রাসা স্কুল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও স্থানীয় মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্ঠার সঙ্গে।
জনসেবাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন নূরমোহাম্মদ গাজী। গ্রামের রাস্তাঘাট উন্নয়নে তার সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। গরিব, দুঃখী, অসহায় মানুষের পাশে থেকে তিনি যেভাবে নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা আজও অনেকের মুখে মুখে ফেরে। ব্যক্তি উদ্যোগে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কাজের পেছনে অবিচ্ছিন্নভাবে সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।
তবে সমাজে ভালো কাজ করতে গেলেই কিছু কুৎসিত দৃষ্টিভঙ্গি পিছু নেয় এটাই বাস্তবতা। নূরমোহাম্মদ গাজীকেও সেই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সম্প্রতি তার আপনজনসহ কিছু সুবিধাবাদী ও স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়াচ্ছে।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করেন, নূরমোহাম্মদ গাজীর জনপ্রিয়তা ও প্রভাবকে খাটো করতে একটি মহল সচেতনভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। কারণ, তাঁর নীতি ও নিষ্ঠা অনেক সময় স্বার্থান্বেষীদের বিরুদ্ধে যায়।
নূরমোহাম্মদ গাজী বলেন, আমি সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকতে। যারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি তাদের জন্যও দোয়া করি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, ভালোবাসা আর সেবাই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।
তাঁর এই মনোভাব এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই তাকে আলাদা করে তোলে। গ্রামের সাধারণ মানুষদের একাংশ এখনো বিশ্বাস করেন, সত্য ও সৎ মানুষকে সাময়িকভাবে আঘাত করা গেলেও চিরকাল ধুলোয় ফেলা যায় না।
স্থানীয় বাসিন্দা আয়ুব আলি জানান, আমরা ছোটবেলা থেকেই নূরমোহাম্মদ ভাইকে কাছ থেকে চিনি। । উনি যে কীভাবে মানুষকে সাহায্য করেন, সেটা আমাদের চোখের সামনে। সমাজের কিছু লোক গুজব ছড়ালেও আমরা জানি, তিনি কেমন মানুষ।
বর্তমান সময়ে, যখন মূল্যবোধের অবক্ষয় চলছে, তখন নূরমোহাম্মদ গাজীর মতো মানুষের দরকার আছে সমাজে। যাঁরা সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যান নীরবে, আলোর পথ দেখান অনেককে।
অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্র তাঁকে দমাতে পারবে না এ বিশ্বাসে এলাকাবাসী আজও তার পাশে। এমন মানুষের আত্মত্যাগ ও জনসেবার চেতনা থেকে আগামী প্রজন্মও অনুপ্রাণিত হবে বলেই আশাবাদী সচেতন সমাজ।