রাকিব আরাফাত ইমন, ঢাকা থেকে :
পল্লবী থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ জুয়েল রানা সাথে আমাদের প্রতিনিধি রাকিব আরাফাত ইমনের সাথে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আলাপ হয়, তখন তিনি বলেন আমার নেত্রী, মানবতার মা, জনগণের ভোটে পাঁচবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন আপা খুব তাড়াতাড়ি দেশে ফিরবে ইনশাল্লাহ।
এই অবৈধ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস এখন দেশ থেকে যাওয়ার রাস্তা খুজতেছে এবং খুবই দ্রুত আধার কেটে আবারও নতুন সূর্য উঠবে। তাই আমি whatsapp এর মাধ্যমে পল্লবী থানা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ. ছাত্রলীগ. স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগসহ সকল নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলেছি।
আপনারা তো দেখেছেন
৫ আগস্টের দিন আমার নেত্রীকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করে তখনই এমপি মন্ত্রীরা ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যখন আত্মগোপনে চলে যায় তখন আমি ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। আমি বাংলাদেশে থাকি তারপরও যখন আমার নামে মিথ্যা ৬/৮ মামলার দেয় তখন আমি দেশ ত্যাগ করি।
আমি দেশ ত্যাগ করার সাথে সাথে আমার ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যম দিয়ে পল্লবী থানার সকল যুবলীগের ও আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতা-কর্মীদের খোঁজ নেওয়া শুরু করি।
আপনারা মিডিয়া ভাইরা দেখেছেন আমার ফেসবুক আইডিতে দিয়ে আমি ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সময় ফেসবুকে লাইভে এসে তৃণমূল নেতা-কর্মীদেরকে উৎসাহিত এবং ঐক্য করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আলহামদুলিল্লাহ আমার প্রিয় সংগঠন পল্লবী থানা যুবলীগের সকল নেতা-কর্মীরা যেমন থানা. ওয়ার্ড এবং ইউনিটের নেতা কর্মীরা যেমন ৫ আগস্টের আগে যেমন ঐক্য ও প্রস্তুত থাকতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপার নির্দেশে তেমনি এখনো তারা আমার প্রিয় সংগঠন পল্লবী থানা যুবলীগের সকল ভাই ও নেতা-কর্মীরা এখনো ঐক্য ও প্রস্তুত আছে। মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য।
আপনার দেখেছেন মিডিয়ার মাধ্যমে ৫ আগস্টের পর আমার নেত্রী মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেসব নির্দেশ দিয়েছে সবগুলা আমার প্রিয় সংকগঠন পল্লবী থানা যুবলীগের সকল নেতা-কর্মীরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি।
যেমন:
১. নূর হোসেন দিবস (১০ নভেম্বর) কর্মসূচিতে গুলিস্তানে আমার পল্লবী থানা যুবলীগের ৪০/৪৫ নেতা-কর্মীরা ওই জায়গায় উপস্থিত ছিল এবং কর্মসূচি থেকে আমার সংগঠনের ৩ জন কর্মী আটক করা হয়।
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ৩ জনকে আমি জামিন করে ফেলছি।
২. আমার প্রিয় সংগঠন পল্লবী থানা যুবলীগের নেতাকর্মীরা ১৮ (নভেম্বর) পল্লবী থানা এলাকায় প্রথম মিছিল করে পল্লবী থানা যুবলীগের পক্ষ থেকে এবং ওই ভিডিও ওই সময় ভাইরাল হয়ে যায়। এটা আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে এবং যুবলীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে মিছিলের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওই মিছিলে উপস্থিত ছিল আমার কর্মী আমার ছোট ভাই ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা সাহিদকে বিএনপি ও যুবদলের সন্ত্রাসবাহিনীরা নিজ বাসা থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে পল্লবী থানায় পুলিশের কাছে দিয়ে দেয়। এখনো সে কারাবন্দি রয়েছে। সবাই সাহিদের জন্য দোয়া করবেন।
৩. ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপা
নির্দেশ দিয়েছিল যে ১-৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি।
,ওই কর্মসূচি ও সর্বপ্রথম আমার নেতা-কর্মীরা পল্লবী থানায় বিভিন্ন জায়গায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করে এবং লিফলেট বিতরণ করার সময় আমার কর্মী ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা রাজনকে ৃকালশী মোড় থেকে বিএনপি ও ছাত্রদলের সন্ত্রাস বাহিনীরা রাজনকে নির্যাতন করে তাকে মামলা না থাকা সত্ত্বে ও পল্লবী থানা পুলিশের কাছে দিয়ে দেন।
৪. দুই দিন আগে দেখেছেন বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে
মার্চের ১০ তারিখের দিন (সোমবার) রমজান উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপা পক্ষ থেকে মিরপুর পল্লবী বিভিন্ন লজায়গায় ইফতার বিতরণ কর্মসূচি পালন করে আমার পল্লবী থানা যুবলীগে নেতা -কর্মীরা।
আমি জানি পল্লবী এলাকার ভাই বোনেরা এবং বাংলাদেশের মানুষ এখন কেউ ভালো ংকেউ নিরাপদে নেই
কারণ ৫ আগস্টের পর দিনের পর দিন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ. ধর্ষণ. ছিনতাইকারী অনেক বেড়ে গেছে কারণ দেশি এখন কোন আইন নাই আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ভাইয়েরা এখনো তারাও নিরাপদ নেই। গতকাল (১১ মার্চ) আপনারা দেখেছেন পল্লবী থানার ভিতরে সন্ত্রাসী হামলা চালায়, হামলায় পল্লবী থানা ওসি আরও ৩ পুলিশ কর্মকর্তা আহত।
সবাই ভালো থাকবেন এবং আমার নেত্রী মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপার জন্য সবাই দোয়া করবেন আর আপা খুব তাড়াতাড়ি আমাদের দেশে ফিরবে ইনশাআল্লাহ।