সাইফুল ইসলাম, রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চঞ্চল্যকর মনিরুল হত্যার মামলার ২৪ ঘন্টা পার হতে না হতেই এজাহার নামীয় মামলার প্রধান আসামী আশরাফুল সহ মোট ৭ জন আসামীকে দিনাজপুর থেকে আটক করেছে র্যাব-৫। মামলার ২৪ ঘন্টাপার হতে না হতেই তাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান র্যাব -৫
৯ জুলাই বুধবার রাত ১২.০৫ মিনিটে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার দাউদপুর ইউনিয়নের হায়াতপুর পূর্বপাড়া গ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো এজাহারনামীয় প্রধান আসামী ১। আশরাফুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, সাং-দেলশাদপুর (শিয়ালমারা), ২। মফিজুল ইসলাম (৫০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, ৩। সাদ্দাম হোসেন (৩৭), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, উভয় সাং-নারায়নপুর, ৪। আকবর আলী (২৮), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, ৫। বাবর আলী (১৯), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, উভয় সাং-দেলশাদপুর (শিয়ালমারা), ৬। হানিফ (২৯), পিতা- মফিজুল ইসলাম, ৭। রমজান আলী (২০), পিতা-মফিজুল ইসলাম, উভয় সাং-নারায়নপুর, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহীদের কে আটক করতে সক্ষম হয়।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, নিহত মনিরুল ইসলাম (৪৭) গত ৬ জুলাই বিকাল আনুমানিক ৪ টার সময় মনিরুল জমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করে বাড়ী ফেরার পথে আনুমানিক রাত ৯ টার সময় ঘটনাস্থল গোদাগাড়ী থানার আইহাই গ্রামের সাগরাম মোড়ে পৌছালে এজাহারনামীয় ৭ জন আসামী ও অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন আসামী পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে পূর্ব শত্রুতার জেরে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নিহত মনিরুল ইসলামের পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। নিহত মনিরুল গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আসামীরা বাঁশের লাঠি, হাতুড়ী, লোহার রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মাথায়, হাতে ও পিঠে, বুকের উপরে সহ ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে ফোলা ও রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় নিহত মনিরুলকে স্থানীয় অন্যান্য লোকজন বাঁচাতে গেলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল হতে দ্রুত সটকে পড়ে ।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন মনিরুল এর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।পরে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।