মোঃ মাসুম বিল্লাল, মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
গেলো কয়েক বছরের তুলনায় এবার যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা,উপজেলার প্রতিটি ধানী মাঠের দিকে তাকালেই মনে হচ্ছে ফসলী ধানের জমিতে ঢেউ খেলছে সোনালী ধানে কৃষকের মুখ ভরা হাসি।
মেঠো রাস্তার পথ বেয়ে যতদূর চোখের দৃষ্টি যায় দেখা যায় আধা-কাচা-পাকা এবারের বোরো মৌসুমের বিভিন্ন জাতের ধানের ক্ষেতে বাতাসের তালে দৌল খাওয়া কৃষকের স্বপ্নের ঢেউ।
সরেজমিনে উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের বলের মাঠ থেকে বিল পর্যন্ত বোরো ধানের আবাদের বাম্পার ফলনের ধানী জমি থেকে ধান কাটা শুরুও করেছে কৃষকের দল।
নিজের ক্ষেতের ধান হাত বাড়িয়ে দেখিয়ে কৃষক নূর আলী বলে,২ বিঘা মত চাষ করেছি,কয়েক দিনের ভিতর কাটা হবে,এত বেশি ফলন বিগত কয়েক বছরেও হয়নি।
উপজেলা ছাড়াও পৌরসভার ভিতরে দেখা গেছে আবাদকৃত বোরো ধানের বাম্পার ফলন,বিজয়রামপুর ওয়ার্ডের পালপাড়া মোড় থেকে আকাবাকা সূদুর মাঠেও চোখে পড়ে পাকা ধানের সমারহ।
স্থানীয় এক যুবক চাষী মোঃ নজরুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ করে জানান এবার কাঠা প্রতি অধিক ধান পাওয়া যাবে।
তবে উপজেলার ভবদাহ এলাকার বাধ ভেংগে ১৪৪ হেক্টর জমির বোরো আবাদ নষ্ট হয়েছে বলে মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিস এ তথ্য দিয়েছে।
তথ্যমতে,এ বছর মণিরামপুর উপজেলাতে ২৮৩৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিভিন্ন জাতের ধানের বোরো আবাদ হয়েছে ২৬৯০০ হেক্টর।
চলতি মৌসুমে উপজেলার প্রান্তীক পর্যায়ের ৩৯০০ জন কৃষকের মাঝে ২কেজি হাইব্রিড জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছিলো।
আলাপকালে মণিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ মাহমুদা আক্তার নিজেও উচ্ছাসিত হয়ে বলেন,এ বছর বোরো আবাদে উপজেলা ব্যাপী বাম্পার ফলন হয়েছে।
আল্লাহর রহমতে যদি কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না আসে তাহলে কৃষক বোরো আবাদে অধিক ফলন পাবে।