রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামাল
ঈদ/উৎসব এলেই যেন লাগামহীন হয়ে পড়ে উঠতি বয়সী কিছু কিশোর। আনন্দের নামে বেপরোয়া কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন তারা। এই কিশোরদের কাছে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন নারীরা। শুধু হেনস্তাই নয়; অপরিপক্ব হাতে ঝুঁকিপূর্ণ বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে নিজে যেমন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন, তেমনি পথচারীদেরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শিথিলতার কারণে এমনটি ঘটছে।
সারাদেশের ন্যায় ঈদুল ফিতরের উৎসবে মাতোয়ারা যশোরের কেশবপুর। কিন্তু আনন্দের এই ক্ষণে অনেক পরিবারই ডুবছে শোকের সাগরে। ঈদ এলেই সড়কে প্রাণহানি বেড়ে যায়।
কেশবপুর উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, ঈদের দিন সকাল থেকে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হেলমেট ছাড়া অপ্রাপ্ত বয়সের কিশোর-তরুণ বাইকাররা। কোন কোন বাইকে দুইজন থাকলেও বেশীর ভাগ বাইকে তিন জন করে ঘুরছেন তারা। এতে আতঙ্কিত পথচারীসহ সড়কে চলাচল করা সকলেই।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাধারণ মানুষ জানায়, বেপরোয়া গতিই দুর্ঘটনার কারণ। অপ্রাপ্ত বয়সের কিশোরদের হাতে বাইক থাকায় প্রতিনিয়তই সড়ক ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন হেলমেট ছাড়া বাইকাররা। এসব কিশোর বাইকাররা সড়কের প্রত্যেকটা মানুষের জন্য আতঙ্ক।
সচেতন মহলের দাবী, কতিপয় অভিভাবকরা সাম্প্রতিক সময়ে শিশু ও কিশোরদের হাতে ভারী ও দামি মোটরসাইকেল তুলে দিয়েছেন। আর ওই সব মোটরসাইকেল পেয়ে বেপরোয়া গতিতে চালনা করছে শিশু ও কিশোররা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন শিশু কিশোর যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোয় আতঙ্কিত কেশবপুর উপজেলাবাসি। দলবদ্ধভাবে ঈদের দিন সকাল থেকে দাবড়ে বেড়াচ্ছে সড়ক-মহাসড়ক।
সচেতন নাগরিক সমাজের অনেকেই বলছেন, মূলত ওই সব শিশু ও কিশোরের চাইতে তাদের অভিভাকরা এ জন্য বেশি দায়ি। ফলে তারা অভিভাবকদের সচেতন হতে বলছেন। যাতে ভাড়ি ও দ্রুতগতির মোটরসাইকেল গুলো কোন ভাবেই যেন শিশু ও কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া না হয়।
কিশোর-তরুণ বয়সী এসব বাইকারদের কারণে সড়কে মৃত মানুষের তালিকা লম্বা হচ্ছে। বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানোয় অকালে মা-বাবার বুক খালি করে পরপারে পাড়ি জমাচ্ছে অনেক কিশোর।