মোছাঃ নিছপা আক্তার, বিশেষ প্রতিনিধি:
জেল খানার অভ্যন্তরে নানাবিধ অনিয়ম দূর্নীতির সাথে সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত অস্ত্র ও চোরাকারবারিসহ ২৪’র গণঅভ্যুত্থানের মামলার আসামীদের সাথে নিত্য ওঠাবসার অভিযোগ হবিগঞ্জের জেল সুপারের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় টাকার বিনিময়ে কারাগারের ভিতর মাদকদ্রব্য প্রবেশের ব্যবস্থা করেন তিনি। হাজতী দেখতেও ভিআপি হিসাবে লোকজনের কাছ থেকে নেন এক হাজার টাকা করে। ভিতরে নগদ টাকা নেয়ার নিয়ম না থাকলেও শতকরা ২০ % হারে তার লোকজনকে দিলে টাকা ভিতরে টাকা নেয়াও বৈধ, সব অবৈধ কাজকে বৈধ করেছেন হবিগঞ্জের জেল সুপার মো: মুজিবুর রহমান।
পার্শ্ববর্তী জেলায় তার বাড়ি হওয়ায় হবিগঞ্জের সকল মানুষদের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে। নারী নর্তকী থেকে শুরু করে মাদকসেবী,সন্ত্রাসী ডাকাতদলের সাথে রয়েছে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক।
বিগত সরকারের সময় কারাগারে যাওয়া বিএনপি জামায়াতের লোকদের রাখতেন সেলে।
২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রুজুকৃত মামলার এফআইআর ভূুক্ত আসামীদের নানা কৌশলে গ্রেফতার এড়াতে নিরাপদ রাখতেও দ্বায়িত্ব পালন করছে।
এ অভিযোগের অনেকটাই সত্যতা পাওয়ায় যায় চলতি মাসে ২৬ ফেব্রুয়ারিতে মাধবপুর উপজেলার মনতলা পূর্ববাজরে হাজী ইলেক্ট্রনিক একটি শো-রুম উদ্বোধনের সামাজিক যোগাযোগ মাধব্যমে ভিডিও ও ছবিতে।
দেখা যায়, আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এড. মোঃ মাহবুব আলীর ঘনিষ্ঠ সহচর, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত, শ্রীধরপুর গ্রামের সানু ভূইয়া, বানিয়াচং নিবাসী আওয়ামী লীগার তুহিন চৌধুরীকে নিয়ে উপস্থিত হন।
এছাড়াও জেল সুপারের সাথে ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে হামলার ঘটনায় রুজু হওয়ায় একাধিক মামলার আসামীরাও উপস্থিত ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।