রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামাল
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে ঈদ। ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সেই আনন্দ উপভোগ করতে প্রকৃতি ঘেরা অপার এক সৌন্দর্যের নীলাভূমি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত মধু পল্লী ও কপোতাক্ষ পাড় বেছে নিয়েছে এ অঞ্চালের বিনোদন প্রেমীরা।
ঈদের দিন সকাল থেকে মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। ক্রমান্বয়ে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়।উৎসব উপভোগ করতে শিশু-কিশোরসহ প্রিয়জন ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ভিড় জমিয়েছে হাজারও বিনোদনপ্রেমী। বড়দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবার নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আনন্দ উপভোগ করতে কপোতাক্ষ পাড়ে আসছে সকলে।
সাগরদাঁড়ি ঘুরে দেখা যায়, প্রচণ্ড গরম সত্ত্বেও প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যান যোগে শিশু-কিশোর-বৃদ্ধ সবাই ছুটে আসছেন মধুপল্লীতে। আবার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলতে অনেকে ঘুরছেন কপোতাক্ষ পাড়ে এবং করছেন নৌকা ভ্রমন। কেউবা আবার সেল্পি তোলায় মগ্ন। সব থেকে বেশী আনন্দ উপভোগ করেছেন শিশু ও কিশোররা।
মধু পল্লীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসি ক্যামেরা, পোশাকে-সাদা পোশাকে নিরাপত্তা প্রহরী পাশাপাশি রয়েছে আনসার সদস্যরা।ঈদের সময়টাতে বিনোদনের জন্য পার্ক, পর্যটনকেন্দ্র অথবা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোতে ব্যস্ত থাকে সবাই। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো উৎসবের একটা বড় অংশ। গ্রামের বাইরে যারা থাকেন তারাও গ্রামে এসে এ সময়টাকে নিজের মতো করে উপভোগ করে থাকেন। নাড়ির টানে বাড়ির ভালোবাসায় হাজারো প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে শহর থেকে চলে আসেন লাখ লাখ মানুষ গায়ের পথে। ঈদের আনন্দ স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করতে পেরে ভুলে যায় পথের সব ক্লান্তি। দোস্ত-দুষমন এক হয়ে যাওয়ার এই ঈদ সবার মুখেই এক মিষ্টি হাসি দিতে সক্ষম হয়। এ হাসির উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে আকাশে বাতাসে।