মোঃ মাসুম বিল্লাল, মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
মণিরামপুর পৌরশহরের আকরাম মোড়ে অবস্থিত জৈনক সিরাজুল ইসলাম মনুর জ্বালানী তেলের ডিপোতে (১৮ই মে)সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে,স্থানীয়দের সহায়তা ও মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের কয়েক মিনিটের চেষ্টায় সে আগুন মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণে আসে,খবরটি মুহূর্তেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনস্থল পরিদর্শন করে মণিরামপুর থানা পুলিশের একটি তদন্ত টিম।
ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মনু দাবী করেন,ঘটনার দিন সকালে তার ভাইপো ইসমাইল দোকান খুললে ১টি আরএক্স মোটরসাইকেল যোগে দুই জন মাক্স পরিহিত ব্যাক্তি এসে হাফ লিটার পেট্রোল চাইলে ইসমাইল তাদেরকে পেট্রোল দেই,পরবর্তীতে পেট্রোলের দাম চাওয়াতে ম্যাচের কাঠি দিয়ে তার দোকানে আগুন জ্বালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এবং দোকানদার ইসমাইল কোন রকম প্রাণ রক্ষা করতে বাইরে চলে আসে,তিনি আরো জানান,আমি খবর পেয়ে বাড়ি থেকে দৌড়ে চলে আসি,তারমধ্য আমার দোকান পুড়ে ছায় হয়ে যায়,সর্বমোট জ্বালানী ও মালামাল দিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ্য টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ মর্মে(১৮ই মে) কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাতে "দূর্বীত্তদের দেওয়া আগুনে তেলের ডিপো পুড়ে ছায়" নামে সংবাদ প্রচারিত হয়,এ বিষয়ে কয়েকজন সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহে গেলে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মনু অনেক ব্যস্ততা দেখি কোন মন্তব্য না করে তার তালাবদ্ধ দোকানের সামনে থেকে চলে যায়,সন্দেহজনক মনে হওয়াতে এএসপি মণিরামপুর সার্কেল ইমদাদুল হকের সাথে কথা বলা হলে তিনিও বিষয়টি সন্দেহের তালিকায় রেখে জানান,বিষয়টি সন্দেহজনক আমাদের টিম তদন্ত করছে,প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হলে আপনাদের জানানো হবে।
এ দিকে জনমনে নানান মন্তব্য উঠেছে ব্যবসায়ীর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে! সিনেমার কল্পকাহিনীর মতো দিনে দুপুরে ম্যাচের কাঠির আগুনে কিভাবে তেলের ডিপো পুড়ে ছায় হয়ে যায়!আবার এক এক জনকে দেওয়া আলাদা আলাদা মন্তব্য ঐ ব্যবসায়ীর,এ ব্যাপারে মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ সাফায়েত আলম জানান,আমি স্টেশনে ছিলাম না,আমার টিম কাজ করেছে।
তবে,মাত্র ৫/৭ মিনিটে একটি তেলের ডিপোই লাগা অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণে আনা খুবই কষ্টকর,তার দোকানে আহামরি জ্বালানী ছিলোনা,সম্প্রতি মণিরামপুর খেদাপাড়াতে ১টি তেলের ডিপোই আকস্মিক অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছিলো ৪৫ মিঃ এর বেশি সময় আমরা কাজ করেছিলাম,সে অনুপাতে হিসাব করলে এ অগ্নিকান্ড সন্দেহজনক,যেভাবেই ঘটুক এটা সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত ঘটনা।