এম এ রহমান কেশবপুর( যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুরে জমি কিনে বিপাকে সংখ্যালঘু একটি পরিবার। ক্রয়কৃত জমি ও জমিতে থাকা দোকান ঘর দখল বুঝিয়ে না দিয়ে প্রতারণাসহ জীবননাশের হুমকী প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ২৯ জুন-২০২৫ ক্রয় সূত্রে জমির মালিক অলোক কুমার বিশ্বাস উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোপসেনা গ্রামের মো: হোসেন আলীর ছেলে ফায়সাল হোসেন ৩৭ নম্বর মেহেরপুর মৌজার আর.এস চূড়ান্ত ১৯৯ নম্বর খতিয়ান হইতে আগত আর.এস নামজারী খতিয়ান- ৮৫৯, হোন্ডিং নম্বর- ৮৪৭। আর.এস-২৭ দাগের ৫৯ শতকের মধ্যে ১৫.৬৫ শতক তন্মধ্যে ০২ শতক জমি ১১ লাখ টাকা দাম ধার্য্য করিয়া নগদ ৮ লাখ গ্রহণ করে বাকী ৩ লাখ টাকা জমি ও জমিতে থাকা দোকান ঘর দখল বুঝাইয়া দেওয়ার পর পরিশোধের শর্তে ওই জমি একই গ্রামের মৃত ভজ হরি বিশ্বাসের ছেলে অলোক কুমার বিশ্বাস ও মেয়ে সবিতা রাণী বিশ্বাসের নামে রেজিষ্ট্রি করিয়া দেয়। যার দলিল নম্বর ৩১৭৭, তারিখ ২৫.০৭.২০২৪ খ্রি.। এরপর থেকে ফায়সাল ওই জমি ক্রেতাদের বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আজ না কাল এই ভাবে ঘুরাইতে থাকে। কিছুদিন অতিবাহিত হবার পর ফায়সার এলাকার কুচক্রী মহলের ছত্রছায়ায় উক্ত জমি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ক্রেতা অলক কুমার বিশ্বাসকে চাপ দিতে থাকে এবং জোরপূর্বক নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে ঘর সহ জমি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। উক্ত স্বাক্ষরকৃত স্ট্যাম্পের শর্তানুযায়ী ঘর ভাড়া বাবদ প্রতিমাসে ২ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ মাস ভাড়া দিয়ে সেটিও বন্ধ করে দেয়। সংখ্যালঘু অলোক কুমার বিশ্বাস কোন উপায় না পেয়ে ফয়সাল হোসেনের কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি বলেন আগে জমির কাগজপত্র ঠিক করে নাও তারপরে লেনদেন হবে। তার কথামতো উক্ত জমির নামপত্তন সহ খাজনা পরিশোধ করে দাখিলা গ্রহণ করেন তিনি। জমির কাগজ পত্র দেখে ফয়সাল হোসেন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে অলোক বিশ্বাস ও তার পরিবারকে হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে বিষয়টি নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করে কয়েক দফা স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক বসলেও কোন সুরাহা হয় নাই।বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বর্তমানে ফায়সাল জমি ক্রেতা অলোক কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ ও ফোন রিসিভ না করায় এবং ক্রয়কৃত জমি ও দোকানের দখল বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেখসোনা খাতুন বলেন উক্ত বিষেয় একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।