সাইফুল ইসলাম, (গোদাগাড়ী) রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে চরাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নওশেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাসহ ৩ জন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলছে।
তারা হলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোসা :মুজলিয়া খাতুন, সহকারী শিক্ষক মোশারফ হোসেন জুয়েল, মাহমুদুল হাসান ও শিহাব।
উল্লেখিত দের বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় তদন্তে মামলা রুজু হয়।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোসা :মুজলিয়া খাতুন বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কারণে আপনি “সরকারী কর্মচারী (পুংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮” এর ও (খ) ধারা অনুযায়ী অসাদাচরণের দায়ে দোষী।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস রাজশাহী সারক নং৩৮.০১.৮১০০.০০.০০.০০৩.২৪/২০৪৭ ০৪ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে অভিযুক্ত হন বিভাগীয় মামলায়।
২২শে ডিসেম্বর রবিবার এ বিষয়ে শুনানি হয়েছে।
রাজশাহীর জেলার গোদাগাড়ীর চর নওশেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকামোসা: মুজলিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বিদ্যালয়ে পাঠদান ও ব্যবস্থাপনায় যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছেন, একক সিদ্ধান্তে বিদ্যালয় পরিচালনা করেছেন এবং বিভিন্ন আর্থিক বিষয়ে সঠিক হিসাব রাখেননি।
তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে যে তিনি অভিভাবকগণ ও উক্ত বিদ্যালয় সভাপতির সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। টয়লেট সংস্কার না করার ফলে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগে ফেলেসহ পুরানো বই বিক্রি করেছেন।
এছাড়াও সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত যথাসময়ে বিদ্যালয়ে না যাওয়া, বিদ্যালয়ে অনুপস্থীত থাকা। প্রধান শিক্ষিকার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে শৃঙ্খলা ও আপীল বিধিমালা অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং শাস্তি প্রদানের জন্য ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মোসা :মুজলিয়া খাতুনের সঙ্গেএকাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোসা: মুজলিয়া খাতুনসহ ৩ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন বলেন, নিয়োগকারী কর্মকর্তা জেলা শিক্ষা অফিসার এ বিষয়ে ভালো জানেন। এ বিষয়ে বিভাগীয় আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত দিবেন তা নেওয়া হবে।