বদলগাছী,সংবাদাতা নওগাঁঃ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৩ নং পাহাড় পুর ইউনিয়ন পরিষদে গত ৪ জুন পবিত্র ঈদুল আজহার ঈদ উপহার ভিজিএফ চাল ২৩৫৬ জন অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ করেন।
সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে মেম্বারদের উপস্থিতিতে চাল বিতরণ শুরু করেন ইউনিয়ন পরিষদ কর্মকর্তা কাজী শাহাবুদ্দিন সাবু, উপস্হিত সাধারন মানুষের মুখে জানা যায়। ধারাবাহিক ভাবে টানা চাল দিয়ে বেলা ১২ টার আগেই চাল বিতরণ শেষ করেন। চোখের জলে চাল না পেয়ে ফিরে গেলেন হতদরিদ্র উক্ত ইউনিয়নের খোজাগাড়ী গ্রামের মোমেন( ৭৫), সরাবাড়ী শালবন গ্রামের ছকিনা (৬৫)।সঙ্গে সঙ্গে ট্যাগ অফিসার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান কাছে ২২৪২ নং, ১৮৭৮নং,১৬৩৯ নং২২৮৫ নং নাম বিতরন তালিকায় সঠিক আছে কি না জানতে চাইলে, তিনি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন কে চেয়ারম্যানের রুমে মাষ্টারোল আনতে বল্লে তিনি আধাঘন্টায়ে ও নিয়ে যায় নি বা মাষ্টার রোল দেখাননি। বেলা সাড়ে ১২ টার কিছু আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিদর্শনে যান, এবং পরিষদে চাল বিতরণ শেষ দেখে ফিরে আসার সময় উপস্থিত ৬/৭ জন সাংবাদিক সহ দৈনিক ইনকিলাব সংবাদাতা এনাম ১৬৩৯ নং পিয়ারা বেগম, ২২৮৫ নং আক্তার মন্ডল সহ ৫/৬ টি নাম তালিকায় সঠিক আছে কি না জানার সহযোগিতা চাইলে তিনি বলেন,উনারা না দেখালে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন আমি মাষ্টারোল নিয়ে দিব। এখবর জানা জানি হলে এলাকার স্বচেতন মহল কতিপয় স্বচেতন সাংবাদিকের মন্তব্য, একজন নির্বাহী অফিসার হতদরিদ্রের চাল সঠিক ব্যাক্তি পেলো কিনা নিশ্চিত হওয়া দরকার , কিন্ত সহযোগীতা সহ সঠিক যাচাই না করে তথ্য অধিকার আইনে আবেদনের কথা বলা হতদরিদ্র পরিবারের চালের জন্য বিবেকের বিবেচনা নয়।
মোবাইল ফোনে মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান তহিদুল ইসলামের কাছে, কত জন চাল পাননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩০ জনের মধ্যে ২৯ জনকে চাল আমরা পকেট থেকে কিনে দিয়েছি।ইউএনও স্যার কয়টার সময় পরিষদে গেছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন ১২ টায়।
মেম্বার করিমে কাছে মোবাইল ফোনে কতজন কার্ডধারীকে চাল কিনে দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন ২৫ জন কে, কার টাকায় তিনি বলেন পরিষদের ফান্ড থেকে। ইউএনও স্যার কয়টার সময়ে পরিষদে গেছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন ১২ টার কিছু আগে।উনি কোন চাল বিতরণ করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন না।
উক্ত বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী শাহাবুদ্দিনের কাছে মোবাইল ফোনে চাল না পাওয়া কতজন কার্ডধারীকে চাল কিনে দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমি থাকা অবস্থায় ১৭/১৮ জনকে চাল কিনে দিয়েছেন মেম্বারেরা।
উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা ও
ট্যাগ অফিসার মিজানুর রহমানের কাছে ১৬৩৯ নং কার্ডধারী সহ ৪/৫ টি কার্ডধারী তালিকায় সঠিক আছে কি না দেখতে চাইলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মাষ্টার রোল দেখাতে নির্দেশ করলে আধাঘন্টা পর ও দেখানো হয়নি মাষ্টার রোল। বরং করিম মেম্বার অসামাজিক ভাষায় বলেছেন সাংবাদিক কি বাল করবে বলে বাক্য প্রকাশ করেছেন বলে স্হানীয় এলাকার স্বচেতন ব্যাক্তি ও শিক্ষক এবং সাংবাদিক নুরুজ্জামান লিঠন দুঃখ প্রকাশ করে উপস্থিত ৫/৬ জন সাংবাদিক কে জানান।
উক্ত বিষয় টি নিয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলামের সরকারি মোবাইল নাম্বারে বদলগাছী মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদৌস হোসেন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক এনাম মোবাইল ফোনে বারংবার চেষ্টা করে মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি ।
উক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন, সহ বিএনপি নেতা ভুট্টু , যুব দলের নেতা রাব্বি জানান সচিব আমাদের কে অনুরোধ করে বলেছেন সাংবাদিকদের কে বুঝিয়ে বলেন একটু, তাই অনুরোধ করছি ভাই। পূর্ণাঙ্গ সঠিক হয়েছে বলবো না, কিছু অনিয়ম হতে পারে। সাংবাদিক হিসেবে বিবেচনা মাএ। সরেজমিনে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে দেখা গেছে চাল প্রকাশ্যে বেচাকিনা হয়েছে। চোখের জলে সরকারি ঈদ উপহার ভিজিএফ না পেয়ে ফিরে গেলেন মোমেন ও ছকিনা। কি বলিব দুঃখের কথা, মর শুধু পাবলিক ধুকে ধুকে মর ভাগ্যের চাকা তোর নরবর।
হতদরিদ্রের চাল গুলো রক্ষা করার চেষ্টা বা দায়িত্ব কার প্রশ্ন এলাকাবাসীর।